আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন।

কুমারখালী NEWS24
ঢাকাSaturday , 14 May 2022
  1. bbpeoplemeet-inceleme visitors
  2. bbwdatefinder-inceleme visitors
  3. DAF visitors
  4. Flirt review
  5. Herpes Dating dating
  6. herpes dating review
  7. herpes-chat-rooms review
  8. herpes-dating-de visitors
  9. Hervey Bay+Australia hookup sites
  10. Heterosexual cute date ideas
  11. Heterosexual dating beoordeling
  12. Heterosexual dating i migliori siti per single
  13. heterosexual dating reviews
  14. Heterosexual dating reviews
  15. Heterosexual dating visitors

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন।

আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাংলা জোকস [ Bangla Jokes ] – বাংলা কৌতুক, বাংলা হাসির গল্প, BD Jokes

Jubair Hossain Pavel
May 14, 2022 10:08 am
Link Copied!

বাংলা জোকস [ Bangla Jokes ] – বাংলা কৌতুক, বাংলা হাসির গল্প, BD Jokes:

আমাদের বাংলা জোকস (Bangla Jokes), বিডি জোক্স (BD Jokes), বাংলা কৌতুক, বাংলা হাসির গল্প (Bengala comedy story), জোকসগুলো বেশিরভাগই বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও বই থেকে নেওয়া।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১ঃ বক্তৃতা মঞ্চ না হয়ে ফাঁসির মঞ্চ

এক জন জনপ্রিয় নেতা বক্তৃতা দেবেন। জনসভা লোকে লোকারণ্য। তা দেখে একজন ওই নেতাকে বললেন, আপনি বক্তৃতা দেবেন শুনলেই লোকজন ছুটে আসে- ময়দান ভরে যায়। এতে আপনার কেমন লাগে?
: লাগে ভালোই। গর্বে বুক ভরে যায়। কিন্তু তখনই আরেকটা কথা ভাবি।
: কী ভাবেন?
: ভাবি যে এটা আমার বক্তৃতা মঞ্চ না হয়ে যদি আমার ফাঁসির মঞ্চ হত- তা হলে এর তিনগুন লোক জমায়েত হত।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২ঃ অনুমতি

আফ্রিকার একটি দেশে রাশিয়ার এক কূটনীতিককে খেয়ে ফেলল মানুষখেকোরা। রুশ সরকারের পক্ষ থেকে সেই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিবাদ পাঠানো হলো। কিছুদিন পর রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই দেশের পক্ষ থেকে একটি চিঠি পেল। তাতে লেখা, আপনাদের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে জানাচ্ছি, সুবিধামতো সময়ে মস্কোতে আমাদের রাষ্ট্রদূতকে খেয়ে ফেলার অনুমতি দিচ্ছি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩ঃ গণতন্ত্র বিনির্মাণ

–মঙ্গল গ্রহে কি মানুষ আছে?
—নেই।
—কী করে বুঝলেন?
—মানুষ থাকলে আমেরিকা এর মধ্যেই সেখানে গণতন্ত্র বিনির্মাণের সাহায্যার্থে সৈন্য পাঠিয়ে দিত।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪ঃ মানুষখেকো রাজনীতিবিদ

আফ্রিকার দুই মানুষখেকো রাজনীতিবিদের কথোপকথন:
—আমি সত্ মানুষ ভালোবাসি।
—সকালের নাশতা, না রাতের খাবার হিসেবে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫ঃ ঈশ্বর যদি না-ই থাকবে

ঘোর নাস্তিক এক মার্কিন প্রফেসর বাংলাদেশ ভ্রমন করে ফিরে গিয়ে নিয়মিত চার্চে যাওয়া শুরু করলেন। সবাই এর কারন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঈশ্বর যদি না-ই থাকবে তা হলে ওই দেশটা কে চালাচ্ছে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬ঃ রাজনীতিবিদ আর ডাকাতের মধ্যে পার্থক্য

: বল তো, একজন রাজনীতিবিদ আর একজন ডাকাতের মধ্যে পার্থক্য কি?
: পারছি না, তুই বল।
: ডাকাত ডাকাতি করে জেলে যায় আর রাজনীতিবিদরা জেল থেকে এসে ডাকাতি শুরু করে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭ঃ কিছু বলার আছে

এক বিখ্যাত বক্তাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, মৃত্যুর আগে তাঁর কিছু বলার আছে কি না। তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘আমি এখানে মরতে এসেছি, ভাষণ দিতে নয়!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮ঃ যৌতুকবিরোধী আন্দোলন

নেতাঃ আগামী মাস থেকে আমরা যৌতুকবিরোধী আন্দোলনে নামব।
জনৈক ব্যক্তিঃ এ মাসে নয় কেন, স্যার?
নেতাঃ কারণ এ মাসে আমার ছেলের বিয়ে, আর আগামী মাসে আমার মেয়ের বিয়ে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯ঃ একটি অন্য রকম বাজেট বক্তৃতা

প্রতিবছর বাজেট মানেই একটি নাতিদীর্ঘ ‘বাজেট বক্তৃতা’। সেই বক্তৃতা অনেকের কাছে এতই দুর্বোধ্য ও বোরিং মনে হয় যে অনেকেই তা শুনতে চায় না। কিন্তু বাজেট বক্তৃতাটি একটু অন্য রকম হলে তা হয়ে উঠত বেশ জনপ্রিয়। সে রকমই একটি কাল্পনিক বাজেট বক্তৃতার নমুনা জানাচ্ছেন মহিতুল আলম ও ফাল্গুনী।

২০০৯-১০ অর্থবছরের বাজেটের পূর্ণ বিবরণ
মাননীয় স্পিকার
১। এই জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষ দিকে আষাঢ়ে বৃষ্টিস্মাত সুন্দর এক বিকেলে আমাকে বাজেট উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়ায় আপনাকে ধন্যবাদ। জ্যৈষ্ঠের রসাল ফল এখন দেশের সর্বত্র পাওয়া যাচ্ছে। এমন মনোরম সময়ে বাড়িতে ফলোৎসব না করে আমি দেশ ও জাতির কথা চিন্তা করে ২০০৯-১০ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করছি।
২। বাংলাদেশে সমস্যার কোনো শেষ নেই। এই সমস্যাগুলো সমাধানের অনেকটাই দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে। তাই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আমাদের ওপর দিয়ে ‘আইলা’ চলে গেলেও আমরা আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।

বিশ্বমন্দা
মাননীয় স্পিকার
৩। ‘আইলা’ শুধু আমাদের দেশ নয়, বলা যায় বিশ্বের সামগ্রিক অর্থনীতির মধ্যেই বিরাজমান। বিশ্বমন্দার কারণে আমেরিকাই যেখানে নাজেহাল সেখানে তার প্রভাব আমাদের দেশেও পড়তে পারে। কিন্তু আমরা তা পড়তে দিইনি।

শিক্ষা
মাননীয় স্পিকার
৪। বরাবরের মতো এবারও সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ···শিক্ষার কথা যখন এলই তখন শিক্ষা নিয়ে দু-একটা জোক্‌স না বললেই নয়-
ক· শিক্ষক ছাত্রকে জিজ্ঞেস করছেন, তোমাকে শিক্ষা ও টাকা দুটির মধ্যে একটি নিতে বললে কোনটি নেবে?
ছাত্রঃ টাকা।
শিক্ষকঃ টাকা? আমি হলে কিন্তু শিক্ষাই নিতাম।
ছাত্রঃ স্যার, যার যা অভাব সে তো তাই নেবে!
খ· শিক্ষকঃ ৫টা প্রাণীর নাম বলো।
ছাত্রঃ স্যার, চারটা হাতি আর একটা বিড়াল!
মাননীয় স্পিকার
৫। নোট বই পড়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় কৌতুকটির মতোই ভুল শিক্ষা লাভ করছে। তাই আমরা পাঠ্যবই ফ্রি দেব।

যোগাযোগ খাত
মাননীয় স্পিকার
৬। দেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে রাস্তা রয়েছে ০·৭ কিমি। আমাদের উচিত রাস্তা চওড়া করা এবং আরও সেতু নির্মাণ করা। সেতু প্রসঙ্গে একটি গল্প মনে পড়ে গেল-
জনৈক ড্রাইভার আহত হয়ে হাসপাতালে আছেন। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞেস করল, আপনি এভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন কেন?
ড্রাইভারঃ আসলে আমি প্রথমে দেখলাম একজন মানুষ, তাকে সাইড দিলাম, তারপর দেখলাম একটা ছাগল, তাকে সাইড দিলাম। এরপর একটি সেতু দেখলাম, তাকেও সাইড দিতে গিয়েই এ অবস্থা।
৭। আমাদের বাজেটকে সবাই সব সময় ‘গরিব মারা বাজেট’ বলে থাকে। তাই আমরা এবার একটি ‘বড়লোক মারা বাজেট’ প্রণয়ন করতে চাই। এরই ধারাবাহিকতায় আমি গাড়ির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিচ্ছি।

স্বাস্থ্য খাত
মাননীয় স্পিকার
৮। স্বাস্থ্য খাতে এবার আমি ব্যাপক জোর দেওয়ার প্রস্তাব করছি।···আমাদের এ বাজেট বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের মানুষের স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে বলে আশা করছি-

কৃষি
মাননীয় স্পিকার
৯। কৃষিতে উৎপাদন বাড়ানো এখন অতীব জরুরি। তাই আমরা কৃষি খাতকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছি। আমি গ্রামাঞ্চলে কৃষকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে প্রস্তাব করছি। এতে খরচ হবে···এ বাজেট বাস্তবায়িত হলে কৃষকেরা কুদ্দুস বয়াতির ওই বিজ্ঞাপন চিত্রের মতোই হাসবে আর গাইবে।

১০। তা ছাড়া এখন মানুষ কৃত্রিম পণ্য খেতে খেতে ভুলে গেছে সত্যিকার কৃষিজ ফসলের স্বাদ। অনেকেই বাজেটের সঙ্গে মুলা ঝোলানোর তুলনা করেন। আমরা তাঁদের জন্য দেখাতে চাই একটি আসল মুলার ছবি।

তথ্যপ্রযুক্তি
মাননীয় স্পিকার
১১। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারের জন্য এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আমি কম্পিউটারের দাম কমানোর প্রস্তাব করছি। কম্পিউটার প্রসঙ্গে একটি জোক্‌স তবে বলেই ফেলি-
ইন্টারভিউয়ের সময় প্রশ্নকর্তা জানতে চাইলেন, আপনার স্পিড কত?
কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি প্রার্থী বললেন, ২৫।
প্রশ্নকর্তা বললেন, মাত্র ২৫।
প্রার্থীর জবাব, সরি। মিনিটে এর চেয়ে বেশি ভুল করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

তামাক ও তামাকজাত পণ্য
মাননীয় স্পিকার
১২। দেশের যুবসমাজকে সিগারেট ও মাদকের হাত থেকে বাঁচানো জরুরি।···তাই আমি সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করছি। এমনিতেই সিগারেটের কুফল সম্পর্কে সবাই জানে। যা হোক, বাজেটের এ পর্যায়ে আমি নিচ্ছি ‘পান সুপারি বিরতি’। বিরতির পর আমরা আবার ফিরে আসব।
মাননীয় স্পিকার
১৩। বিরতির পর আবারও স্বাগতম। আমি যে বাজেট প্রস্তাব করলাম সে সম্পর্কে যে কেউ পরামর্শ দিতে পারেন। আমরা সেগুলো গ্রহণ করব। এ ব্যাপারে ফেসবুকে একটি গ্রুপ খোলা হয়েছে।

মাননীয় স্পিকার
১৪। আশা করি, বাজেটের মতো জটিল একটি বিষয় আমি অনেক সহজ করে বুঝিয়েছি। এই দীর্ঘ বক্তৃতায় আপনিসহ আপামর জনগণ তথ্যের সঙ্গে বিনোদনও পেয়েছে। এতে জনগণ নিশ্চয়ই বাজেটের পুরোটা বুঝতে পেরেছে। কারণ যে তথ্য বিনোদনের সঙ্গে পরিবেশিত হয় না, সেটা মানুষ নিতে পারে না। স্বাধীন বাংলায় এই প্রথম আমরাই কেবল তা পেরেছি। বিগত সরকারগুলো কিন্তু তা পারেনি।

১৫। বাজেট প্রস্তাবনা এখানেই শেষ হলো।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০ঃ বাজেটীয় ব্যাখ্যা

বাজেট ও বাজেটসংক্রান্ত বিভিন্ন শব্দ কিংবা শর্তাবলি সাধারণ মানুষের জন্য প্রায়ই দুর্বোধ্য। এই দুর্বোধ্য শব্দগুলোর একটু সহজ ব্যাখ্যা দিতেই এই আয়োজন করেছেন মেহেদী মাহমুদ আকন্দ।

ভর্তুকি
সেই পুরোনো মোবাইলে কি আর এখন প্রেস্টিজ থাকে! এটা বিক্রি করে নতুন একটি হাইফাই মোবাইল সেট কিনতে হবে। পুরোনো মোবাইল বিক্রির টাকার সঙ্গে যে টাকা যোগ করে নতুন মোবাইল কিনতে হবে সেই টাকা যদি বড় ভাই কিংবা বড় আপা দেয় তাহলেই সেটা হচ্ছে মোবাইল খাতে বড় ভাই-আপা কর্তৃক প্রদত্ত ভর্তুকি।

দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প
দেশে যত দরিদ্র আছে তাদের আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে এদের নাম-নিশানা মুছে ফেলার প্রকল্পই হচ্ছে দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প। বুঝতেই পারছেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশ থেকে দরিদ্রতা দূর না হলেও কিছু লোকের দারিদ্র্য (?) ঠিকই দূর হবে।

কালো টাকা
কখন ছিনতাইকারী কিংবা প্রেমিকার কবলে পড়েন সেই ভয়ে আপনি সব টাকা মানিব্যাগে রাখেন না। কিছু টাকা মানিব্যাগের বাইরে অন্য কোনো গোপন পকেটে লুকিয়ে রাখেন। যে টাকার খবর আপনি কারও কাছে প্রকাশ করেন না-সেই টাকা হচ্ছে কালো টাকা।

ট্যাক্স
আপনি নিয়মিত এলাকার এক ছোট বোনকে দিয়ে আপনার প্রেমপত্রগুলো সঠিক গন্তব্যে প্রেরণ করেন। এ কাজের জন্য এলাকার ওই ছোট বোনকে নিয়মিত হারে যে টাকা প্রদান করতে হয় তাই ট্যাক্স।

অভ্যন্তরীণ ঋণ গ্রহণ
পরীক্ষার হলে কলমের কালি শেষ হয়ে গেলে, ক্যালকুলেটরের ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেলে, স্টকে থাকা নকল কমন না পড়লে পরীক্ষার হলের বাইরে না গিয়ে আশপাশের কারও কাছ থেকে ঋণ নিয়ে তাৎক্ষণিক চাহিদা পূরণকে বলে অভ্যন্তরীণ ঋণ গ্রহণ।

ঘাটতি বাজেট
আপনার হাত খরচের টাকা জোগাতে আপনাকে খুব হিমশিম খেতে হচ্ছে। এই অর্থনৈতিক ঘাটতির সময়ে কীভাবে টাকা সংগ্রহ করা যায়, কার পকেট, কার ভ্যানিটি ব্যাগে হামলা চালানো যায়-এই অবস্থাকেই বলে ঘাটতি বাজেট।

অনুন্নয়নমূলক ব্যয়
যে সরকারি প্রকল্পে সরকারদলীয় নেতা-কর্মীদের অবস্থার খুব একটা উন্নয়ন হয় না সেই প্রকল্পের ব্যয়কে দলীয় নেতা-কর্মীরা অনুন্নয়নমূলক ব্যয় নাম দিয়েছেন।

বৈদেশিক সাহায্য
নিজ এলাকার মেয়েকে পটানোর জন্য যদি অন্য এলাকার ছেলেপেলেদের সাহায্য নেওয়া হয় তবে তাকে বলে বৈদেশিক সাহায্য।

লক্ষ্যমাত্রা অর্জন
যে মাত্রার মধ্যে পাশের বাড়ির বারান্দা থাকলে চিঠিখানা ঢিল দিয়ে সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব তাকেই লক্ষ্যমাত্রা বলে। আর সফলভাবে এই কার্য সম্পাদন করতে পারলেই তাকে বলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন।

দ্রব্যমূল্য
এটি একটি একমুখী প্রবাহ-বাজেটে কমানোই হোক আর বাড়ানোই হোক বাজারে দ্রব্যমূল্য সদাসর্বদাই বেড়ে যায়।

নিরাপত্তা ব্যয়
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বিদেশ থেকে দেশে ফেরার পর জনরোষ থেকে তাদের নিরাপত্তা দিতে যে ব্যয় হয় তাই হচ্ছে নিরাপত্তা ব্যয়।

গরিব মারার বাজেট
এটি একটি কাল্পনিক ধারণা। প্রবাদ-প্রবচনও বলা যেতে পারে। যখন যে দলই বিরোধী দলে থাকুক না কেন তারা বাজেট সম্পর্কে যেসব মন্তব্য করে তার মধ্যে খুবই কমন একটি উক্তি হচ্ছে গরিব মারার বাজেট।

আমদানি শুল্ক
ফুলদানিতে ফুলের মতো আমদানিতে আম রাখার জন্য পাশের বাগানের মালীকে আম সরবরাহ বাবদ যে ঘুষ দিতে হয় তা-ই হচ্ছে আমদানি শুল্ক।

অর্থনৈতিক মন্দা
অর্থনৈতিক মন্দা হচ্ছে এমন এক অর্থনৈতিক অবস্থা যখন এলাকার সব দোকানের হটলিস্টে আপনার নাম থাকবে। কারণ দোকানগুলোর বাকির খাতায় সর্বোচ্চ বাকি রাখার রেকর্ডের দৌড়ে আপনি যথেষ্টই এগিয়ে থাকবেন।

উচ্চাভিলাষী বাজেট
ঈদকে সামনে রেখে গৃহকর্ত্রী যখন একক কর্তৃত্বে ঈদ মার্কেটিংয়ের বাজেট ঠিক করে তখন সেই বাজেটই হয় উচ্চাভিলাষী বাজেট।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১ঃ কে কীভাবে বাজেট ঘোষণা করতেন

সুপ্রাচীনকাল থেকেই অর্থমন্ত্রীরা বাজেট ঘোষণা করে আসছেন। বাজেট ঘোষণা করাই তাঁদের কাজ। কিন্তু এ কাজটি অন্য পেশার মানুষ করলে কেমন হতো তা-ই ভেবে বের করেছেন আদনান মুকিত।

হানিফ সংকেত
এই মিলনায়তন এবং এই মিলনায়তনের বাইরে যে যেখানে বসে আমাদের এই বাজেট অনুষ্ঠান দেখছেন, তাঁদের সবাইকে জানাই সাদর সম্ভাষণ।
বাজেট লাগে যেকোনো কাজ শুরুর আগে।
সবাই বাজেট চান। তাই শুরুতেই বাজেট নিয়ে গান। গানটির কথা লিখেছেন মো· রফিকুজ্জামান এবং সুর করেছেন আলী আকবর রুপু।

আরজে
হ্যাল্লো ডিয়ার লিসেনারস, শুনছেন রেডিও বাজেট। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি অ্যানাউন্স করব ২০০৯-১০ ইকোনমিক ইয়ারের বাজেট। এর আগে নিচ্ছি এ সুইট লিটল ব্রেক, স্টে উইথ আস।

ফুটপাতের ক্যানভাসার
যাঁরা আমার এই বাজেট ঘোষণা শুনছেন, তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ। মুসলমান ভাইদের আমার সালাম, হিন্দু ভাইদের নমস্কার এবং অন্য ধর্মের ভাইদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। ভাইজান, এই বাজেট নিয়ে নানাজনের রয়েছে নানা রকম চিন্তা। বাজেটের চিন্তায় অনেকের পেট কামড়ায়, মাথা ঝিমঝিম করে, রাতে ঘুম হয় না, প্রেসার বেড়ে যায়···।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘গগনে গরজে মেঘ ঘন বরষা, বাজেট হাতে এসে গেছে নাহি ভরসা।’ আজ এই মেঘমেদুর বরষা দিনে উত্তাল শীতল হাওয়ায় এই অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করিতে আসিয়া আমার মনে কাব্য আসিয়া গেল, ‘বাজেট আমার বাজেট ওগো বাজেট জীবন ভরা···’

নবাব সিরাজউদ্দৌলা
আজ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে বাজেট ঘোষণা করতে এসে মনে পড়ে গেল বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার সেই মহান অধিপতির কথা, যাঁর শেষ উপদেশ আমি ভুলিনি। তিনি বলেছিলেন, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে সুযোগ দিয়ো না। তারা এ দেশ কেড়ে নেবে। তাই আমি বাজেটে বিদেশিদের কোনো সুযোগই দিইনি জনাব···।

কাজীনজরুল ইসলাম
মম এক হাতে ভারি দেশের বাজেট আর হাতে রণতুর্য···। আমি বিদ্রোহী রণক্লান্ত, বাজেট পড়িয়া হব শান্ত···। আজ বাজেট পড়ার উল্লাসে মোর চোখ হাসে, মোর মুখ হাসে···। ধনী শোষকের শৃঙ্খল ভাঙি, দূর করি ব্যবধান, গাহি সাম্যের গান···।

চৌধুরী জাফর উল্লাহ্‌ শরাফত
সুপ্রিয় দর্শক, জাতীয় সংসদ ভবন থেকে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি জাফর উল্লাহ্‌ শরাফত। আজ ঘোষিত হতে যাচ্ছে ২০০৯-১০ অর্থবছরের বাজেট। এ এক দারুণ ঐতিহাসিক মুহূর্ত, সারা দেশের মানুষ আজ টানটান উত্তেজনা ও চরম উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করছে। এ উৎকণ্ঠা, এ অপেক্ষা, এ কৌতূহল···।

মাজহারুল ইসলাম
হ্যাঁ ভাই, এ এক চরম ক্লাইমেক্স। কিন্তু এ কী, সব মানুষের মধ্যে আজ কেন এত উৎকণ্ঠা? কেন সবার চোখ আটকে আছে টিভি পর্দায়? হ্যাঁ ভাই, সগৌরবে আসিতেছে···আওয়ামী লীগ প্রযোজিত, অর্থমন্ত্রী প্রণীত ২০০৯-১০ অর্থবছরের··· বাজেট··· বাজেট··· বাজেট··· বাজেট···।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২ঃ চতুর বটে!

সাবেক রিপাবলিকান মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিওডর রুজভেল্ট একবার এক সমাবেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন। এমন সময় তাঁকে খেপাতে এক ব্যক্তি উঁচু গলায় চেঁচিয়ে উঠল, ‘স্যার, আমি একজন ডেমোক্র্যাট।’
রুজভেল্ট জানতে চাইলেন, ‘আপনি ডেমোক্র্যাট কেন, জানতে পারি?’
‘আমার দাদা ছিলেন ডেমোক্র্যাট, বাবা ছিলেন ডেমোক্র্যাট, কাজেই আমিও ডেমোক্র্যাট।’
‘এটা কোনো কথা হলো? আপনার দাদা আর বাবা গাধা হলে আপনিও কি গাধা হবেন?’
‘তা হব কেন, আমি তখন হব রিপাবলিকান।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩ঃ আপনি কেন নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন

নির্বাচনের প্রার্থীকে জিজ্ঞেস করছেন সাংবাদিকঃ আপনি কেন নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন?
-আপনি কি দেখতে পাচ্ছেন না, চারদিকে কী ঘটছে? সরকারি লোকেরা আমোদ-প্রমোদে মত্ত, দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে দেশ।
-আপনি এর বিরুদ্ধে লড়ার জন্যই নির্বাচন করছেন?
-পাগল নাকি! আমার কি আমোদ-প্রমোদ করতে শখ হয় না?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪ঃ পাপকে ঘৃণা করো, পাপীকে নয়

–দুদক চেয়ারম্যানঃ আসুন, আমরা নির্বাচনে দুর্নীতিবাজদের বর্জন করি।
দুর্নীতিবাজ নেতাঃ হে জনগণ, তোমরা পাপকে ঘৃণা করো, পাপীকে নয়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫ঃ নেতা সাহেব তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে…

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমান ক্রাশ করছে। যাত্রী মোট চারজন। একজন পাইলট, একজন নেতা, একজন শিক্ষক, অপরজন ছাত্র। বিমানে প্যারাসুট আছে তিনটি!

একটা প্যারাসুট নিয়ে পাইলট বললো, “আমি লাফিয়ে পড়ছি, আমাকে তাড়াতাড়ি রিপোর্ট করতে হবে যে বিমান ক্রাশ করছে।”

নেতা একটি প্যারাসুট নিয়ে বললেন, “দেশ ও জাতির জন্য আমার অনেক কিছুই করার এখনো বাকি। তাই আমার বেঁচে থাকা দরকার।”

অবশিষ্ট যাত্রী দু’জন, শিক্ষক ও ছাত্র।

শিক্ষক, “ওরা তো দুইটা নিয়ে গেল। এখন প্যারাসুট আছে একটা। অতএব, তুমি ছোট তোমার দীর্ঘ জীবন সামনে। তুমিই ওটা নিয়ে নেমে যাও।”

ছাত্র, ” স্যার, তার দরকার নেই। প্যারাসুট এখনো দুইটা আছে। কারণ নেতা সাহেব তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে প্যারাসুট মনে কইরা আমার ব্যাগ নিয়ে লাফ দিয়েছেন…”

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬ঃ আমাদের পৃথিবীটা নরক বানাবে ক

দুই ভদ্রলোক।
–রাজনীতিবিদদের নরকে যাওয়া উচিত।
–তাহলে আমাদের পৃথিবীটা নরক বানাবে ক?

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭ঃ থুতু দেয় উলটা দিকে

স্বৈরাচার এক শাসক নিজের ছবি দিয়ে স্ট্যাম্প বের করার পর একদিন খোঁজ নিতে গেলেন।
–কী, স্ট্যাম্পটা কেমন চলছে?
–স্ট্যাম্প তো চলছে না স্যার। সবকিছু ভালো হয়েছে কিন্তু ভালো আঠা দেওয়া হয় নাই।
–কী! ডাক তাকে। আঠার দায়িত্বে কে ছিল?
আঠার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসে বললেন, স্যার আঠা তো ভালোই দিয়েছি কিন্তু লোকজন তো আঠার দিকে থুতু দেয় না, থুতু দেয় উল্টো দিকে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮ঃ ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার এবং রাজনীতিবিদ

তিন বন্ধু। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার এবং রাজনীতিবিদ। একসঙ্গে গেছেন গ্রামে বেড়াতে। সন্ধ্যায় পথ হারিয়ে তারা এক চাষীর বাড়িতে উঠলেন। চাষী জনাল- তার ঘরে দুইজনের থাকার জায়গা আছে, তাই একজনকে পাঁঠার ঘরে থাকতে হবে।
ডাক্তার বললেন যে তিনি পাঁঠার ঘরে থাকবেন। কিন্তু পাঁঠার গন্ধ সহ্য করতে না পেরে তিনি দশ মিনিটের মধ্যেই বেড়িয়ে এলেন।
তখন ইঞ্জিনিয়ার গেলেন। তিনি বিশ মিনিট থাকতে পারলেন।
এবার রাজনীতিবিদ গেলেন। তিনি আর বের হন না। আধ ঘন্টা পরে পাঁঠাটাই বের হয়ে এল।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯ঃ ডান রাজনীতিবিদ

আজীবন বাম রাজনীত করেছেন খ্যাতনামা এক রাজনীতিবিদ । এখন মৃত্যুশয্যায় । শুভার্থীরা ঘিরে আছে শেষ সময়ের বাণী শোনার জন্য…
রাজনীতিবিদ বললেন, মরার আগে আমি একটা ডান দলে যোগ দিতে চাই ।
: কেন ? এই শেষ বেলায় কেন কপালে কলঙ্ক লাগাতে চান ?
: মরার আগে অন্তত একজন ডান রাজনীতিবিদ মেরে যেতে চাই ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০ঃ গোটা দেশকে খুশি করার উপায়

খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা, এরশাদ ও একজন নাগরিক প্লেনে করে একজায়গায় যাচ্ছিল।
খালেদা জিয়া হঠাত বলল, “আমি বাংলাদেশের ১ জন নাগরিককে সুখি করতে পারব।”
সবাই বলল, “কিভাবে?”
খালেদা জিয়া বলল, “আমি যদি একটা ১০০ টাকার নোট এখান থেকে ফালাই তবে সেটাকে একজন নাগরিক পাবে। সুতরাং সে খুশি হবে। ”
শেখ হাসিনা বলল, “তাহলে আমি দশজনকে খুশি করতে পারব দশটা ১০০ টাকার নোট ফেলে।”
এবার এরশাদ বলল, “তাহলে আমি একশজনকে খুশি করতে পারব একশটা ১০০ টাকার নোট ফেলে।”
এবার সেই নাগরিক বলল, “আমি গোটা দেশকে খুশি করতে পারব।”
সবাই বলল, “কিভাবে?”
নাগরিক বলল, “আপনাদের তিনজনকে বিমান থেকে ফেলে দিয়ে।”

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১ঃ পার্থক্য

প্রশ্ন: রাজাকার গোলাম আযম আর এক বালতি গুয়ের মধ্যে পার্থক্য কোথায়?
উত্তর: ঐ বালতিটা।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২ঃ রাজাকার সমস্যার সমাধান

প্রশ্ন: চাঁদে একজন রাজাকার। এর মানে কী?
উত্তর: সমস্যা।

প্রশ্ন: চাঁদে দু’জন রাজাকার। এর মানে কী?
উত্তর: মহা সমস্যা।

প্রশ্ন: গোটা রাজাকার সমাজ চাঁদে। এর মানে কী?
উত্তর: সমস্যার সমাধান।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩ঃ পাঁচ উইকেটের পতন

ইদানীং রাজনীতির মাঠে ৫ উইকেট পড়ার গল্প শোনা যাচ্ছে। ছবিতে দেখুন আসলে কি ঘটেছিল।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪ঃ লিলি বিরিয়ানকে আঁকতে চেষ্টা

একটি বিমূর্ত চিত্র এঁকেছেন শিল্পী ডোনাল্ড বব। নিজের আঁকা চিত্রের দিকে নিজেই ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে ছিলেন তিনি। এমন সময় এক ভক্ত পাশে এসে দাঁড়ালেন। বললেন, ‘বাহ্! চমৎকার এঁকেছেন! তা কিসের ছবি আঁকলেন বলুন তো?’
ডোনাল্ড বললেন, ‘একটা নারীমূর্তি’।
ভক্ত বললেন, ‘হু হু! ভালো তো!’
ডোনাল্ড হতাশ কণ্ঠে বললেন, ‘কিন্তু আমি তো অভিনেত্রী লিলি বিরিয়ানকে আঁকতে চেষ্টা করছিলাম।’
‘ও! তা হলে আপনি বরং নারীমূর্তিটির নাকটা একটু ছোট করে দিন।’ পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করল ভক্ত।
ডোনাল্ড এবার বিরক্তি নিয়ে বললেন, ‘আরে, ওটাই তো খুঁজছি!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫ঃ মডেলের ছবি

দীর্ঘক্ষণ ধরে আঁকায় মনোনিবেশ করতে চেষ্টা করছেন শিল্পী হরিপদ। কিন্তু মডেল মেয়েটা এত নড়াচড়া করছে, বারবারই তাঁর মনোসংযোগে ব্যাঘাত ঘটছে। একসময় রেগেই গেলেন হরিপদ। আঁকার চেয়ার থেকে উঠে মডেল মেয়েটার দিকে এগিয়ে গেলেন। এবং চটাস করে মেয়েটার গালে একটা চড় বসিয়ে দিলেন!
হতভম্ব হয়ে মেয়েটা বলল, ‘আপনি বুঝি আপনার সব মডেলকেই এভাবে মারেন?’
হরিপদ বললেন, ‘কখনোই না। এর আগে আমি চারটা মডেলের ছবি এঁকেছি। তারা কেউই তোমার মতো নড়াচড়া করেনি।’
মেয়েটা একটু দুখী দুখী স্বরে বলল, ‘কোন মডেলের ছবি এঁকেছেন, দেখি।’
হরিপদ একটা থালা, দুটো গ্লাস, একটা আধ খাওয়া পেঁপে আর একটা ফুলদানির ছবি বের করে দেখালেন!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬ঃ চড়া দাম

একটি প্রদর্শনীর আয়োজক বলছেন একজন চিত্রশিল্পীকে, ‘আপনার জন্য একটি সুসংবাদ এবং একটি দুঃসংবাদ আছে।’
চিত্রশিল্পী: বলুন, শুনি।
আয়োজক: গতকাল সন্ধ্যায় এক লোক এসেছিল প্রদর্শনীতে। সে আমাকে ডেকে আপনার আঁকা ছবিগুলো দেখিয়ে বলল, ‘এই লোকের মৃত্যুর পর তাঁর আঁকা ছবিগুলোর দাম কেমন হতে পারে?’ আমি বললাম, ‘অবশ্যই খুব চড়া দাম হবে।’ লোকটা আমার উত্তরে সন্তুষ্ট হয়ে আপনার আঁকা ১৫টা ছবিই কিনে নিয়ে গেল।
চিত্রশিল্পী: বাহ্! এ তো দারুণ খবর।
আয়োজক: আর দুঃসংবাদটাও শুনুন। লোকটা আর কেউ নয়, আপনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭ঃ ছোট করে আঁকতে হবে

এক ধনাঢ্য ব্যক্তি একবার পাবলো পিকাসোকে মোটা অঙ্কের টাকা দিলেন তাঁর স্ত্রীর ছবি এঁকে দেওয়ার জন্য। পিকাসো এঁকে দিলেন। ছবি দেখে ধনাঢ্য ব্যক্তিটি খুবই বিরক্ত হলেন এবং বললেন, ‘এটা মোটেও আমার স্ত্রীর মতো হয়নি।’
পিকাসো বললেন, ‘তা হলে কেমন আঁকা উচিত ছিল?’
ধনাঢ্য ব্যক্তি পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করলেন এবং তাঁর স্ত্রীর একটা পাসপোর্ট সাইজের ছবি বের করে দেখালেন। পিকাসো ছবিটি ফিরিয়ে দিতে দিতে বললেন, ‘হু, ছোট করে আঁকতে হবে, তাই তো?!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮ঃ বিন্দু হাঁটতে বেরিয়েছে

শিল্পী পল ক্লিকে একবার প্রশ্ন করা হলো, ‘আপনার আঁকা চিত্রটি আসলে কী?’
পল ক্লি উত্তর করলেন, ‘আমার আঁকা চিত্রটি আসলে একটি বিন্দুর, যে কি না খানিকটা হাঁটতে বেরিয়েছে!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯ঃ দূরে সরে যাওয়া

একজন শিল্পীকে পাঁচ মাইল লম্বা একটা রাস্তাজুড়ে বিশাল আল্পনা করার কাজ দেওয়া হলো। প্রথম দিন তিনি দুই মাইল পর্যন্ত আঁকলেন, দ্বিতীয় দিন আল্পনা করলেন আরও এক মাইলজুড়ে। তৃতীয় দিন আঁকলেন আধা মাইল।
কেউ একজন প্রশ্ন করল, ‘দিনে দিনে আপনার কাজের পরিধি কমছে কেন?’
শিল্পী বললেন, ‘কারণ দিনে দিনে আমি আমার রঙের বাক্সটা থেকে দূরে সরে যাচ্ছি!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩০ঃ কেমন বাজালাম

— কেমন বাজালাম বলুন তো?
— থামার পর বেশ লাগছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩১ঃ পেরেকটাকে ধন্যবাদ

নতুন অভিনেত্রীর অভিনয়ে মুগ্ধ পরিচালক: সত্যি যন্ত্রনার যে অভিব্যক্তি তুমি প্রকাশ করেছে, ঝানু অভিনেত্রীও তা পারবে না। তোমাকে ধন্যবাদ।
অভিনেত্রী: ধন্যবাদ আমাকে নয়, এই পেরেকটাকে দিন। এটা পায়ে বিঁধেছিল বলেই না…

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩২ঃ চিত্রশিল্পীর প্রদর্শনী

চিত্রশিল্পীর প্রদর্শনী চলছে। তিনি এলেন সন্ধ্যার পর গ্যালারিতে। গ্যালারির মালিককে জিজ্ঞেস করলেন, কেউ কি ছবি

কিনতে চেয়েছে?
মালিক বলল, হ্যাঁ হ্যাঁ। একজন এসে বলল, আপনার মৃত্যুর পর এই ছবিগুলোর দাম আকাশছোঁয়া হবে কি না। আমি

বললাম, অবশ্যই হবে। তখন তিনি একসঙ্গে ১৫টি ছবি কিনে নিলেন।
−দারুণ তো! কে এই ভদ্রলোক?
−আপনার পারিবারিক ডাক্তার।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩৩ঃ প্রশংসা

চিত্র প্রদর্শনীতে আপনার আকাঁ ছবি দেখলাম শুধু আপনার ছবিগুলোরই প্রশংসা করতে পারি।
শিল্পীঃ কেন অন্যদের আকা ছবিগুলো কি একেবারেই ভালো হয়নি।
দর্শকঃ না ঠিক তা নয়। আসলে অন্যদের আঁকা ছবিগুলোর সামনে এত ভিড় ছিল যে ওগুলো আমি দেখতে পাইনি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩৪ঃ পরকীয়ায় সিদ্ধহস্ত

পরকীয়ায় সিদ্ধহস্ত

স্ত্রী তার স্বামীর ফোন চেক করে এবং কয়েকটি সন্দেহজনক নাম খুঁজে পায়।
– আমার জীবন
– আমার পাগলী
– আমার স্বপ্নের রাণী

সে রাগান্বিত হয়ে পড়ে এবং প্রথম নাম্বারটিতে ফোন করে। দেখে এটা তার শাশুড়ী। তারপর সে দ্বিতীয় নাম্বারটি কল করে। স্বামীর ছোট বোন জবাব দিল। যখন সে তৃতীয় নামটিতে কল করে, দেখে তার নিজের ফোনটিতে রিং হচ্ছে তখন!

তিনি তার নির্দোষ স্বামীকে সন্দেহ করে আসছেন বলে খুব মন কষ্ট পেলেন। চোখ গড়িয়ে জল পড়া পর্যন্ত থামলেন না, প্রিয় স্বামীর স্বপ্নের রাণী, ড্রিম গার্ল। তারপর সিদ্ধান্ত নিলেন, বেচারা স্বামীর প্রতি এমন আচরণের হিসেবে তিনি তার এ মাসের বেতনের পুরো টাকাটা স্বামীর হাতে তুলে দেবেন।

স্বামী টাকাটা গ্রহণ করলেন এবং তার গার্লফ্রেন্ডকে একটি দামী উপহারও কিনে দিলেন, যার নাম ফোনে সেভ করা ছিল– “গফুর ভাই রাজমিস্ত্রি”।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩৫ঃ কথাবলা পাখি

বল্টুর বউ (কথাবলা পাখি কিনতে গিয়ে): আচ্ছা! এই পাখিটার কী দাম?
পাখি-বিক্রেতা: ৭০০ টাকা ।
বল্টুর বউ: এত দাম কেন?
পাখি-বিক্রেতা : এটা কথা বলতে পারে।
বল্টুর বউ: কম দামের কোন কথাবলা পাখি নেই?
পাখি-বিক্রেতা: হ্যাঁ! এই যে একসাইডে একটা রাখা আছে। ওটা নিয়ে যান, মাত্র ২০০ টাকা।
বল্টুর বউ: কথা বলতে পারে তো?
পাখি বিক্রেতা: আপনি যা খুশি জিজ্ঞেস করুন। ফটাকসে বলে দেবে।
বল্টুর বউ পাখির সঙ্গে কথা বলে বেজায় খুশি। টাকাও মিটিয়ে দিল।
বল্টুর বউ: দাদা, একটা কথা জিজ্ঞেস করব? এই পাখিটা এত ভাল কথা বলে, তাও এর দাম অন্য পাখিদের চেয়ে কম কেন?
পাখি-বিক্রেতা: আসলে ম্যাডাম, এই পাখিটা একটা খারাপ চরিত্রের মেয়েরবাড়িতে ছিল। তাই একে কেউ কিনতে চায় না।
বল্টুর বউ: ও এই ব্যাপার! এতে আমার কোনও সমস্যা নেই।
এই বলে বল্টুর বউ পাখি নিয়ে বাড়ি ফিরল। সন্ধের সময় বল্টু কাজ থেকে ফিরতেই তার বউ খুশি মনে বল্টুকে পাখির কাছে নিয়ে গেল পরিচয় করানোর জন্য।
পাখিটা তখন বল্টুকে দেখে বলে উঠল, ‘‘কী রে বল্টু! তুই এই বাড়িতেও আসিস!’’
বাকিটা ইতিহাস!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩৬ঃ বেলাউজের ভেতর হাত

লঞ্চে প্রচুর ভীর। এক দম্পতি কোন রকম ডেকে চাদর পেতে চাদর গায়ে দিয়ে শুয়ে পড়েছে। সবাই হয় ঘুমাচ্ছে না হয় ঝিমাচ্ছে। এক সময় যুবতী স্ত্রীটি স্বামীকে কানে কানে ফিসফিস করে বললেন, “এক বেডায় মোর বেলাউজের ভেতর হাত ঢুকাইছে।”

উত্তরে স্বামীটি বললো, “টাহা তো মোর ধারে, বেক্কল মনে হরছে টাহা তোমার ধারে। কিছু কইওনা, হালারে ভালো কইরা খুঁজতে দাও।”

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩৭ঃ ওগো শুনছো

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩৮ঃ নিপীড়িত পুরুষের অশ্রুসজল কাহিনী

দুইজন মহিলার পেটানি খাওয়া একজন অত্যাচারিত, নিপীড়িত পুরুষের অশ্রুসজল কাহিনী :

এক মহিলা মারুতি গাড়ি চালিয়ে বাজারে যাচ্ছিলেন। রাস্তায় অন্যমনস্ক অবস্থায় ধাক্কা মেরে দিলেন এক বি এম ডব্লু গাড়িকে। বি এম ডব্লু থেকে বেরিয়ে এলেন আরেক মহিলা। চিৎকার… তুই অন্ধ নাকি শালী… দেখতে পারিস না বড় গাড়ি…. আমার গাড়ি ঠিক করিয়ে দে এইবার… না হলে পুলিশ কেস করব…

প্রথম মহিলাটিও সমান চিৎকার করতে থাকে– ঈশ, সুন্দরী গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছেন… চালাতে জানেননা… কোন ঠিকফিক করিয়ে দেবনা…

তিনি তার বরকে ফোন করেন। কিন্তু তিনি বলেন… আমি পারবনা.. খুব বিজি… তুমি যা পারবে করে নাও।

বি এম ডব্লুর মহিলাটিও তার বয়ফ্রেন্ডকে ফোন করে… এই শোনো.. তুমি আমাকে জন্মদিনে যে গাড়িটা গিফট করেছিলে না, সেইটায় একটা এক্সিডেন্ট হয়ে গেছে, একটু এসোনা গো প্লিইইজ।

বয়ফ্রেন্ড পাগলের মতো ছুটতে ছুটতে অকুস্থলে পৌঁছে দেখেন ওনার গার্লফ্রেন্ডের গাড়িকে ওনার স্ত্রীর মারুতি গাড়িই ধাক্কা মেরেছে।

ভদ্রলোক এখন হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি। ডাক্তার ছুটি দেবে বললেই আঁতকে উঠছেন। কিছুতেই হাসপাতাল ছাড়তে রাজী হচ্ছেন না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩৯ঃ উন্নত প্রজাতির কুকুর

এক ভদ্রলোক বিদেশ থেকে উন্নত প্রজাতির একটি কুকুর কিনে বাড়িতে আনলেন। কুকুরটির বৈশিষ্ট্য হল যে, সে শুধু তার প্রভু বা মালিকের গায়ের গন্ধ শুঁকেই তার পরিবার বা আত্মীয়স্বজনদের নির্ভুলভাবে চিনে নিতে পারে।
তো একদিন ভদ্রলোক কুকুরটিকে নিজের গায়ের গন্ধ শুঁকিয়ে বললেন, যা, স্কুল থেকে আমার ছেলে দুটোকে নিয়ে আয়।
কুকুর তো মালিকের গায়ের গন্ধ শুঁকে ছেলেদের আনতে গেল, কিন্তু ঘন্টাখানেক পরেও তার ফিরে আসার আর নাম নেই। ভদ্রলোক চিন্তায় পড়ে গেলেন। ওনার স্ত্রী তো কান্নাকাটি শুরু করে দিলেন। আরও বেশ কিছুক্ষণ কেটে যাওয়ার পরেও ওরা না ফিরতে, ভদ্রলোক তার স্ত্রী কে নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন।
রাস্তায় কিছুটা যাওয়ার পর ওরা দেখতে পেলেন, কুকুরটি ফিরছে। কিন্তু এ কী, কুকুরটার সঙ্গে পাঁচটি ছেলে ! দুজন ভদ্রলোকটির প্রতিবেশীর ছেলে, একজন বাড়ির পরিচারিকার ছেলে, একজন ওনার সম্পর্কে এক শালীর ছেলে এবং একজন ওনার অফিসের সেক্রেটারির ছেলে।
ভদ্রমহিলা তো এই দেখে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে বললেন, এই তবে তোমার কীর্তি ? এইসব গুলো তোমার পাপের প্রোডাক্ট ?
ভদ্রলোক ততোধিক ক্ষিপ্ত হয়ে বললেন, ওসব ছাড়। আমি যে দুটোকে নিজের ছেলে বলে জানি, সেদুটো গেল কোথায়?

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪০ঃ ও এখন বাসায়

স্বামী-স্ত্রী শুয়ে আছেন। ফোন বাজছে। বেজেই চলছে। স্ত্রী ফোন ধরতে গেলেন। স্বামী টের পেয়ে বললেন: আমাকে চাইলে বলবে আমি বাসায় নেই।

স্ত্রী ফোন ধরে বললেন : ও এখন বাসায়…

স্বামী ক্রুদ্ধ ভঙ্গিতে বিছানায় উঠে বসে : তোমাকে কি বলতে বললাম আর তুমি কি বললা!

স্ত্রী : ওটা আমার কল ছিল।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪১ঃ কেন হাসছে

নববিবাহিত দম্পতিকে হাসতে দেখলে সবাই জানে, কেন হাসছে। দশ বছরের দম্পতিকে হাসতে দেখলে সবাই আশ্চর্য হয়, কেন হাসছে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪২ঃ প্রতিটা কথা দুবার করে বলতে হয়

পত্রিকার পাতায় চোখ রেখে স্বামী স্ত্রীকে বললেন, কী লিখেছে দেখো, স্বামীরা যেখানে গড়ে প্রতিদিন পাঁচ হাজার শব্দ ব্যবহার করে, সেখানে স্ত্রীরা করে দশ হাজার শব্দ!
স্ত্রী: ঠিকই তো আছে! স্ত্রীদের যে প্রতিটা কথা দুবার করে বলতে হয়।
স্বামী: কী বললে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪৩ঃ একটা সুন্দর সকালে

ঘুম থেকে উঠে স্ত্রী বললেন, ‘আজকের সকালটা অনেক সুন্দর!’
পরদিনও একই কথা, ‘চমৎকার একটা সকাল আজ!’
এবং তার পরদিনও, ‘কী সুন্দর সকাল!’
বিরক্ত স্বামী জিজ্ঞেস করলেন, ‘প্রতিদিন তোতাপাখির মতো এই বুলি আওড়ানোর অর্থ কী?’
স্ত্রী বললেন, ‘কেন, মনে নেই সেদিন বলেছিলে, “একটা সুন্দর সকালে যেদিকে দুচোখ যায়,
চলে যাব”!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪৪ঃ বৌ দি বস

বউকে খুশি করার জন্য লিখেছিলাম, বৌ দি বস।
মাঝের স্পেসটা দেখতে না পেয়ে আমাকে তো একহাত দেখে নিলই, সেই সঙ্গে বৌদিকেও।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪৫ঃ বলতে ইচ্ছে করেনি

স্ত্রী: তোমাকে বিয়ে করার সময় আমি যে আস্ত বোকা ছিলাম, এটা জানো?
স্বামী: হ্যাঁ, জানি। কিন্তু তোমাকে এত বেশি ভালোবাসতাম যে তখন আর বলতে ইচ্ছে করেনি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪৬ঃ কথোপকথন – জ্বালানি তেল

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে:

স্ত্রী: শুনছ! ড্রাইভারকে বলো গাড়ি বের করতে। শপিং মল থেকে একটু ঘুরে আসি।
স্বামী: জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে, সে খবর কি রাখো? এত যখন শপিং করার শখ, তখন হেঁটে গিয়ে শপিং করলেই পারো।
স্ত্রী: কী!! তোমার এত বড় সাহস, আমাকে এই কথা বলো?
স্বামী: সাধে কি আর বলি? গত দুই দিন থেকে লোকাল বাসে চড়ে আমার শরীরের সব কলকবজা এখন আলগা হয়ে আছে।
স্ত্রী: তাহলে আমি যে সেই সকাল থেকে সাজগোজ করে রেডি হয়েছি, তার কী হবে?
স্বামী: আপাতত আমার মতো নাকে সরিষার তেল দিয়ে ঘুমাও। সরিষার তেলের দাম বাড়ল বলে! তখন এই সুযোগও আর পাবে না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪৭ঃ যদি টের পেয়ে যায়

স্বামী: মেহমানকে খাবার দিলে, কিন্তু চামচ দিলে না কেন?
স্ত্রী: ভয় লেগেছিল।
স্বামী: কিসের ভয়?
স্ত্রী: না মানে, চামচগুলো আমি ওদের বাসা থেকেই এনেছিলাম। দিলে যদি টের পেয়ে যায়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪৮ঃ প্রশ্ন এক উত্তর অনেক

একি, তোমার গালে লিপস্টিকের দাগ?
না মানে, আমদের কলিগ মাখন ভাইয়ের ছোট্ট মেয়েটাকে কোলে নিয়েছিলাম তো। কী যুগ এসেছে, দেড় বছরের মেয়েরাও আজকাল লিপস্টিক লাগায়।

একি, তোমার গালে লিপস্টিকের দাগ?
ও এই কথা, অফিসে আজ ড্রেস অ্যাজ ইউ লাইকে পার্টিসিপেট করেছিলাম। মুখে হালকা রংটং দিতে হলো। ভালো করে ধোয়া হয়নি মনে হয়।

এ কি, তোমার গালে লিপস্টিকের দাগ?
এফডিসিতে গিয়েছিলাম। নায়ক ছাকিফ খানের সঙ্গে দেখা হতেই কোলাকুলি করলাম। এরাও দেখি শুটিংয়ের সময় মেয়েদের মতো লিপস্টিক পরে। কী হাস্যকর বলো তো!

একি, তোমার গালে লিপস্টিকের দাগ?
আরে না, লিপস্টিক হবে কেন? রিটায়ার করার পর একটি বাড়ি করব বলে রঙের দোকানে একটু ঢুঁ মেরে এলাম। রিয়াটারমেন্টের তো আর মাত্র ১০ বছর বাকি। ওখান থেকেই হয়তো গালে রংটং লেগেছে।

একি, তোমার গালে লিপস্টিকের দাগ?
হাঃ হাঃ, কী যা-তা বলছ। একটা ব্রন হয়েছিল ওখানে, চিকিৎসকের পরামর্শে অয়েন্টমেন্ট লাগিয়েছি। অয়েন্টমেন্টের রংটা একটু লাল ছিল। হাই পাওয়ারের অয়েন্টমেন্ট তো!

একি, তোমার গালে লিপস্টিকের দাগ?
ও, এটা নিশ্চয়ই শফিকের কাজ। তোমার কাছে আমাকে ফাঁসানোর জন্যই আমার অজান্তে গালে এটা লাগিয়ে দিয়েছে। ওই যে মনে নেই? আগে একবার আমার শার্টে একটা লম্বা চুল দিয়ে তোমার কাছে ফাঁসিয়েছিল, তুমি তো বিশ্বাসই করতে চাও না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৪৯ঃ দুদিনেই নরক

স্বামী-স্ত্রীর আলাপচারিতা–
স্ত্রী: আচ্ছা স্বর্গে বিয়ে হয় না?
স্বামী: না
স্ত্রী: কেন?
স্বামী: স্বর্গে যদি বিয়ে হয়, তাহলে সেটা আর স্বর্গ থাকবে না, দুদিনেই নরক হয়ে যাবে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫০ঃ ইয়ার্কি একদম পছন্দ করি না

স্বামী-স্ত্রীর তুমুল ঝগড়া। ঝগড়ার একপর্যায়ে স্বামীর গালে কষে এক চড় মারল স্ত্রী।
চড় খেয়ে স্বামী বেচারা লজ্জিত। কিন্তু মুখে গম্ভীর ভাব এনে বলল, ‘তুমি আমাকে চড়টা সিরিয়াসলি মেরেছ, নাকি ইয়ার্কি করেছ।’
স্ত্রী চোখ গরম করে উত্তর দিল, ‘সিরিয়াসলি মেরেছি!’
স্বামী হুংকার দিয়ে বলল, ‘তাহলে আজ বেঁচে গেলে। তুমি তো জানো আমি ইয়ার্কি একদম পছন্দ করি না।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫১ঃ সুজানাটা কে

স্বামী: হ্যালো! ওগো শুনছ, আমি গাড়ি চালিয়ে সুজানার বাসায় যাচ্ছিলাম। হঠাৎ একটা ট্রাক টাল সামলাতে না পেরে আমার মুখোমুখি হয়ে গেল। আমি কোনোমতে ট্রাকটাকে পাশ কাটিয়ে গেলাম। কিন্তু একটা বিশাল গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে গাড়িটা থমকে গেল। আরেকটু হলেই ৫০ ফুট নিচের একটা খাদে পড়ে যেতাম। কোনোমতে উঠে এসেছি। পা আর হাতের হাড় ভেঙেছে। এখন আমি হাসপাতালে!
স্ত্রী: বলি সুজানাটা কে, হ্যাঁ?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫২ঃ কোনো এক সুন্দর সকালে

একদিন ঘুম থেকে উঠে রতন তাঁর স্ত্রীকে বললেন, ‘আজকের সকালটা সুন্দর।’
পরদিনও ঘুম থেকে উঠে রতন বললেন, ‘আজকের সকালটা সুন্দর।’
এর পরদিনও একই ঘটনা।
এভাবে এক সপ্তাহ পেরোনোর পর রতনের স্ত্রী বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘প্রতিদিন এই কথা বলার মানে কী?’
রতন: সেদিন ঝগড়ার সময় তুমি বলেছিলে, কোনো এক সুন্দর সকালে তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫৩ঃ ঠিক সেই সময়…

মনিকা আর চামেলীর মধ্যে কথা হচ্ছে।
মনিকা: গতকাল রাতটা কেমন কেটেছে বলো তো?
চামেলী: খুবই বাজে। আমার স্বামী অনেক রাতে অফিস থেকে ফিরেছে। রাতের খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে গেছে। আর তোমার?
মনিকা: দারুণ! স্বামী অফিস থেকে ফেরার পর আমরা বাইরে খেতে গেছি। রাস্তায় বেশ কিছুক্ষণ হেঁটেছি। এমনকি বাড়ি ফিরে ঘরে মোমবাতি জ্বালিয়ে দুজন মুখোমুখি বসে ছিলাম।

ঠিক সেই সময় কথা হচ্ছিল মনিকা আর চামেলীর স্বামীদের মধ্যে।
মনিকার স্বামী: গতকাল রাতটা কেমন কেটেছে বলো তো?
চামেলীর স্বামী: ভালো না। বাড়ি ফিরেছি আর ঘুমিয়েছি। তোমার?
মনিকার স্বামী: জঘন্য। বাড়ি ফিরে দেখি লোডশেডিং চলছে। বাধ্য হয়ে স্ত্রীকে নিয়ে বাইরে খেতে গেলাম। দেখি খাবারের এত দাম, খাওয়া হলো না। রাস্তায় বিশাল জ্যাম, তাই হেঁটেই বাড়ি ফিরতে হলো। তখনো লোডশেডিং চলছে। গরমে ঘুমও আসে না। বাধ্য হয়ে মোমবাতি জ্বালিয়ে দুজন বোকার মতো বসে ছিলাম।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫৪ঃ ওজন কমছে…বাড়ছে…

অনেক দিন পর হোস্টেল থেকে বাড়ি ফিরেছে মৌ। ফ্রিজ খুলে সে দেখে, ফ্রিজের ভেতর ভীষণ সুশ্রী একটি মেয়ের ছবি রাখা।
মৌ ছুটে গেল মায়ের কাছে, ‘মা, ফ্রিজের ভেতর একটা সুন্দরী মেয়ের ছবি রাখা দেখলাম।’
মা: হুম্। এটাকে বলে ‘পিকচার ডায়েট’। যখনই আমি কোনো খাবার নেওয়ার জন্য ফ্রিজ খুলি, মেয়েটাকে দেখলেই আমার মনে হয়, আমাকেও ওর মতো সুন্দরী হতে হবে। তখন আর খাওয়া হয় না।
মৌ: বাহ্! দারুণ। তা উপকার পাচ্ছ?
মা: পাচ্ছি আবার পাচ্ছি না।
মৌ: কেমন?
মৌ: আমার ওজন কমেছে আট কেজি। কিন্তু বারবার ফ্রিজ খোলার কারণে তোর বাবার ওজন ১০ কেজি বেড়েছে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫৫ঃ ওয়্যারড্রোব

ছুটিতে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে বিদেশ যাচ্ছিলেন ফজল সাহেব। বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, ‘আমি আমাদের ওয়্যারড্রোবটাকে খুব মিস করছি।’
স্ত্রী: কেন?
ফজল সাহেব: কারণ, বিমানের টিকিটটা ওয়্যারড্রোবের ভেতরে রেখে এসেছি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫৬ঃ সিদ্ধান্ত

রতনকে দেখা গেল মুখ গোমড়া করে বসে থাকতে।
বন্ধুরা জিজ্ঞেস করল, ‘কী হলো রতন? মন খারাপ কেন?’
রতন বলল, ‘আর বোলো না। আমি আর আমার স্ত্রী সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না, এবারের ছুটিটা আমরা দুজন কোথায় কাটাব। ছুটির দিনগুলো একটু আয়েশ করে কাটাতে চাই। আমি যেতে চাইছি থাইল্যান্ডে, আমার স্ত্রীও থাইল্যান্ডেই যেতে চায়!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫৭ঃ ফুটবল ভক্তের বেশি ভালোবাসা

স্ত্রী: আমার ধারণা, তুমি আমার চেয়ে ফুটবল খেলা বেশি ভালোবাসো।
স্বামী: দুঃখ কোরো না প্রিয়তমা। তোমাকে আমি ক্রিকেটের চেয়ে বেশি ভালোবাসি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫৮ঃ কিছুই বলার নেই

স্ত্রী: এত দিন বাপের বাড়িতে থেকে সাত দিন পর আমি বাড়ি ফিরলাম। তোমার কি আমাকে কিছুই বলার নেই? গত কদিনে আমাকে বলার মতো কোনো কথাই জমা নেই?
স্বামী: আছে—‘ধন্যবাদ’।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৫৯ঃ গোবরের মতো স্বাদ

নতুন বউয়ের রান্না করা খিচুড়ি মুখে দিয়েই মুখ কুঁচকালেন স্বামী। বললেন, ‘কী খিচুড়ি রেঁধেছ? একদম গোবরের মতো স্বাদ।’
বউ বললেন, ‘হায়! এই লোক না জানি আর কী কী খেয়ে দেখেছে!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬০ঃ প্রয়োজন

স্ত্রী: ওগো শুনছ, আমার কিছু জিনিস প্রয়োজন।
স্বামী: কী?
স্ত্রী: ছেলেমেয়ে আর আমার জন্য পাঁচ সেট জামা। বিছানার চাদর, কিছু নতুন চেয়ার, একটা ফ্রিজ, একটা এলসিডি টিভি, ছেলের জন্য একটা মোবাইল, মেয়ের জন্য গয়না…
স্বামী: সে ক্ষেত্রে আমারও কিছু জিনিস প্রয়োজন।
স্ত্রী: কী?
স্বামী: একটা বন্দুক, একটা মুখোশ আর শহরের একটা ব্যাংকের পুরো নকশা।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬১ঃ ছুটির দিনে একটু শান্তি

এক সকালে বলছেন জলিল সাহেব, ‘আজকে ছুটির দিন। সপ্তাহের এই দিনটা আমি একটু শান্তিতে কাটাতে চাই। তাই সিনেমা হলের তিনটা টিকিট কেটে আনলাম।’
খুশিতে গদগদ হয়ে বললেন জলিলের স্ত্রী, ‘সে তো ভালো কথা। কিন্তু টিকিট তিনটা কেন গো? তুমি-আমি আর কে যাবে?’
জলিল বললেন, ‘তুমি-আমি না। তুমি আর বাচ্চারা যাবে। আমি বাসায় থাকব।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬২ঃ বিবাহবার্ষিকী

স্ত্রী: ওগো, আজ আমাদের বিবাহবার্ষিকী। এই বিশেষ দিনে আমরা কী কী করব, বলো তো।
স্বামী: প্রথমে এসো, দুই মিনিট নীরবতা পালন করি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬২ঃ রিওয়াইন্ড মুড

সর্দারজি একদিন বলছেন তাঁর বন্ধুকে—জানিস, বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া হলে আমি কী করি?
বন্ধু: কী করিস?
সর্দারজি: আমাদের বিয়ের ভিডিও দেখি।
বন্ধু: কেন?
সর্দারজি: কারণ, আমি ভিডিওটা ‘রিওয়াইন্ড’ মুডে দেখি। সবকিছু উল্টো হতে থাকে। আমার স্ত্রী হাত থেকে আংটি খুলে ফেলে, আমাকে রেখে গাড়িতে উঠে চলে যায়। দেখতে বড় ভালো লাগে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬৩ঃ পুরুষ মাছি আর মেয়ে মাছি

স্ত্রী: কী করছ?
স্বামী: মাছি মারছি।
স্ত্রী: কটি মারলে?
স্বামী: পাঁচটি। তিনটি পুরুষ মাছি আর দুটি মেয়ে মাছি।
স্ত্রী: কী করে বুঝলে?
স্বামী: তিনটি মাছি বসে ছিল মদের বোতলের ওপর। আর দুটি টেলিফোনের ওপর!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬৪ঃ স্বামী ও গাধার মধ্যে পার্থক্য

স্ত্রী: বলো তো, স্বামী ও গাধার মধ্যে পার্থক্য কী?
স্বামী: স্বামী গাধা হতে পারে। কিন্তু গাধাও এত বড় গাধা নয় যে সে স্বামী হবে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬৫ঃ টাকা-পয়সা দাও, নয়তো জান

কিপটে স্বামীকে বলছে স্ত্রী, ‘ওগো শুনছ! সর্বনাশ হয়ে গেছে। আজ গলির মাথায় কয়েকটা ছোকরা গলায় পিস্তল ঠেকিয়ে বলল, “হয় টাকা-পয়সা দাও, নয়তো জান দাও”।’
স্বামী: আর তুমি টাকাগুলোই দিয়ে এলে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬৬ঃ ওজন মাপার যন্ত্র

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬৭ঃ স্বপ্ন

থানায় এসে বললেন এক ভদ্রলোক, আমার স্ত্রী হারিয়ে গেছেন।
ইন্সপেক্টর: কবে?
ভদ্রলোক: এক মাস আগে!
ইন্সপেক্টর: তাহলে এত দিন পর বলছেন কেন?
ভদ্রলোক: গতকাল পর্যন্ত মনে হচ্ছিল, আমি স্বপ্ন দেখছি!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬৮ঃ ৩ নম্বর ভোট

হাশেম আলীর শখ হয়েছে নির্বাচনে দাঁড়াবেন। যথারীতি দাঁড়িয়েও গেলেন। ভোট গণনা শেষে দেখা গেল, হাশেম আলী ভোট পেয়েছেন মোটে তিনটি। ঝাঁটা হাতে ছুটে এলেন তাঁর স্ত্রী। রাগে গজগজ করতে করতে বললেন, ‘মিনসের ঘরে মিনসে, তোমার নিশ্চয় অন্য কোনো মেয়ের সঙ্গে লটরপটর আছে! নইলে ৩ নম্বর ভোটটা দিল কে?!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৬৯ঃ করতে চাও, করো

এক লোকের খান্ডালী বউ। লোকটিও বউটিকে অনেক ভয় পায়। একদিন সন্ধ্যায় লোকটি বিছানার উপর বসে হাতে একটা খালি বোতল নিয়ে সেটাকে একটা কাঠি দিয়ে মেরে মেরে টিং টিং শব্দ করে বাজাচ্ছিল। বউ থমক দিল, এই কী করছো, থামো!
লোকটি ভয় পেয়ে বোতলটি পকেটে রেখে দিল।
রাতের বেলা ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে দিয়ে, সব আলো নিভিয়ে দিয়ে বউ কাছে এসে মুখের কাছে মুখ এনে খুব আদুরে গলায় বলল, করতে চাও?
লোকটি মাথা নেড়ে বলল, হ্যাঁ।
বউ বলল, ঠিক আছে করো।
লোকটি পকেট থেকে বোতল বের করে জোরে জোরে বাজাতে শুরু করল, টিং টিং টিং টিং…

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭০ঃ বউগুলা সব কেমন হয়

এক বন্ধু আরেক বন্ধুর কাছে গল্প করছে-
একটা লম্বা গাছ ভালোবেসে তার ছায়াকে বিয়ে করেছে। কিন্তু সমস্যা হলো, গাছটা সারারাত অপেক্ষা করে, আর ছায়াও রোদ না উঠলে আসে না।
কিছুদিন পর গাছের পাশে একটা ল্যাম্পপোস্ট পোতা হলো। গাছের সাথে ল্যাম্পপোস্টের গভীর প্রেম হয়ে গেলো। অদ্ভুত ভাবে সেই রাত থেকে ছায়াও আসা শুরু করল।
এইটা শুনো মন খারাপ করে ২য় বন্ধু বললো- বউগুলা সব এমনই হয়!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭১ঃ সাবধান করে দিচ্ছি

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়া চলছে। এমনকি ঝগড়া গড়িয়েছে হাতাহাতি পর্যন্তও!
এক পর্যায়ে খাটের নিচে আশ্রয় নিল স্বামী বেচারা। স্ত্রী খাটের নিচে উঁকি দিয়ে বলল, ‘বেরিয়ে এসো। বেরিয়ে এসো বলছি!’
উত্তরে মিনমিন করে বলল স্বামী, ‘আমি কি তোমাকে ভয় পাই ভেবেছ? তোমাকে সাবধান করে দিচ্ছি, আমি কিন্তু যা বলি তাই করি।’
স্ত্রী: কী বলতে চাও তুমি? কী করবে শুনি?
স্বামী: খাটের নিচ থেকে বের হব না বলেছি। কিছুতেই বের হব না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭২ঃ খুব চেনা চেনা ঠেকছে

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭৩ঃ কাজগুলো আগেই সেরে ফেলেছিলাম

হাবলু অফিস থেকে বাসায় ফিরেই টেলিভিশনটা ছেড়ে দিয়ে স্ত্রীকে বলল, ‘কিছু শুরু হওয়ার আগে আমাকে এক গ্লাস পানি দাও তো?’
হাবলুর স্ত্রী পানি এনে দিল। ঠিক পনের মিনিট পর হাবলু আবারো তার স্ত্রীকে বলল, ‘কিছু শুরু হওয়ার আগে আমাকে গরম গরম এক কাপ চা দাও তো?’
হাবলুর স্ত্রী একটু রেগে গিয়ে রান্নাঘর থেকে এক কাপ চা এনে দিল। চা শেষ করার কিছুক্ষণ পরেই হাবলু আবার তার স্ত্রীকে বলল, ‘শুরু হওয়ার আগে তুমি তাড়াতাড়ি আমার জন্য এক বালতি গরম পানি এনে দাও তো। কারণ, যে কোনো মুহুর্তে সেটা শুরু হয়ে যেতে পারে।’
এবারে হাবলুর স্ত্রী রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে চিৎকার করে বলল, ‘হচ্ছেটা কী শুনি? তুমি এমন করছো কেন আমার সঙ্গে? আজই আমি বাবার বাড়ি চলে যাবো। থাকো তুমি একা।’
‘বলছিলাম না যে কোনো মুহুর্তে শুরু হয়ে যাবে। এই বার সেটা শুরু হয়ে গেল। যাক বাবা, কাজগুলো আগেই সেরে ফেলেছিলাম।’—হাবলুর জবাব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭৪ঃ খুশিতে…

বাবলুর বউ কাউকে কিছু না বলে দুই দিন আগে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছে। দুই দিন পর বাবলুর বউ ফিরে না আসায় বাবলু এক দৌড়ে পোস্টঅফিসে গিয়ে পোস্টমাস্টারকে বলল, ‘ভাই, আমার স্ত্রী দুই দিন আগে বাড়ি থেকে চলে গেছে।’
পোস্টমাস্টার বললেন, ‘আরে ভাই এটাতো পোস্টঅফিস। আপনি থানায় গিয়ে অভিযোগ না করে এখানে এসেছেন কেন?’
‘কী করবো স্যার, খুশিতে আজকে কোনো কিছুই মাথায় আসছে না যে!’—বাবলুর জবাব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭৫ঃ স্ত্রী নিখোঁজ

মোতালেব পুলিশের সঙ্গে ফোনে কথা বলছে—
মোতালেব: স্যার, আমার স্ত্রী নিখোঁজ হয়ে গেছে। দয়া করে তাকে একটু খুঁজে দিন না।
পুলিশ: কবে থেকে নিখোঁজ হয়েছেন তিনি?
মোতালেব: মাসখানেক তো হবেই।
পুলিশ: বলেন কী! তা এতোদিন আমাদের জানান নি কেন?
মোতালেব: আমার যে স্ত্রী নিখোঁজ হয়েছে এই বিষয়টিই মনে ছিল না, স্যার।
পুলিশ: আজ কী করে মনে হল?
মোতালেব: স্যার, সকালে ঘুম থেকে উঠে আমার পড়ার মতো পরিস্কার কোনো কাপড়-চোপড় না দেখেই মনে হল, আসলেই আমার স্ত্রী নিখোঁজ!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭৬ঃ সাধু হতে যাচ্ছি

ঘরের ভেতর হাবলু ও তার স্ত্রী কথা বলছে। স্ত্রী ধীরে ধীরে বলল, ‘অ্যাই শোনো, আমাদের তো কোনো ছেলেপুলে নেই। তাই ভাবছি আমার নামে যত সম্পত্তি আছে সবগুলো কোনো সাধু বাবাকে দান করে দেব।’
কথাটা শুনেই হাবলু ঘর থেকে বের হয়ে এক ছুট। স্ত্রী খপ করে হাবলুর হাত ধরে বলল, ‘তুমি যাচ্ছ কোথায়? আমার চিন্তাটা সম্পর্কে কিছু একটা বলে যাও।’
‘ভাবছি ঘরের সম্পত্তি ঘরেই রাখবো। তাই সাধু হতে যাচ্ছি।’—হাবলুর জবাব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭৭ঃ নিষেধ করছো না কেন

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে—
স্ত্রী: শোনো, তোমার বন্ধু যে মেয়েটিকে বিয়ে করতে যাচ্ছে ওই মেয়ে কিন্তু অতোটা ভালো নয়।
স্বামী: এতে আমার সমস্যাটা কী?
স্ত্রী: আরে, জেনেশুনে তোমার বন্ধু খারাপ মেয়েকে বিয়ে করবে! তুমি তাকে নিষেধ করছো না কেন?
স্বামী: আমি কেন তাকে নিষেধ করবো! আমি যখন বিয়ে করি তখন তো সে আমাকে নিষেধ করে নি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭৮ঃ উঁচুগলায় কথা

স্ত্রী বলছে স্বামীকে, ‘কাল মা আসবে বেড়াতে।’
নীরবতা।
—মাত্র দুই সপ্তার জন্য।
নীরবতা।
—তুমি শুনছ, কী বললাম?
নীরবতা।
—আমি ঠিকই জানতাম, তুমি রেগে যাবে।
দীর্ঘশ্বাস!
—খবরদার, উঁচুগলায় কথা বলবে না আমার সঙ্গে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৭৯ঃ বিবাহবার্ষিকী ভুলে গেলে

স্ত্রী বলছে স্বামীকে, বেসিক ইনস্টিংকট ছবিতে শ্যারন স্টোনের ওই বিশেষ দৃশ্যটির কথা তোমার মনে আছে?
—ওই দৃশ্য কখনো ভোলা যায়!
—ওই দৃশ্যের কথা মনে রেখেছ অথচ আজ আমাদের বিবাহবার্ষিকী, সেটা ভুলে গেলে কীভাবে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮০ঃ চাঁদটা কী সুন্দর

রাতের বেলা কেনাকাটা সেরে রিকশায় বাড়ি ফিরছে নতুন দম্পতি। হঠাৎ স্ত্রী বলল, দেখো দেখো, চাঁদটা কী সুন্দর!
স্বামী গোমড়া মুখে বলল, রিকশা ভাড়া বাদে আমার কাছে আর একটা টাকাও নেই।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮১ঃ জানালাটা খুলে দিয়ে যান

মকবুল হোটেল ম্যানেজারের সঙ্গে ফোনে কথা বলছে—
মকবুল: দয়া করে তাড়াতাড়ি ৫০৬ নম্বর কক্ষে চলে আসুন।
হোটেল ম্যানেজার: কেন, সমস্যা কী?
মকবুল: আমার স্ত্রী জানালা দিয়ে লাফ মেরে আত্মহত্যা করতে চাচ্ছে।
হোটেল ম্যানেজার: আপনি স্বামী হয়ে কিছু করছেন না। আর আমি হোটেল ম্যানেজার হয়ে কী করতে পারি, বলুন?
মকবুল: আরে ভাই, এখন কথা বলার সময় নয়। তাড়াতাড়ি চলে আসুন। কারণ, আমার স্ত্রী কিছুতেই জানালা খুলতে পারছে না। জানালাটা খুলে দিয়ে যান।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮২ঃ আমি কি কখনো হাঁড়ি চাই

প্রোগ্রামার স্বামী ল্যাপটপ নিয়ে কাজে মগ্ন। স্ত্রী এসে বলল, দাও না গো, একটু খেলি?
মনিটর থেকে চোখ না সরিয়ে উত্তর দিল প্রোগ্রামার, তুমি যখন রান্না করো, আমি কখনো হাঁড়ি চাই তোমার কাছে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৩ঃ ধোঁকা

বড় কর্তার সেক্রেটারির সঙ্গে বড় কর্তার স্ত্রীর কথা হচ্ছে—
সেক্রেটারি: ম্যাডাম, কয়েক দিন ধরে আপনাকে বেশ উদাস দেখা যাচ্ছে। কোনো সমস্যা হয়েছে নাকি!
বড় কর্তার স্ত্রী: আর বোলো না। শুনেছি তোমার বস অফিসের এক নতুন কর্মচারীর প্রেমে পড়েছে।
সেক্রেটারি: বলেন কী! এটা কিছুতেই হতে পারে না। স্যার কিছুতেই আমাকে ধোঁকা দিতে পারেন না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৪ঃ স্ত্রীর স্মৃতিশক্তি

: আমার স্ত্রীর স্মৃতিশক্তি সবচেয়ে জঘন্য।
: সব ভুলে যায়?
: সব মনে রাখে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৫ঃ সুখী দাম্পত্যের জন্য পুরুষের করণীয়

সুখী দাম্পত্যের জন্য পুরুষের করণীয় দুটো:
১. যখনই কোনো ভুল করবেন, সঙ্গে সঙ্গে স্বীকার করতে ভুলবেন না।
২. যদি আপনার কথাই ঠিক হয়, তাহলে মনের ভুলেও সেটা বলতে যাবেন না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৬ঃ ঘুষ দেওয়ার লোভ

ক্রিকেটপাগল স্বামী প্রতি ছুটির দিনেই ক্রিকেট খেলতে মাঠে ছোটেন।
স্ত্রী: আমার মনে হয়, যে ছুটির দিনে তুমি বাসায় থাকবে, সেদিন আমি খুশিতে মারাই যাব।
স্বামী: আমাকে ঘুষ দেওয়ার লোভ দেখিয়ে লাভ হবে না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৭ঃ বিয়ে করার কথা

স্বামী: ও গো শুনছ, একটু পর আমার একজন বন্ধু আসবে।
স্ত্রী: গাধা, বোকার হদ্দ কোথাকার, করেছ কী? দেখো না ঘরের কী অবস্থা? ভাঙা ফুলদানি, কাচের প্লেট, ঝাড়ু ঘরজুড়ে সব ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে।
স্বামী: এই জন্যই তো ওকে আসতে বলেছি। গর্দভটা বিয়ে করার কথা ভাবছে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৮ঃ সুখী জীবনযাপন

দুই বন্ধুতে কথা হচ্ছে—
প্রথম বন্ধু: আমি আর আমার স্ত্রী জীবনের ২০টি বছর সুখী জীবনযাপন করেছি।
দ্বিতীয় বন্ধু: তারপর?
প্রথম বন্ধু: তারপর একদিন….আমাদের দুজনের দেখা হলো!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৮৯ঃ মোটামুটি কম খারাপ

ভীষণ সেজেগুজে স্বামীর সামনে গিয়ে দাঁড়াল স্ত্রী।
স্ত্রী: দেখো তো, আমাকে কেমন দেখাচ্ছে?
স্বামী: মোটামুটি কম খারাপ না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯০ঃ কিসের গন্ধ থাকবে

স্বামী দেরি করে বাসায় ফিরলে জেরা শুরু করল স্ত্রী:
—কোথায় ছিলে এতক্ষণ?
—বন্ধুর বাসায়।
—কী করছিলে?
—দাবা খেলছিলাম।
—তাহলে তোমার শরীরে ভোদকার গন্ধ কেন?
—তবে কিসের গন্ধ থাকবে, দাবার?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯১ঃ অশ্লীল গান

দুই বান্ধবীর কথোপকথন।
—স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করেছ কেন?
—ও একগাদা অশ্লীল গান জানে!
—তোমাকে গেয়ে শুনিয়েছে?
—না, শিস বাজায় সারাক্ষণ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯২ঃ মূল্য

পৃথিবীতে সবকিছুই আপেক্ষিক। যে ৫০০ রুবলের কথা আমার স্ত্রী জানে না, সেটার মূল্য আমার কাছে সেই দুই হাজার রুবলের চেয়ে বেশি, যার কথা আমার স্ত্রী জানে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯৩ঃ স্বপ্নের গাড়ি

স্বামী-স্ত্রীতে কথা হচ্ছে—
স্বামী: ওগো শুনছো, সেই ১৯৭৯ সাল থেকে টাকা জমানো শুরু করার পর অবশেষে আজ স্বপ্নের গাড়িটা কেনার মতো টাকা আমার হয়েছে।
স্ত্রী: সত্যি?! কী গাড়ি? ২০১০ মডেলের টয়োটা?
স্বামী: না! একটা ১৯৭৯ মডেলের মিতসুবিশি!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯৪ঃ যদি টাকা-পয়সা না থাকত

থাইল্যান্ডে হানিমুনে গেছে এক দম্পতি—
স্বামী: আজ যদি আমার এত টাকা-পয়সা না থাকত, হয়তো আমরা এই বিলাসবহুল হোটেলে থাকতে পারতাম না।
স্ত্রী: হ্যাঁ। হয়তো আমাদের থাইল্যান্ডেও আসা হতো না। তার চেয়ে বড় কথা, এসব কথা বলার জন্য আমাকেও পাশে পেতে না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯৫ঃ রিমোট কন্ট্রোল

এক ভদ্রমহিলা কেনাকাটা শেষে টাকা দেওয়ার সময় বিক্রেতা লক্ষ করলেন, ভদ্রমহিলার ব্যাগের ভেতরে একটা টিভি রিমোট কন্ট্রোল।
বিক্রেতা: কিছু মনে করবেন না, ম্যাডাম, আপনি কি সব সময় ব্যাগে রিমোট কন্ট্রোল রাখেন?
ভদ্রমহিলা: না। শুধু যেদিন আমার স্বামী আমার সঙ্গে মার্কেটে আসতে রাজি হয় না, সেদিন!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯৬ঃ অপরিচিত নারী

মার্কেটে কেনাকাটার সময় এক ভদ্রমহিলাকে বলছেন এক লোক, ‘এই যে শুনুন।’
ভদ্রমহিলা: বলুন
লোক: এখানে এসে আমি আমার স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছি। আমি কি আপনার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলতে পারি?
ভদ্রমহিলা: স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছেন তো আমার সঙ্গে কথা বলতে চাইছেন কেন?
লোক: না মানে…আমি লক্ষ করেছি, যখনই আমি কোনো অপরিচিত নারীর সঙ্গে কথা বলতে নিই, তখনই কোথা থেকে যেন আমার স্ত্রী এসে হাজির হয়!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯৭ঃ স্ত্রী কিছুতেই মাশরুমটা খেতে চাচ্ছিল না

শফিক: হ্যালো, হ্যালো! হাসপাতাল? এক্ষুনি আমার একটা অ্যাম্বুলেন্স দরকার। আমার স্ত্রী একটা বিষাক্ত মাশরুম খেয়ে ফেলেছে।
হাসপাতাল থেকে লোকজন ছুটে গেল শফিকের বাসায়।
হাসপাতালের কর্মী: একি! আপনার কপাল অমন ফোলা কেন? ঠোঁটও দেখছি কেটে গেছে। ঘরটাই বা এমন লন্ডভন্ড কেন?
শফিক: কারণ, আমার স্ত্রী কিছুতেই মাশরুমটা খেতে চাচ্ছিল না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯৮ঃ এত আনন্দ

স্ত্রী: কখনো ভেবে দেখেছ, আমি একদিন মরে যাব।
স্বামী: না না! তুমি মরে গেলে আমিও যে মারা যাব!
স্ত্রী: কিন্তু কেন?
স্বামী: কারণ এত আনন্দ আমি সহ্য করতে পারব না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৯৯ঃ অজুহাত

বাজার করতে গিয়ে এক লোক বন্ধুদের খপ্পরে পড়ে গেল। পাঁচ-ছয় ঘণ্টা আড্ডা দেওয়ার পর বাজার করে নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা হলো। হাঁটতে হাঁটতে বউয়ের কথা মনে পড়তেই তার শরীর কাঁপতে লাগল। কারণ, সে যে পরিমাণ দেরি করেছে, তাতে বউ তাকে আস্ত রাখবে না। কিন্তু বউয়ের হাতে মার খেলে যেহেতু মানসম্মান থাকবে না, তাই সে বাঁচার জন্য একটা পথ খুঁজতে লাগল। খুঁজে খুঁজে পেয়েও গেল। তার ব্যাগে ছিল চিংড়ি মাছ। চিংড়িগুলো তখনো জীবিত ছিল। সে সিদ্ধান্ত নিল, চিংড়িগুলোকেই হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবে। করলও তা-ই। বাড়িতে পৌঁছেই সে উঠানে ছেড়ে দিল চিংড়িগুলো। বউ তার সামনে এসে দাঁড়াতেই সে চিংড়িগুলোর দিকে তাকিয়ে বলল, এই হাঁট হাঁট। জোরে হাঁট। এত আস্তে আস্তে হাঁটছিস বলেই তো তোদের নিয়ে বাড়ি ফিরতে এত দেরি হয়ে গেল।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০০ঃ বিপরীতে হিত

সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে জ্যাক দেখল, বিছানার সাইড টেবিলে একটা চিরকুট। তার বউ রেখে গেছে। সেখানে লেখা—প্রিয়তম, রান্নাঘরে তোমার জন্য নাশতা তৈরি আছে। তুমি উঠে নাশতা সেরে নিয়ো। আমি বাজার থেকে ফিরে দুপুরের জন্য রান্না করব। দুপুরে আমরা আজ একটু ভালো-মন্দ খাব।
জ্যাক ভালো করে চোখ কচলে গতকাল থেকে কী কী ঘটেছে তা মনে করার চেষ্টা করল। কিন্তু কিছুতেই তার কিছু মনে পড়ল না। শুধু এইটুকু মনে আছে, গতকাল একটা ক্লাবে পার্টি ছিল। সে তার বন্ধুদের সঙ্গে পার্টিতে প্রচুর আনন্দ করেছে। ড্রিংক করেছে। এরপর আর কিছুই মনে নেই তার। হ্যাংওভার হয়েছিল!
তখন সে বাসার কাজের ছেলেটাকে ডাকল। ‘এই বল তো, গতকাল রাতে কী হয়েছিল?’
‘আপনি তো পার্টি থেকে মদ খেয়ে মাতাল হয়ে বাসায় ফেরেন। আপনার তখন কোনো হুঁশ-জ্ঞান ছিল না। ভাবি আপনাকে টেনে গোসল করানোর জন্য বাথরুমে নিয়ে যান। ভাবি যখন আপনার শার্টের বোতাম খুলছিলেন তখন আপনি ধমকের সুরে বলছিলেন, এই দেখো ভালো হবে না কিন্তু। আমি বিবাহিত। বাসায় আমার বিবাহিত স্ত্রী আছে। এরপর আমার গায়ে কেউ হাত দিলে ওই হাত আমি কেটে ফেলব।’
তারপর?
তারপর আর কী! এরপর থেকে দেখি ভাবি মহাখুশি!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০১ঃ কবুল বলিস না

স্বামী টিভি দেখছিল।
হঠাত চিৎকার করে উঠল: কবুল বলিস না! কবুল বলিস না!! কবুল বলিস না!!!
রান্নাঘর থেকে স্ত্রী জিজ্ঞেস করলো: টিভিতে কি দেখছ?
স্বামী: আমাদের বিয়ের ভিডিও।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০২ঃ আই অ্যাম ডায়িং

এক লোক এসএমএস করেছে তার বউকে, ‘কী করছ সোনা?’
‘আই অ্যাম ডায়িং।’
লোকটি আনন্দে নেচে উঠে আবার লিখল, ‘সুইট হার্ট, আমি কী করে বাঁচব তোমাকে ছাড়া?’
‘দূর বোকা, আমি আমার চুল ডাই করছিলাম!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০৩ঃ পুরুষের পিছনে নারীর হাত

গদা: এই যে আজ আমার এত টাকা-পয়সা, বলতো আমার পিছনে কার হাত সবচেয়ে বেশি?
পদা: কার?
গদা: তোর ভাবীর।
পদা: কিভাবে?
গদা: মানিব্যাগটা তো পিছনের পকেটেই থাকে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০৪ঃ উপহার : খোয়াবনামা

নতুন বছরের প্রথম দিনে ঘুম ভাঙতেই মিসেস মৌলী ছুটে গেলেন তাঁর স্বামী শরিফের কাছে। গদগদ স্বরে বললেন, ‘ও গো, শুনছ, কাল রাতে আমি দারুণ একটা স্বপ্ন দেখেছি!’
শরিফ: ‘কী স্বপ্ন দেখেছ?’
মৌলী: ‘দেখলাম, নতুন বছরের প্রথম দিন উপলক্ষে তুমি আমাকে সুন্দর একটা হীরার আংটি উপহার দিয়েছ! এই স্বপ্নের অর্থ কী, বলো তো?’
রহস্যময় হাসি হেসে বললেন শরিফ, ‘তুমি কোনো চিন্তা কোরো না, প্রিয়তমা। আজ রাতেই এর অর্থ জানতে পারবে!’
রাতে শরিফ ঘরে ফিরলেন সুন্দর একটা উপহারের প্যাকেট নিয়ে। চটজলদি প্যাকেট খুললেন মৌলী। প্যাকেটের ভেতর থেকে বের হলো একটি বই, নাম ‘খোয়াবনামা’!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০৫ঃ স্ত্রী কাঁদছে, কাঁদুক

বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে গেছেন শাকিল। গিয়ে দেখেন বন্ধুর স্ত্রী কাঁদছেন।
শাকিল: কিরে, তোর বউ কাঁদছে কেন?
বন্ধু: জানি না। জিজ্ঞেস করিনি।
শাকিল: ওমা! জিজ্ঞেস করিসনি কেন?
বন্ধু: আগে যতবার জিজ্ঞেস করিছি, প্রতিবারই আমাকে ফতুর হতে হয়েছে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০৬ঃ কার্বুরেটরেই পানি ঢুকেছে

মতিন সাহেব সকালে বসে পত্রিকা পড়ছিলেন। এমন সময় তাঁর স্ত্রী ছুটে এলেন। বললেন, ‘ওগো, শুনছ, তোমার গাড়ির কার্বুরেটরে পানি ঢুকে গেছে।’
মতিন সাহেব: অসম্ভব! তুমি তো কার্বুরেটর চেনোই না। বুঝলে কী করে, কার্বুরেটরেই পানি ঢুকেছে?
স্ত্রী: না! সত্যি বলছি। আমি নিশ্চিত।
মতিন সাহেব: কই, চল তো দেখি। কোথায় গাড়ি?
স্ত্রী: সুইমিংপুলে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) - ১০৭ঃ খুশি

হন্তদন্ত হয়ে পোস্ট অফিসে ঢুকলেন এক ভদ্রলোক। পোস্টমাস্টারের কাছে গিয়ে বললেন, এই যে ভাই শুনছেন, আমার স্ত্রী হারিয়ে গেছে।
পোস্টমাস্টার: তো পোস্ট অফিসে এসেছেন কেন? থানায় যান।
লোক: ওহ্! তাই তো! দুঃখিত ভাই। আসলে খুশিতে কী যে করব, বুঝে উঠতে পারছি না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০৮ঃ শুরু হয়ে গেল

বাড়ি ফিরেই স্বামী বললেন, ‘কইগো, শুরু হওয়ার আগে আমাকে এক গ্লাস ঠান্ডা পানি খাওয়াও’।
স্ত্রী পানি দিলেন।
খানিক বাদে স্বামী বললেন, ‘কইগো, শুরু হওয়ার আগে ভাতটাও দিয়ে দাও।’ স্ত্রী ভাতও দিলেন।
ভাত খেয়ে নিয়ে স্বামী বললেন, ‘শুরু হওয়ার আগে এক কাপ চা খাওয়াও তো…’
এবার চেঁচিয়ে উঠলেন স্ত্রী, ‘বলি কী শুরু হওয়ার আগে, হ্যাঁ? শুধু আবোলতাবোল কথা। একটার পর একটা ফরমায়েশ… আমি কি তোমার চাকর?…’
স্বামী বিড়বিড় করে বললেন, ‘শুরু হয়ে গেল!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১০৯ঃ ইঁদুর ভয় পাই না

স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার একপর্যায়ে বললেন স্বামী, ‘দেখো, আমাকে রাগিয়ে দিয়ো না। রেগে গেলে কিন্তু আমার ভেতরের পশুটা বেরিয়ে আসবে।’
উত্তরে বললেন স্ত্রী, ‘আসুক বেরিয়ে! আমি ইঁদুর ভয় পাই না!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১০ঃ ফেরার ভাড়া

স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার একপর্যায়ে ব্যাগ গোছাতে শুরু করলেন স্ত্রী। রাগে গজগজ করতে করতে বললেন, ‘আর জীবনে কোনো দিন আমি এমুখো হব না। থাকো তুমি একলা। আমি চললাম বাবার বাড়ি।’
স্বামী কটা টাকা এগিয়ে দিয়ে বললেন, ‘যাও যাও। আর এই নাও, যাওয়ার ভাড়াটা নিয়ে যাও।’
স্ত্রী মুখে ঝামটা মেরে বললেন, ‘আর ফেরার ভাড়াটা কে দেবে শুনি?’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১১ঃ যদি বলি…

নববিবাহিতা দম্পতির মাঝে কথা হচ্ছে।
স্ত্রী : যদি বলি আমার উপরের পাটির দাঁতগুলো বাঁধানো, তবে কি তুমি রাগ করবে?
স্বামী : মোটেই না, আমি তবে নিশ্চিন্তে আমার পরচুলা আর কাঠের পা-টা খুলে রাখতে পারব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১২ঃ বউয়ের চোখে শাড়ি

: কাল আমার ছেলেটার চোখে একটা বালি পড়ল। ডাক্তার দিয়ে বের করাতে গিয়ে এক শ’টাকা বেরিয়ে গেল।
: আরে ভাই, আমার তুলনায় ও তো কিসসু না। বেড়াতে বেরিয়ে বউয়ের চোখে একটা শাড়ি পড়েছিল : এক হাজার টাকা বেরিয়ে গেছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১৩ঃ বিনিময়ে

স্বামীকে খাইয়ে নববধু সলজ্জ কন্ঠে জানতে চাইল, এভাবে পুরোটা বছর যদি রোজ রোজ তোমাকে নিজ হাতে রান্না করে খাওয়াই তা হলে বিনিময়ে আমি কী পাওয়ার আশা করতে পারি?
গম্ভীর মুখে স্বামী বলল, আমার জীবন বীমার সব টাকা।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১৪ঃ ছবিটা কার

স্বামীর মৃত্যুর কয়দিন পরেই এক মহিলা তার দেবরকে বিয়ে করে ফেললেন। তার বান্ধবীদের অনেকেই ব্যাপারটা মনঃক্ষুন্ন হল। একদিন মহিলার বাড়িতে বাড়িতে এসে তার বান্ধবীরা লক্ষ করল, শোবার ঘরের দেওয়ালে তার মৃত স্বামীর বিশাল একটা ছবি টানানো। সবাই খুব খুশি হল ছবি দেখে। এদের মধ্যে একজন ছিল নতুন। সে মহিলার স্বামীকে চিনত না। ছবি দেখে তাই জানতে চাইল, ছবিটা কার?
মহিলা বললেন, আমার ভাশুরের। কয়েকদিন আগে মারা গেছেন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১৫ঃ ট্রেন ফেল

ট্রেন ফেল করে স্টেশনে বসে আছে স্বামী-স্ত্রী।
স্বামী : আসার সময় তুমি যদি সাজগোজে এত দেরি না করতে, তা হলে এ ট্রেনটা মিস করতে হত না।
স্ত্রী : তুমিও যদি এ ট্রেনটা ধরবার জন্য এত তাড়াহুড়া না করে আসতে, তা হলে পরের ট্রেনের জন্য এতক্ষণ বসে থাকতে হত না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১৬ঃ মতের মিল

: আচ্ছা, তোমাদের স্বামী-স্ত্রীর কি জীবনে কোনোদিন মতের মিল হবে না?
: একবার হয়েছিল। যে-বার আমাদের বাড়িতে আগুন লাগে, সে বারে দু-জনেই ভেবে দেখলাম, রান্নাঘরের দরজা দিয়ে বেরুনোই নিরাপদ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১৭ঃ যতবার জানতে চেয়েছি

ড্রইংরুমে বসে আছে দুই বন্ধু। ভেতর থেকে কান্নার শব্দ আসছে।
: তোমার স্ত্রী কাঁদছে মনে হচ্ছে।
: হ্যাঁ।
: কী হয়েছে?
: জানতে চাই নি।
: সেকি। কেন?
: যতবার জানতে চেয়েছি ততবারই আমাকে দেনায় ডুবতে হয়েছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১৮ঃ মনে পড়বে না

স্ত্রী : ট্রেন তো রাত দশটায়। বিকেল পাঁচটায় আমাদের সবাইকে ষ্টেশনে আনার মানে কী?
স্বামী : ষ্টেশনে আগে না এলে কী কী জিনিস বাড়িতে ফেলে এসেছি, তা তো মনে পড়বে না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১১৯ঃ তালি মেরে দিয়েছি

স্বামী অফিসে যাওয়ার সময় স্ত্রী বলল, একটা অন্যায় করে ফেলেছি। রাগ করবে না বল?
: তোমার ওপর কি রাগ করতে পারি? কী হয়েছে?
: ইস্ত্রি করার সময় তোমার প্যান্টের পিছনটা পুড়ে ফেলেছি।
: তাতে কী হয়েছে? আমার তো ঠিক ওই রকম আরো একটা প্যান্ট আছে।
: জানি, সেই প্যান্টটা কেটেই তো পোড়া প্যান্টটা তালি মেরে দিয়েছি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২০ঃ কিছুই টের পাই নি

সকালে চায়ের টেবিলে একখানা ডিটেকটিভ বই ফেলে দিয়ে স্বামী স্ত্রীকে বলল, দারুণ বই, আমি কাল রাত দুটো পর্যন্ত এক নিশ্বাসে পড়ে শেষ করেছি।
: কিন্তু কাল বারটার পরই লোডশেডিং হয়ে গেল যে। পড়লে কী করে?
: পড়তে পড়তে এতই মগ্ন ছিলাম যে কিছুই টের পাই নি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২১ঃ স্লিপ চালাচালি

স্বামী-স্ত্রীতে কথা বন্ধ। দু’পক্ষের মধ্যে স্লিপ চালাচালি চলছে ছোট ছেলের মাধ্যমে। ভোরে ট্রেন ধরতে হবে, তাই স্বামী লিখলেন- ‘ভোর সাড়ে তিনটায় জাগিয়ে দিও।’
যথারীতি ছোট ছেলের মাধ্যমে স্লিপ পৌছাল স্ত্রীর হাতে।
পরদিন ঘুম যখন ভাঙল, তখন সাতটা। স্বামী ধড়মড় করে উঠে দেখেন মাথার কাছে স্ত্রীর স্লিপ পড়ে রয়েছে। তাতে লেখা- এখন সাড়ে তিনটা বাজে। উঠে ট্রেন ধরতে যাও।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২২ঃ দরজা খোলাই আছে

শীতের ঠান্ডায় গলা বসে গেছে সাংবাদিকটির, শরীরটাও জ্বর-জ্বর। তাই একটু আগে ভাগেই ছুটি নিয়ে বাড়িতে বিশ্রম করতে এলেন। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে স্ত্রীর নাম ধরে ডাকতে গিয়ে দেখেন, গলা একেবারে বসে গেছে। তাই অনন্যোপায় হয়ে পাঁচিল টপকে স্ত্রীর ঘরের জানালায় টোকা দিতে দিতে বন্ধ গলায় বললেন, দরজা খোল।
প্রায় সঙ্গে-সঙ্গে স্ত্রীর চাপা গলা শোনা গেল, দরজা খোলাই আছে, চলে এস। সাংবাদিক ফের ফিরে গেলেন অফিসে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৩ঃ দুকান দিয়ে ঢোকে

স্ত্রী : আমি যা বলি তা তোমার এক কান দিয়ে ঢোকে অন্য কান দিয়ে বেরিয়ে যায়।
স্বামী : আর আমি যা বলি তা তোমার দুকান দিয়ে ঢোকে আর খই ফোটার মতো মুখ দিয়ে তৎক্ষণাৎ বেরিয়ে যায়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৪ঃ ঘুষের টাকাতেই সংসার

ঘুষ নেবার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে চাকরিটা চলে গেল জামান সাহেবের। বিষন্ন মনে ঘরে ফিরলেন।
স্ত্রী সব শুনে তার মুখে হাসি ফোটবার জন্য বললেন, বরাবরই তো দেখি আসছি তোমার মাইনের টাকার চেয়ে ঘুষের টাকাই বেশি; এবার থেকে না হয় ঘুষের টাকাতেই সংসার চলবে; এত ঘাবড়াবার কী আছে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৫ঃ স্ত্রীর কথা বলতে পারছে না

: স্ত্রীর গলা বসে গেছে, কথা বলতে পারছে না। কী করি, বলুন তো?
: রাত তিনটায় বাসায় ফিরুন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৬ঃ মাছ ধরা

স্ত্রীর সঙ্গে এক বিখ্যাত চলচ্চিত্র তারকার সব সময় খিটিমিটি লেগে থাকত। মূল কারণটা হলো, স্বামী বেশির ভাগ সময় পার করতেন মাছ ধরে। খুঁজতে গিয়ে একদিন চলচ্চিত্র তারকার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ফোন করে জানতে চাইলেন তিনি কোথায়।
‘ব্রিজের নিচে চলে যান’, শুষ্ক গলায় জবাব দিলেন তারকার স্ত্রী, ‘এদিক-ওদিক তাকান, তারপর যতক্ষণ পর্যন্ত না একটি লাঠির দুই মাথায় দুটি কেঁচো দেখতে পাবেন, ততক্ষণ খুঁজতে থাকুন।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৭ঃ একা একা খুব বোর হব

‘ও গো, আজ ফুটবল দেখতে না গেলে হয় না? বাসায় আমি একা একা খুব বোর হব তো!’
‘তুমি চাও, আমরা দুজন মিলে বোর হই?’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৮ঃ রাতের খাবার

স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার পর স্বামী বাসা থেকে চলে গেছেন। তাঁদের মধ্যে মুঠোফোনে কথা হচ্ছে—
স্বামী: আজ রাতের খাবার কী?
স্ত্রী: বিষ আছে বিষ!
স্বামী: ঠিক আছে, তুমি খেয়ে শুয়ে পড়ো। আমার ফিরতে আরও দেরি হবে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৯ঃ বিবাহবার্ষিকী পালন

বিবাহবার্ষিকী নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে—
স্ত্রী: তোমার কি মনে আছে, কাল আমাদের ১৩তম বিবাহবার্ষিকী?
স্বামী: হুমম, তো কী হয়েছে?
স্ত্রী: এই দিনটি কী করে পালন করব বলো তো?
স্বামী: তুমি কী করবে জানি না, তবে আমি সকালে ঘুম থেকে উঠে দুই মিনিট নীরবতা পালন করব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৮ঃ কিপ্টেমি

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথোপকথন—
স্বামী: পাশের ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে একটু চিনি নিয়ে এসো তো?
স্ত্রী: ওরা আমাদের চিনি দেবে না।
স্বামী: ওরা তো খুব কঞ্জুস!
স্ত্রী: ওদের কিপ্টেমির কথা আর বোলো না।
স্বামী: তাহলে আর কী করা; আমাদের আলমারি থেকেই চিনি বের করে চা করে নিয়ে এসো যাও।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১২৯ঃ মাছি মারা

বসে বসে পতিপ্রবরের মাছি মারা দেখে স্ত্রী তাকে জিজ্ঞেস করছে—
স্ত্রী: কী করছ তুমি?
স্বামী: দেখছ না, মাছি মারছি।
স্ত্রী: তা কয়টা হলো?
স্বামী: তিনটা পুরুষ আর দুইটা স্ত্রী মাছি মারলাম।
স্ত্রী: কী করে পুরুষ-স্ত্রী বুঝলে?
স্বামী: কারণ, দুইটা মাছি ফোনের কাছে ঘুরঘুর করছিল, আর তিনটা মাছি দূর থেকে তা দেখছিল।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩০ঃ সন্তানসন্ততির দায়ভার

এক দম্পতি আদালতে গেছেন তালাক দিতে। কিন্তু স্ত্রী তালাক দিতে নারাজ। আদালতে বেশ কান্নাকাটি শুরু করে দিলেন তিনি।
বিচারক ভদ্রমহিলাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি কাঁদছেন কেন? তালাক হলে তো আপনার স্বামী আপনাকে খোরপোষ দেবেন। তাতে তো ভালোই চলে যাওয়ার কথা।’
ভদ্রমহিলা বললেন, ‘আমাদের ৪৫ বছর বিয়ের বয়সে ১৬ জন সন্তান হয়েছে। আর নাতি-নাতনি মোট ২৩ জন।’
বিচারক বললেন, ‘তাতে সমস্যাটা কী?’
ভদ্রমহিলা বললেন, ‘কিন্তু বিয়ের সময় আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, তালাক হলে সব সন্তানসন্ততির দায়ভার যে আমাকেই বহন করতে হবে।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩১ঃ দ্বিগুণ ভালোবাসি

কঠিন ঝগড়ার পর স্ত্রী মুখ গোমড়া করে বসে আছে দেখে বিল্টু তার স্ত্রীকে বলল, ‘মানুষ তাকেই থাপড় মারতে পারে, যাকে কিনা প্রচণ্ড ভালোবাসে।’
এ কথা শুনেই বিল্টুর স্ত্রী বিল্টুর গালে কষে দুই থাপড় মেরে বলল, ‘তুমি কি ভাবছ যে আমি তোমাকে ভালোবাসি না! দেখলে এবার, আমি তোমাকে দ্বিগুণ ভালোবাসি।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩২ঃ শেষ দিন পর্যন্ত থেকে যাবে

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা নিয়ে কথা হচ্ছে—
স্বামী: তোমাকে আমি অনেক ভালোবাসি।
স্ত্রী: তাই নাকি!
স্বামী: জানো, তোমার জন্য আমি পৃথিবীর শেষ সীমানা পর্যন্ত যেতে পারি।
স্ত্রী: হুমম, কিন্তু কথা দাও, আমার জন্য হলেও তুমি সেখানে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত থেকে যাবে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩১ঃ ছাগলকেই জিজ্ঞেস করেছি

রঞ্জু রাগ করে বাসা ছেড়ে চলে গেছে। কিছুদিন পর রঞ্জু একটি ছাগল নিয়ে বাসায় এল।
এটা দেখে রঞ্জুর স্ত্রী বলল, ‘ওই বদমাশটাকে নিয়ে এলে কেন?’
রঞ্জু রেগে বলল, ‘বদমাশ বলছ কেন, দেখছ না এটা ছাগল!’
‘আমি তো ছাগলকেই জিজ্ঞেস করেছি।’—রঞ্জুর স্ত্রীর জবাব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩২ঃ পাগল তো সবকিছুই করতে পারে

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে—
স্ত্রী: আচ্ছা, যদি আমি মরে যাই তাহলে তুমি কী করবে?
স্বামী: আমি পাগল হয়ে যাব।
স্ত্রী: তুমি কি পরে আবার বিয়ে করবে?
স্বামী: পাগল তো সবকিছুই করতে পারে, তাই না?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩৩ঃ এমন স্ত্রী পাওয়া কিন্তু ভাগ্যের ব্যাপার

স্বামী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিতে আদালতে গেছেন—
স্বামী: আমি আমার স্ত্রীকে আজই তালাক দিতে চাই। আপনি একটু ব্যবস্থা করুন।
আইনজীবী: কেন, সমস্যা কী আপনাদের?
স্বামী: আমার স্ত্রী প্রায় ছয় মাস ধরে আমার সঙ্গে কথা বলে না।
আইনজীবী: আরেকবার ভেবে দেখুন। এমন স্ত্রী পাওয়া কিন্তু ভাগ্যের ব্যাপার।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩৪ঃ জলদি ঝাঁপ দাও

সমুদ্রতীরে মাছ ধরছে এক দম্পতি। স্বামীর বড়শিতে টোপ গিলল এক বিশাল স্যামন মাছ। কিন্তু হুইল গুটিয়ে সেটাকে তীরে আনার আগেই সুতো-মাছ সব জড়িয়ে গেল সমুদ্র শৈবালের স্তূপে। স্বামী চিত্কার করে স্ত্রীকে বললেন, ‘ওগো, জলদি করো! ঝাঁপ দাও! সাঁতরে চলে যাও ওই শ্যাওলাগুলোর কাছে! ডুব দিয়ে সুতোটা ছাড়াও। নইলে হাঙরগুলো মাছটাকে টুকরো টুকরো করে ফেলবে!’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩৫ঃ শুরু করার আগে

অফিস থেকে বাড়ি ফিরে স্বামী বলল, ‘শুরু করার আগে ভাতটা দাও, খেয়ে নিই।’
স্ত্রী ভাত বেড়ে দিল। ভাত খেয়ে স্বামী ড্রয়িংরুমের সোফায় বসতে বসতে বলল, ‘শুরু করার আগে এক গ্লাস পানি দাও…বড্ড তেষ্টা পেয়েছে।’
স্ত্রী পানি দিয়ে গেল।
পানি খেতে খেতে স্বামী বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর বলল, ‘শুরু করার আগে এক কাপ চা দাও না আমাকে।’
এইবার স্ত্রী গেল খেপে, ‘অ্যাই, পেয়েছ কী তুমি আমাকে, আমি তোমার চাকর? অফিস থেকে ফিরে একটার পর একটা খালি অর্ডার মেরেই যাচ্ছ…নির্লজ্জ, অসভ্য, ছোটলোক, স্বার্থপর…’
স্বামী কানে তুলা গুঁজতে গুঁজতে বলে, ‘এই যে…শুরু হয়ে গেল।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩৬ঃ সূর্যের গরমে তেষ্টা পাবে

অভিযোগের সুরে স্ত্রী স্বামীকে বলল, বিয়ের আগে তুমি বলতে, আমি নাকি তোমার ‘সূর্য’। তাহলে এখন প্রতিদিন বারে গিয়ে বিয়ার খাও কেন?
—কী আশ্চর্য! সূর্যের গরমে তেষ্টা পাবে, সেটাই স্বাভাবিক না?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩৭ঃ ন্যাচারাল

একসঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার আগে ৪০ মিনিট ধরে আইব্রো পেনসিল, আই শ্যাডো, আই লাইনার, মাশকারা, টোনার, ব্লাশ ও লিপস্টিকের যথাযথ সদ্ব্যবহার করে নিয়ে স্ত্রী স্বামীর দিকে ঘুরে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, দেখো তো, আমাকে ন্যাচারাল দেখাচ্ছে কি না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩৮ঃ মেয়েলি যুক্তি

‘তুমি আমাকে সত্যিই ভালোবাসো?’ একদিন সে জিজ্ঞেস করল স্বামীকে।
‘এ ধরনের প্রশ্ন করে তুমি কিন্তু আমাকে অপমান করছ।’ আহত স্বরে বলল স্বামী, ‘এত দিন একসঙ্গে ঘর করার পর…।’
‘তাহলে তুমি কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করে দেখাও। … না, চুমু খাওয়া শুরু করতে হবে না। পুরুষেরা এ কাজ খুব পারে। তারচেয়ে বলো, আমার মনমেজাজ সব সময় ভালো থাক, তা কি তুমি চাও?’
‘অবশ্যই চাই।’
‘মুখের চামড়ার সুন্দর রং?’
‘নিশ্চয়ই।’
‘কাজ থেকে ফিরে এসে যেন ক্লান্ত হয়ে না পড়ি?’
‘অবশ্যই।’
‘তুমি কি চাও, আমার পরনে সব সময় লেটেস্ট ফ্যাশনের পোশাক থাক?’
‘চাই।’
‘আমার স্বামীর কারণে আমাকে যেন লজ্জা পেতে না হয়, বরং তাকে নিয়ে যেন গর্ব করতে পারি?’
‘খু-উ-ব চাই।’
‘যেন সে আমাকে নিজের মার্সিডিজে চড়িয়ে থিয়েটারে নিয়ে যায়?’
‘চাই, কিন্তু শুধু আমার ভালোবাসা দিয়ে কি এত কিছু সম্ভব হবে?’
‘আমি কিন্তু তোমার কাছে অসম্ভব কিছু দাবি করছি না। তবে এই শুভকামনাগুলো তোমার যদি আমার জন্য সত্যিই থেকে থাকে এবং তুমি যে রকম বলছ, যদি সে রকম আমাকে ভালোবাসো…।’
‘অবশ্যই বাসি।’
‘তাহলে এক্ষুনি আমাকে ডিভোর্স দাও।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৩৯ঃ আক্কেল

স্ত্রী: এ্যাই, খেলার চ্যানেল পাল্টাও, আমি এখন রেসিপির অনুষ্ঠান দেখব।
স্বামী: রেসিপির অনুষ্ঠান দেখে কি লাভ, তুমি কোনো দিন ওসব রান্না করবে নাকি?
স্ত্রী: এই বুড়ো বয়সে তুমিই বা ক্রিকেট খেলা দেখ কোন আক্কেলে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪০ঃ পৃথিবীটা আসলেই ছোট

—ওগো, শুনছ, পৃথিবীটা আসলেই ছোট! এইমাত্র খবর পেলাম, তোমার তৃতীয় স্ত্রী আর আমার দ্বিতীয় স্বামী তাদের হানিমুন উদ্যাপন করছে তোমার দ্বিতীয় স্ত্রীর প্রথম স্বামীর কটেজে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪১ঃ বউর সাথে ঝগড়া

সাইফ: তুই তোর বউর সাথে ঝগড়া করিস?
রিয়াজ: হ্যাঁ, করি। তবে প্রতিবার ঝগড়ার শেষে ও এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে।
সাইফ: বলিস কী! তারপর?
রিয়াজ: তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪২ঃ দুই জন থেকে তিন জন

বিল্টু গ্রামে তার মায়ের কাছে ফোন করেছে—
বিল্টু: মা, একটা সুখবর আছে।
মা: বলিস কি! তাড়াতাড়ি বলে ফেল।
বিল্টু: এখন থেকে আমরা দুই জন থেকে তিন জন হয়ে গেছি, মা।
বিল্টু: এই সুখবরটা এত দেরিতে বললি কেন? তা ছেলে না মেয়ে হয়েছে রে?
বিল্টু: ওসব কিছু না। আমার বউ আরেকটি বিয়ে করে ফেলেছে, মা!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪৩ঃ শুরুতে…

পোষা কুকুরকে পেছনের দুই পায়ে দাঁড়াতে শেখানোর প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে স্ত্রী। দেখে স্বামী মন্তব্য করল, ‘কাজ হবে না।’
—চুপ করো! শুরুতে তুমিও কথা শুনতে না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪৪ঃ মাখনের বদলে স্যাভলন ক্রিম

বিয়ের পরদিন সকালের নাশতায় রুটিতে কামড় দিয়ে স্বামী বলল, ‘একি! রুটিতে এটা কী লাগিয়েছ?’
নতুন বউ জবাব দেয়, ‘রুটি পুড়ে গেছিল তো, তাই মাখনের বদলে স্যাভলন ক্রিম মাখিয়ে দিলাম। ভালো হয়নি খেতে?’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪৫ঃ মুখ বন্ধ

ডাক্তার: এই থার্মোমিটারটা আপনার স্ত্রীর মুখের নিচে দিয়ে আধমিনিট মুখ বন্ধ করে রাখতে বলবেন। তাহলেই জ্বর কত সেটা টের পাওয়া যাবে।
স্বামী: ডাক্তার সাহেব, সারা দিন রাখতে হয় এমন কোনো থার্মোমিটার নেই?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪৬ঃ বউ কাঁদছে

রিয়াজ: তোর বউ কি কাঁদছে নাকি?
সাইফ: হ্যাঁ।
রিয়াজ: কেন?
সাইফ: জানতে চাইনি, চাচ্ছিও না।
রিয়াজ: সেকি! কেন?
সাইফ: কারণ এর আগে যতবার জানতে চেয়েছি প্রতিবার আমাকে দেনায় ডুবতে হয়েছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪৭ঃ গান চালিয়ে যাও

স্ত্রী : ওগো, দেখ, বাইরে থেকে একটা জুতো এসে ঘরে পড়ল।
স্বামী : তুমি গান চালিয়ে যাও, তা হলে এর জোড়াটাও এসে পড়বে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪৮ঃ খুঁড়ে বের করা হয়নি

: আমার স্ত্রী আর আমি এ বছর সি বিচে গিয়ে খুব মজা করেছি।
: কী রকম?
: প্রথমে বালিতে ও আমাকে কবর দিল, পরেরবার দিলাম আমি-
: যাহ দারুণ।
: দেখি আগামী বছর আবার যাব, ওকে খুঁড়ে বের করা হয়নি কিনা।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৪৯ঃ পরিবর্তন করেছি বটে

প্রথম বান্ধবী : আমাদের বুড়ো বাড়িঅলার সুদর্শন ছেলেটা কিছুদিন হয় আমার পিছু নিয়েছে। কথাটা জানতেই আমার স্বামী বাসা পরিবর্তনের কথা বলল।
দ্বিতীয় বান্ধবী : তুই কি সেটা করেছিস?
প্রথম বান্ধবী : পরিবর্তন করেছি বটে। তবে বাসা নয়, স্বামী।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫০ঃ স্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ

কর্মচারী : আমার স্ত্রী বলছিল, আমার মাইনেটা একটু বাড়লে ভালো হত।
মালিক : ঠিক আছে, আমিও এ বিষয়ে আমার স্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে নেব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫১ঃ উচ্চতা মাত্র…

দেশের প্রেসিডেন্টও আমার স্বামীর সামনে মাথা নিচু করে কথা বলেন।
: আপনার স্বামী কি খুব নামজাদা কেউ?
: না তা নয়। আমার স্বামীর উচ্চতা মাত্র চার ফুট।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫২ঃ পাঁঠার গন্ধ

: ডাক্তার সাহেব, রাতে কিছুতেই ঘুম আসে না।
: পাঁঠা গুনুন …
: সেটা সম্ভব না।
: কেন?
: আমার স্ত্রী আবার পাঁঠার গন্ধ সইতে পারেন না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫৩ঃ ব্যক্তিগত ও অতি গোপনীয়

নতুন এক গয়নার দোকানের মালিক সিদ্ধান্ত নিলেন তাদের দোকানের বিজ্ঞাপন শহরের প্রতিটি বিবাহিত মহিলার হাতে পৌছে দিতে হবে। তিনি বিজ্ঞাপনগুলো খামে ভরে তাদের স্বামীদের নামে পাঠিয়ে দিলেন, আর খামের ওপরে লিখে দিলেন- ব্যক্তিগত ও অতি গোপনীয়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫৪ঃ গানের গীতিকার

গান শুনতে এসে মঞ্চে বসা আরেক ব্যক্তির সাথে কথা বলছেন এক শ্রোতা।
: ওফ ! অবস্থাটা দেখেছেন? যেমন গায়িকার চেহারা তেমনই গলা। যেন করাত দিয়ে কাঠ কাটছে।
: সে আমার স্ত্রী-ভদ্রলোক প্রত্যুত্তরে জানালেন।
: ও…ইয়ে…আসলে গলার তেমন দোষ নেই তবে গানের জঘন্য কথাগুলোর জন্য তা গাইতে সমস্যা হচ্ছে। এসব গর্দভ গীতিকারদের গান আপনার স্ত্রীকে গাইতে দেন কেন?
: এই গানের গীতিকার আমিই।-ভদ্রলোক আবার বললেন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫৫ঃ পর্দানশিন

আরব দেশে এক লোক কুৎসিত এক মহিলাকে বিয়ে করল। রীতি অনুযায়ী মহিলা খুবই পর্দানশিন। তো বাসররাতে মহিলা স্বামীকে বলল-
: মালিক আমি কি আপনার বন্ধুদের সামনে পর্দা করব?
: দীর্ঘশ্বাস ফেলে স্বামী বললেন-“ওদের সামনে পর্দা করার দরকার নেই, আমার সামনে কোরো।”

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫৬ঃ জীবনের সবচেয়ে বড় অশান্তি

দুই বান্ধবীর বহু বছর পর দেখা। এক বান্ধবী অপরজনের হাতের দামি হীরার আংটির প্রশংসা করায় বান্ধবী বলল, ‘আংটিটা সুন্দর, কিন্তু এটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অশান্তি বয়ে নিয়ে এসেছে, আমার স্বামীকে।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫৭ঃ সুদসহ ফিরিয়ে দিয়ে গেলাম

স্ত্রী, পুত্র, কন্যাসহ জামাই এলেন শ্বশুরবাড়ি। বললেন, আমি সন্ন্যাস নেব স্থির করেছি।
: সে কী ! সন্ন্যাস নেবে কেন?
: পরকালের কাজ করব তাই। যাই হোক আমি সন্ন্যাস গ্রহণের আগে কারো কাছে কোনো ঋণ রাখব না। সব শোধ করে দিয়ে যাব।
: আমার কাছে তো তোমার কোনো ঋণ নেই।
: আছে দশ বছর আগে আপনি আমাকে কন্যা সম্প্রদান করেছিলেন। আজ তা সুদসহ ফিরিয়ে দিয়ে গেলাম।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫৮ঃ কবে পুরোপুরি মনে হবে

গিন্নি : তোমাকে ঠিক গাঁজাখোরের মতো দেখতে লাগছে।
কর্তা : এখনো মতো। বল কী গিন্নি? গত ত্রিশ বছর ধরে গাঁজা খাচ্ছি, তবুও ‘মতো’
তবে কবে পুরোপুরি মনে হবে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৫৯ঃ ডিভোর্সের প্রথম শর্ত

: ডিভোর্সের প্রথম শর্তটা পালন করলাম।
: সে কী আপনি কি আপনার বরকে ডিভোর্স করতে যাচ্ছেন?
: না না বিয়ে করলাম সবেমাত্র।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬০ঃ স্বামীর কাজ

প্রবীণ রাজনীতিবিদের সাক্ষাত্কার নিতে এসে সাংবাদিক জানতে চাইলেন, ‘আচ্ছা, আপনি বিয়ে করেননি কেন?’ মুচকি হেসে রাজনীতিবিদ বললেন, ‘এর পেছনে রয়েছে একটি ঘটনা। আজ থেকে বিশ বছর আগে একদিন এক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। আমার সামনেই বসে ছিলেন শাড়ি পরা এক মহিলা। আমি চেয়ার থেকে উঠতে গেলে হঠাত্ তাঁর শাড়িতে একটু পা লেগে যায় আমার। নিচের দিকে তাকিয়েই মহিলা গাধা, উল্লুক, টিকটিকি, বেবুন, হনুমান, মুখপোড়া বলে শুরু করেন গালাগাল। হঠাত্ মুখ তুলে আমাকে সামনে দেখতে পেয়ে বলেন, “দুঃখিত, কিছু মনে করবেন না। আমি ভেবেছিলাম এটা বুঝি আমার স্বামীর কাজ”।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬১ঃ মাছ ধরার পরে

স্ত্রী: বিয়ের আগে তুমি আমাকে উপহার দিতে, এখন আর দাও না কেন?
স্বামী: মাছ ধরার পরে কি জেলেরা মাছকে আর খাওয়ায়?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬২ঃ রাগের সময়

স্বামী: তোমার জ্বালায় আর ভালো লাগে না। চললাম আমি নদীতে ঝাঁপ দিতে।
স্ত্রী: কিন্তু তুমি তো সাঁতার জান না।
স্বামী: রাগের সময় এসব মনে করিয়ে দাও কেন?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬৩ঃ সম্মোহনবিদ্যা

স্বামী: সম্মোহনবিদ্যা আবার কী গো?
শিক্ষিত স্ত্রী: সম্মোহনবিদ্যা জানলে দ্বিতীয় কোনো মানুষকে নিজের বশে রেখে তাকে দিয়ে ইচ্ছেমতো কাজ করানো যায়।
স্বামী: ওটা আবার সম্মোহনবিদ্যা নাকি? ওটা তো বিয়ে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬৪ঃ বইয়ের নাম—খোয়াবনামা

বিবাহবার্ষিকীর রাতে ঘুম থেকে উঠে স্ত্রী তার স্বামীকে বলল, ‘শোনো, আমি স্বপ্ন দেখলাম যে তুমি আমাকে কাল সকালে একটি নেকলেস ও হীরার আংটি দিচ্ছ। এর মানে কী, তুমি বলতে পার? তুমি কি সত্যিই আমাকে এগুলো কিনে দেবে?’
শুনেই স্বামীর পিলে চমকে গেল। পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই স্বামী হন্তদন্ত হয়ে বাইরে গেলেন। কিছুক্ষণ পর ফিরে এলেন কাগজে মোড়ানো একটি প্যাকেট নিয়ে। প্যাকেট দেখেই স্ত্রীর তো চোখ-মুখ হাসিতে ঝলমল। দ্রুত স্ত্রী প্যাকেট খুললেন। ভেতরে একটা বই। বইয়ের নাম—খোয়াবনামা।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬৫ঃ এক ছাদের নিচে জীবন পার

সবার বাড়ির ওপর একটা ছাদ থাকে। তোর বাড়ির ওপর তো দেখছি বারোটা ছাদ, ঘটনা কী?
: হ্যাঁ, মাসে মাসে আবার সেগুলো পরিবর্তনও হয়।
: কেন?
: আমার স্ত্রী যাতে বলতে না পারে এক ছাদের নিচে জীবন পার করে দিলাম।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬৬ঃ গলা নামিয়ে বলো

এক কৃষক খালি হাতে মাঠ থেকে ঘরে ফিরে এল।বউ জিজ্ঞেস করল, আরে, তোমার কোদাল কোথায়?
গলা চড়িয়ে কৃষক বলল, যাহ, কোদাল ভুলে মাঠে ফেলে এসেছি।
বউ শান্ত গলায় বলল, গলা নামিয়ে বলো। কথাটা কেউ যদি শুনতে পায় তা হলে সে মাঠে গিয়ে তোমার কোদাল চুরি করে নিয়ে যাবে। যাও, তাড়াতাড়ি মাঠে গিয়ে কোদাল নিয়েএসো।
কৃষক তাড়াতাড়ি মাঠে গেল। কিন্তু কোথায় কোদাল? চুরি হয়ে গেছে।
বাড়ি ফিরে কৃষক গলা নামিয়ে বউয়ের কানের কাছে ফিসফিস করে বলল, কোদাল চুরি হয়ে গেছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬৭ঃ নারী বনাম পুরুষ

হাতের লেখা
পুরুষ : লেখা কোনো রকমে পড়া গেলেই হলো। কাকের ঠ্যাং-বকের ঠ্যাং কী হচ্ছে তা নিয়ে মোটেও মাথা ঘামায় না।
নারী : লেখা হতে হবে মুক্তোর মতো ঝরঝরে।

কেনাকাটা
নারী : প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের লিস্ট বানিয়ে বাজারে গিয়ে সেগুলো কিনে আনে।
পুরুষ : যতক্ষণ না বাড়ির চাল-ডাল সব শেষ বলে বউ চেঁচাতে শুরু করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত বাজারে যেতে চায় না। বাজারে গিয়ে যা পছন্দ হয় তা-ই কিনতে চায়। কখনো কখনো দাম দিতে গিয়ে দেখে, সে মানিব্যাগ আনতে ভুলে গেছে।

মিতব্যয়িতা
নারী : এক টাকা দামের জিনিসের জন্য কখনোই দুই টাকা খরচ করবে না। তা সে যত পছন্দসই হোক না কেন।
পুরুষ : যা পছন্দ হবে তা কিনতেই হবে। জিতে কিংবা ঠকে যেভাবেই হোক।

তর্ক
নারী : তর্কাতর্কির শেষ কথাটি হবে নারীর।
পুরুষ : নারীর পর পুরুষের কথা বলা মানে নতুন তর্কের শুরু।
প্রেম
পুরুষ: প্রতিটি পুরুষই চায় কোনো নারীর প্রথম প্রেম হতে।
নারী: নারীরা চায় তারা তাদের ভালোবাসার পুরুষটির শেষ প্রেম হোক।

ব্রেকআপ
নারী : সম্পর্ক ভেঙে গেলে কাছের কোনো বান্ধবীকে জড়িয়ে হাপুস নয়নে কাঁদতে থাকে। কিংবা ‘পুরুষ বড় নির্বোধ’ জাতীয় কবিতা লেখা শুরু করে এবং নতুনভাবে জীবনটা শুরু করার চেষ্টা করে।
পুরুষ : ব্রেকআপ হওয়ার ছয় মাস পরও সাবেক প্রেমিকাকে রাতবিরেতে ফোন করে ‘ডাইনি, তুই আমার জীবনটা শেষ করে দিলি’—এ জাতীয় ডায়ালগ ঝাড়তে থাকে।

বিয়ে
নারী : মনে করে বিয়ের পর হাজব্যান্ড বদলে যাবে, কিন্তু তা হয় না।
পুরুষ : মনে করে প্রেমিকা স্ত্রী হওয়ার পরও একই রকম থাকবে। কিন্তু স্ত্রী বদলে যায়।

স্মৃতি
নারী : যে পুরুষটি তাকে বিয়ে করতে চায় তাকে সারা জীবন মনে রাখে।
পুরুষ : সেসব নারীকে মনে রাখে যাদের সে বিয়ে করেনি।

বাথরুম
পুুরুষ : সাধারণত ছয়টি জিনিস থাকে। সাবান, সেভিং ক্রিম, রেজর, টুথব্রাশ, আর তোয়ালে (ক্ষেত্রবিশেষে কোনো হোটেল থেকে চুরি করা)।
নারী : সাবান, টুথব্রাশ, টুথপেস্ট তো আছেই সেই সঙ্গে শ্যাম্পু, চিরুনি, লিপস্টিক….আরও কত কী! বেশির ভাগ জিনিস পুরুষেরা চিনবেই না।

জুতো
নারী : গরমের দিনে অফিস ডেস্কের নিচে পা ঢুকিয়ে জুতো খুলে রাখে।
পুরুষ : সারা দিন এক জুতা-মোজাই পায়ে দিয়ে রাখে।

পশু-পাখি
নারী : পশু-পাখি ভালোবাসে।
পুরুষ : পশু-পাখিকে কষ্ট দিতে ভালোবাসে।

সন্তান
নারী : নারীরা তাদের সন্তানদের পুরোপুরি চেনে। তাদের সুখ, দুঃখ, স্বপ্ন, বন্ধু, গোপন ভয় এমনকি গোপন প্রেম সম্পর্কেও তারা জানে।
পুরুষ : নিজের বাড়িতে মোট কয়জন মানুষ আছে তা-ও সব সময় মনে রাখতে পারে না।

অলংকার
নারী : যেকোনো ধরনের অলংকার পরলেই নারীদের সুন্দর দেখায়।
পুরুষ : বড়জোর একটা আংটি কিংবা ব্রেসলেট। এর চেয়ে বেশি কিছু পরলেই লোকে মন্দ বলতে শুরু করে।

বন্ধু
নারী : বান্ধবীরা মিলে আড্ডা দিতে গেলে নিজেদের সুখ-দুঃখের আলাপেই ব্যস্ত থাকে।
পুরুষ : পুরুষদের আড্ডায় ‘দোস্ত তোর লাইটারটা দে তো’ জাতীয় কথাবার্তাই বেশি শোনা যায়।

বাইরে খাওয়া
নারী : ভাগাভাগি করে বিল দেয়।
পুরুষ : সবাই চায় অন্যের ওপর বিল চাপিয়ে দিতে। কারও কাছেই ভাংতি থাকে না।

কাপড় ধোয়া
নারী : প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত কাপড় কাচে।
পুরুষ : চিমটি কাটলে ময়লা বের না হওয়া পর্যন্ত কাপড়ে সাবান ছোঁয়ায় না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬৮ঃ টেলিগ্রাম

স্বামী বলছেন স্ত্রীকে: শোনো। আমার যদি ব্যবসার কাজ শেষ না হয়, ফিরতে দেরি হয় তাহলে আমি তোমাকে টেলিগ্রাম করে জানিয়ে দেব।
স্ত্রী: তার আর দরকার নেই। আমি এরই মধ্যে পড়ে ফেলেছি। তোমার কোটের পকেটে আছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৬৯ঃ ইমপোর্টেড

: আপনার স্ত্রীর অপারেশনে আমরা লোকাল অ্যানেসথেসিয়া ব্যবহার করব।
: ডাক্তার, আমার অর্থের অভাব নেই, আমার স্ত্রীকে লোকাল কিছু দেবেন না। যা দেবেন সব যেন ইমপোর্টেড হয়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭০ঃ পুরুষেরা কেন জন্মেছে

স্ত্রী ক্রুদ্ধ কণ্ঠে বললেন, পুরুষেরা কেন জন্মেছে বলতে পার?
স্বামী: মিথ্যে কথা বলার জন্য।
: আর নারীরা?
: সে কথা বিশ্বাস করার জন্য।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭১ঃ ভিক্ষুককে ১০০ টাকা

এক নারী তাঁর প্রতিবেশীর সঙ্গে গল্প করছিলেন—আজ সকালে আমি এক ভিক্ষুককে ১০০ টাকা দিয়েছি।
—পুরো ১০০টি টাকা ভিক্ষুককে দিয়ে দিলেন? আপনার হাজব্যান্ড আপনাকে কিছু বলেনি?
—বলেছে, ‘ধন্যবাদ।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭২ঃ মাস্টার-পিস

–ঈশ্বর নারীর আগে পুরুষ সৃষ্টি করলেন কেন?
—কারণ, প্রতিটি মাস্টার-পিস তৈরির আগে একটি খসড়া করা প্রয়োজন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৩ঃ সারপ্রাইজ গিফট

: তোর স্যুটটা তো বেশ সুন্দর। কোথায় পেলি?
: এটা আমার স্ত্রী আমাকে দিয়েছে একটা সারপ্রাইজ গিফট হিসেবে।
: কেমন সারপ্রাইজ গিফট?
: আমি অফিস থেকে ফিরে দেখি সোফার উপর এই স্যুটটা পড়ে আছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৪ঃ কোথায় যাওয়া যায়

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে।
স্ত্রী: চিকিৎসক আমাকে এক মাসের জন্য কোন পাহাড়ি এলাকায় বেড়িয়ে আসতে বলেছেন। বল তো কোথায় যাওয়া যায়?
স্বামী: কেন! অন্য চিকিৎসকের কাছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৫ঃ স্ত্রীও দেখে ফেলেছে

প্রথম বন্ধু: কিরে, তোর চোখের ওপর ব্যান্ডেজ কেন? গালেও তো দেখছি চোট লেগেছে। গতকাল সন্ধ্যায়ও না দেখলাম এক সুন্দরী মহিলার সঙ্গে পার্কে বসে আছিস! এরই মধ্যে হঠাৎ কী হলো?
দ্বিতীয় বন্ধু: গতকাল তুই যা দেখেছিলি আমার স্ত্রীও তা দেখে ফেলেছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৬ঃ পুলিশ না অ্যামবুলেন্স

মাঝরাতে স্ত্রী স্বামীকে ডেকে তুলল। ফিসফিস করে বলল, এই ওঠো, ওঠো। কাল আমি যে পুডিং বানিয়ে ফ্রিজে রেখেছিলাম চোর ঢুকে সেই পুডিং খাচ্ছে!
স্বামী বিছানায় উঠে বসে বলল, কাকে ডাকব, পুলিশ না অ্যামবুলেন্স?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৭ঃ তার কাছে পুরোনো মানে…

: এই শোনো, আজ দুস্থ সেবাশ্রম থেকে পুরোনো কাপড়চোপড় চাইতে দুজন লোক এসেছিল।
: দিয়েছ কিছু?
: হ্যাঁ, তোমার দশ বছরের পুরোনো শার্টটি আর গত সপ্তাহে কেনা আমার শাড়িটা দিয়েছি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৬ঃ টাকাগুলো ওই ব্যাগেই আছে

এক চীনা ভদ্রলোক বাজারে যাওয়ার পথে ব্যাগ হারিয়ে হাঁড়িমুখো হয়ে ঘরে ফিরেছেন।
হাতে বাজারের ব্যাগ না দেখে তাঁর বদমেজাজি বউ খেঁকিয়ে উঠলেন, ‘হাত খালি কেন? বাজার কোথায় শুনি!’ ভদ্রলোক ঘাড় চুলকে বললেন, ‘ইয়ে মানে, বাজারে আজ পা ফেলার উপায় নেই। তার ওপর ব্যাগটাও হারিয়ে ফেলেছি!’
তা শুনে বউয়ের মেজাজের পারদ আকাশমুখী, ‘তা বেশ, টাকাগুলো আছে তো, নাকি তাও ফেলে এসেছ?’
ভদ্রলোক এ-গাল ও-গাল হাসি হেসে বললেন, ‘না, না, না ও নিয়ে চিন্তা কোরো না! টাকাগুলো ওই ব্যাগেই আছে। আর ব্যাগের মুখটাও কষে বেঁধেছিলাম আজ।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৭ঃ বোকার মতো টাকাটাই দিয়ে এলে

স্বামী: ওগো শুনছ, সর্বনাশ হয়ে গেল।
স্ত্রী: কী হয়েছে?
স্বামী: আজ মাইনে নিয়ে অফিস থেকে বাড়ি আসার পথে দুই ছোকরা পিস্তল দেখিয়ে বলল, হয় টাকা দাও না হলে জান দাও।
স্ত্রী: আর তুমিও বোকার মতো টাকাটাই দিয়ে এলে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৮ঃ শুভ সমাপ্তি

: সিনেমার শেষে প্রধান চরিত্র মারা গেলে সেটিকে শুভ সমাপ্তি বলা সম্ভব?
: সম্ভব, যদি প্রধান চরিত্র হয় শাশুড়ি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৭৯ঃ উৎসর্গ

প্রোগ্রামার বলল তার স্ত্রীকে, ‘তোমার কাছে আমার কৃতজ্ঞতার অন্ত নেই। আর তাই স্থির করেছি, আমার সদ্য তৈরি ভাইরাসটির নাম দেব তোমার নামে।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮০ঃ গাধা কোথায় পাবে

স্বামী : দেখ, তোমার ছেলে কী ভাবে কাঁদছে। সকাল থেকে বায়না ধরেছে গাধার পিঠে চড়ে ঘুরবে। গাধা আমি কোথায় পাব?
স্ত্রী : গাধার দরকার নেই। তোমার পিঠে চড়িয়ে ঘোরাও, দেখবে কান্না থেমে গেছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮১ঃ ফেরার ভাড়া

নবদম্পতির মঝে ঝগড়া হয়েছে।
স্ত্রী : আমি বাপের বাড়ি চলে যাচ্ছি।
স্বামী : এই নাও ভাড়া।
স্ত্রী : কত দিচ্ছ? এতে তো ফেরার ভাড়া হবে না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮২ঃ স্ত্রী রাতে বারে যায়

দু’বন্ধুর মাঝে আলাপ হচ্ছে।
: স্ত্রীর জন্য আমার আর মুখ দেখাবার উপায় রইল না। রোজ রাতে বারে যায়।
: ছিঃ ছিঃ ছিঃ কী জঘন্য কথা! কী করে বারে গিয়ে?
: আমাকে টেনেহিঁচড়ে বাড়িতে নিয়ে আসে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮৩ঃ সবচাইতে বড় বন্ধু

: আমার স্ত্রী যার সঙ্গে পালিয়ে গেছে সে আমার সবচাইতে বড় বন্ধু।
: তাই নাকি? লোকটা কি দেখতে খুবই সুন্দর?
: কী জানি, জীবনে তাকে দেখি নি তো।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮৪ঃ ভাঙা বাসন

বন্ধুর বাড়িতে দাওয়াত খেতে গেছে হাবলু। হঠাৎ বন্ধুর বউয়ের হাত থেকে চায়ের কাপটা পড়ে ভেঙে গেল। বন্ধু বলে উঠল, গেল। দশ বছরে আমার বউয়ের হাত থেকে পড়ে যত বাসন ভেঙেছে তা দিয়ে এক দোকান হয়ে যেত।
শুনে হাবলু বলল, কিন্তু এত ভাঙা বাসন কিনত কে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৮৯ঃ লোকের সামনে তর্ক

স্ত্রী : যখন আমাদের বিয়ে হয়েছিল তখন তুমি প্রতিক্ষা করেছিলে ভালবাসার, শ্রদ্ধার এবং একতার। বল কর নি ?
স্বামী : হ্যাঁ করেছিলাম । আসলে আমি তখন এতগুলো লোকের সামনে তর্ক জুড়ে দিতে চাই না।

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯০ঃ পরিচয় হয়েছে বিয়ের পর

স্ত্রী : বিয়ের আগে কি তোমার কোনো বান্ধবী ছিল?
স্বামী : না, তুমিই প্রথম।
স্ত্রী : কাল যে মেয়েটির সঙ্গে খুব হেসে কথা বলছিলে ওই মেয়েটি তা হলে কে ?
স্বামী : ওর সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছে বিয়ের পর।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯১ঃ ব্যায়ামের অনুষ্ঠান

১ম প্রতিবেশী : আমার স্বামীকে নিয়ে পড়েছি এক বিপদে। রোজ সকালে টিভিতে ব্যায়ামের অনুষ্ঠান শুরু হলেই লাফ দিয়ে সে বিছানা থেকে উঠে পড়ে।
২য় প্রতিবেশী : বিপদ বলছ কেন, এই বয়সে ব্যায়াম করাটা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো ।
১ম প্রতিবেশী : আরে নিজে ব্যায়াম করলে তো ভালো হত। ও তো ওঠে জানালা দিয়ে পাশের বাড়ির মেয়েটির ব্যায়াম দেখতে

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯২ঃ গাড়ির কী অবস্থা

: বাড়ি ফিরেই এক লোক দেখতে পেল তার স্ত্রীর হাতে, মাথায় ব্যান্ডেজ। সে ছুটে তার কাছে গিয়ে কী হয়েছে জানতে চাইল। ‘গাড়ি এক্সিডেন্ট করেছি …সকালে ঘরের কিছু কেনাকাটা করতে বেরুচ্ছিলাম …’
স্ত্রীকে থামিয়ে দিয়ে স্বামী উত্তেজিত হয়ে বলল- ‘এত বিস্তারিত বলার প্রয়েজন নেই, এখন কী অবস্থা বল।’
স্বামীকে তার ব্যাপারে এত চিন্তিত হতে দেখে খুশি হয়ে স্ত্রী বলল- ‘আরে এত দুশ্চিন্তার কিছু নেই, মাথায় দুটো সেলাই পড়েছে আর কবজি সামান্য একটু মচকে গেছে। অবশ্য ডাক্তার বলেছে …’।
এবার স্বামী আগের চেয়েও জোরে চিৎকার করে উঠল, ‘আরে তোমার কথা কে জিজ্ঞেস করল? গাড়ির কী অবস্থা সেটা বল ।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯৩ঃ গাড়ির ভেতর স্ত্রী

এক ব্যক্তি হাঁপাতে হাঁপাতে পুলিশ স্টেশনে গিয়ে বলল-“অফিসার জলদি আসুন, আমি ভুল করে চাবি ভেতরে রেখে গাড়ির দরজা লক করে ফেলেছি।’
অফিসার আশ্চর্য হয়ে বলল-‘আরে এতে এত উত্তেজিত হবার কী আছে?
‘কথা পরে বলুন আগে জলদি চলুন … এক ঘন্টা ধরে ওই গাড়ির ভেতর আমার স্ত্রী ও দুই বাচ্চা আটকে আছে …।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯৪ঃ অন্ধ না হলে

ঘরে ঢুকতে গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীর গায়ে ধাক্কা লাগল-
স্ত্রী : উফ অন্ধ নাকি তুমি, দেখতে পাও না ?
স্বামী : অন্ধ না হলে কি আর তোমাকে বিয়ে করি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯৫ঃ যখন জায়গা হত না

৪০তম বিবাহবার্ষিকীতে এক মহিলার হঠাৎ মনে পড়ল বিয়ের প্রথম রাতে তার স্বামী তাকে বলেছিল সে যা খুশি করতে পারে কিন্তু শুধু যেন বিছানার নিচে রাখা কাঠের ছোট বাক্সটা না খোলে । এতদিন ধরে স্ত্রী কখনো সেটা ছুঁয়েও দেখে নি। কিন্তু ৪০ বছর এই ব্যাপারে সৎ থাকার কারণে তার কাছে মনে হল এখন নিশ্চয় সেটা খোলার অধিকার তার হয়ে আছে। ধীরে ধীরে ছোট বাক্সটি বের করে সে সেটা খুলে দেখল তার ভেতরে স্বামীর জমানো খুচরা টাকায় মোট তিন শ ডলার আর চারটা খালি বিয়ারের বোতল।
রাতে স্বামীর সঙ্গে বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ ডিনার শেষ করার পর সে তাকে জানাল বাক্স খোলার ব্যাপারটা।
‘সর্বনাশ! তুমি এটা কী করেছ?’ স্বামী কিছুটা উত্তেজিত।
‘আহা এটাতে রেগে যাবার কী আছে?’ কিন্তু চারটা খালি বোতলের অর্থ কী? স্ত্রী কৌতুহলী হয়ে প্রশ্ন করল। ‘ইয়ে.. মানে… আসলে বিয়ের পর আমি যতবার তোমার সাথে প্রতারণ করেছি…. মানে অন্য কোনো মেয়ের সাথে শুয়েছি ততবার আমি বাড়িতে এসে ওই বাক্সে একটা করে বোতল রাখতাম’। স্বামী-ভয়ে ভয়ে জানাল। চল্লিশ বছরে মাত্র চারবার এমনটি ঘটেছে ভেবে স্ত্রী তার স্বামীকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল- ‘থাক এ নিয়ে আর মন খারাপ কোরোনা…’।
রাতের চমৎকার ডিনার শেষে দুজনই ঘুমাতে গেল। হঠাৎ মধ্যরাতের দিকে একটা কথা ভেবে স্ত্রীর ঘুম ছুটে গেল। সে তখনই তার স্বামীকে ঘুম থেকে ডেকে জিজ্ঞেসা করল- আচ্ছা, ওই বাক্সের টাকাগুলো কিসের?
ঘুম ঘুম চোখে স্বামী কোনোমতে পাশ ফিরে জানাল- ও কিছু না যখন বাক্সের ভেতর আর বোতল জায়গা হত না তখন সব বোতল ফেলে এক ডলার করে রাখতাম।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯৬ঃ মুখের সামনে ব্রিফকেস

মাতাল হয়ে অনেক রাতে বাড়ি ফিরেছে এক ব্যক্তি। চুপি চুপি বেডরুমে ঢুকে দেখে স্ত্রী বাথরুমে গেছে। সে যে মদ খেয়ে এসেছে এটা যাতে স্ত্রী বুঝতে না পারে সেজন্য জলদি বিছানায় উঠে একটা মোটা বই খুলে পড়ার ভান করতে লাগল। একটু পর স্ত্রী বাথরুম থেকে বের হয়েই চিৎকার -চেঁচামেচি শুরু করল-
: আবারো আজ মদ খেয়ে এসেছ তাই না ?
: মোটেই না একদম বাজে কথা।
বলি, তাহলে মুখের সামনে অমন করে ব্রিফকেসটা খুলে ধরে রেখেছ কেন?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯৭ঃ দে

: কী করে, তোর নাকি শুনলাম বউয়ের সাথে মাসে তিরিশ দিনই কথা বন্ধ থাকে?
: না, ঊনত্রিশ দিন।
: মানে ???
: বেতন যেদিন পাই সেদিন ঘরে ঢোকার পরই হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলে- ‘দে’।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯৮ঃ তুচ্ছ জিনিস ভেসে ভেসে ফেরত আসে

স্ত্রীকে নদীতে সাঁতার কাটতে নামিয়েছে জনৈক ব্যক্তি। হঠাৎ প্রচন্ড স্রোতে স্ত্রী ভেসে মহিলা চিৎকার করে উঠল-
: সর্বনাশ ! আমার হীরের আংটিটা পানিতে ডুবে গেছে।
দুঃখিত স্ত্রীকে সান্ত্বনা দিয়ে স্বামী বলল-
: এ নিয়ে মন খারাপ কোরো না গো, জীবনটাই আসলে এরকম। যত দামি, মুল্যবান জিনিসগুলো হারিয়ে যায় অতল গহ্বরে, আর যত ফালতু তুচ্ছ জিনিস ভেসে ভেসে ফেরত আসে জোয়ারের সাথে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ১৯৯ঃ বিপদ যত ছোট

: কীরে ! এত দেখেশুনে শেষমেশ এই খাটো মেয়ে বিয়ে করলি।
: আরে ! বিপদ যত ছোট হবে ততই তো ভালো।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০০ঃ সাধু হতে

স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার এক সময়ে স্ত্রী রেগে বলল-‘আমি আমার বাবার সব সম্পতি সাধুদের বিলিয়ে দেব। একথা শুনে স্বামী ব্যাগ গুছাতে শুরু করল। স্ত্রী আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করল-
: এ কী ! কোথায় চলবে ?
: সাধু হতে- স্বামী জানাল।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০১ঃ দিনের বেলাতেই স্বপ্ন

: জান, আমার স্ত্রী কাল রাতে স্বপ্ন দেখেছেন এক কোটিপতির সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে।
: আমার স্ত্রী দিনের বেলাতেই এই স্বপ্ন দেখেন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০২ঃ একা বুনতে পার না

স্ত্রী : জান, তোমার উলের সোয়েটারটা বুনতে দুটো ভেড়া প্রয়োজন।
স্বামী : কেন তুমি একা বুনতে পার না?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০৩ঃ চৌদ্দবার টয়লেটে

স্ত্রী : ওগো বাংলা চৌদ্দশ সাল উপলক্ষে চৌদ্দ পদ রান্না করলাম। কেমন হল?
স্বামী : মন্দ নয়, তবে চৌদ্দবার না আবার টয়লেটে দৌড়াতে হয়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০৪ঃ ছাইপাশ

স্ত্রী : নববর্ষ পালন করতে পার্টিতে যাচ্ছ যাও। ‘ছাইপাশ’ গিলে এলে মজা বুঝাব।
স্বামী : ফিরে এসে সেই ‘ছাইপাঁশই তো’ গিলতে হবে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০৫ঃ টমেটোটা কে

স্বামীর শার্টে লাল দাগ দেখে সন্দেহপ্রবণ স্ত্রী জানতে চাইল-
: শার্টে এটা কিসের দাগ?
: টমেটো সসের …
: তা তো বুঝলাম। কিন্তু টমেটোটা কে ?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০৬ঃ ঘুমের ভান করে বিড়বিড়

তুমি যদি চাও তোমার স্ত্রী তোমার কোনো কথা খুব মন দিয়ে শুনুক, তাহলে ঘুমের ভান করে বিড়বিড় করে সেগুলো বলো।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০৭ঃ অন্য লোকের বাড়িতে

: আপনি এত রাতে অন্য লোকের বাড়িতে ঢুকেছিলেন কেন ?
: ভেবেছিলাম ওটা আমার বাড়ি।
: তাহলে সে বাড়ির মহিলাকে দেখে আবার ছুটে বেরিয়ে এসেছিলেন কেন ?
: ভেবেছিলাম সে আমার স্ত্রী …।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০৮ঃ আরাম করে দেখব

স্বামী-স্ত্রীর কথা হচ্ছে-
: আচ্ছা এভাবে যদি জিনিসপত্রের দাম বাড়তে থাকে, তাহলে আমরা কী করব ?
: সবাই যখন কষ্ট করে জিনিসপত্র কিনবে আমরা আরাম করে বসে বসে দেখব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২০৯ঃ মুখ বন্ধ

স্ত্রী : বুঝি না তুমি কেন সিগারেট ছাড়া থাকতে পার না? এটা খেতে যদি আসলেই এত ভালো হত, তাহলে আমি কেন খাই না?
স্বামী : কারণ ওটা খেতে হলে মুখ বন্ধ করতে হয়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১০ঃ ট্যাক্সি ডেকে দিচ্ছি

: আচ্ছা এ কথা কি সত্যি যে তুই তোর বন্ধুর স্ত্রীর সাথে পালিয়ে বিয়ে করার চিন্তা করেছিলি ?
: হ্যাঁ ! সেদিন রাতে ওকে নিয়ে পালানোর জন্য ওর বাড়ি পর্যন্ত ও গিয়েছিলাম।
: তাহলে তাকে নিয়ে পালালি না কেন?
: আর বলিস না, বাড়ির মুখেই আমার বন্ধুর সাথে দেখা! সে আমাকে দেখেই খুশিতে ডগমগ হয়ে বলল ‘দাঁড়া, তোদের ট্যাক্সি ডেকে দিচ্ছি’।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১১ঃ ইমিটেশনের গাড়ি

: এই দেখ তোমার জন্মদিন উপলক্ষে এই নেকলেসটা এনেছি।
: কিন্তু আমি তো গাড়ি চেয়েছিলাম।
: কী করব বল, গাড়ি তো আর ইমিটেশনের পাওয়া যায় না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১২ঃ শেষবারের মতো বলছি

এক লোক তার স্ত্রীর ব্যাপারে বেশ চিন্তিত হয়ে ডাক্তারের কাছে গেলেন।
: ডাক্তার সাহেব আমার স্ত্রীর বোধ হয় কানে শোনার সমস্যা আছে। আমি যেই প্রশ্নই করি না কেন সে কোনো জবাব দেয় না, মনে হয় যেন শুনতেই পায় না।
: দেখুন পরীক্ষা না করেই তো আর অবস্থা বোঝা যায় না। আপনি এক কাজ করুন। আজ বাসায় যেয়ে তার থেকে অন্তত পনের হাত দুরে দাঁড়িয়ে যে কোনো একটা প্রশ্ন করবেন, সে শুনতে না পেলে আরেকটু কাছে যেয়ে আবার একই প্রশ্ন করুন । এভাবে সে না শোনা পর্যন্ত বলতে থাকুন। তারপর কাল এসে আমাকে জানিয়ে যাবেন।
ভদ্রলোক বাড়ি ফিরে দেখলেন স্ত্রী রান্নাঘরে কাজ করছে। তিনি দরজার কাছ থেকে জানতে চাইলেন রাতের খাবার কী? কিন্তু স্ত্রীর কাছ থেকে কোনো জবাব পেলেন না। তিনি রান্নাঘরের কাছে গিয়ে আবারো জানতে চাইলেন রাতে সে কী রান্না করছে। এবারও কোনো জবাব নেই। লোকটি এবার তার স্ত্রী থেকে মাত্র দু হাত দুরে দাঁড়িয়ে একই প্রশ্ন করলেন। কিন্তু তবু স্ত্রীকে কোনো জবাব না দিতে দেখে তিনি চিন্তিত হয়ে একদম তার কানের কাছে গিয়ে আবার একই প্রশ্ন করলেন। এবারে স্ত্রী ঘুরে দাঁড়িয়ে রাগী ভঙ্গিতে বলল- ‘চতুর্থ এবং শেষবারের মতো বলছি, রাতের খাবার মুরগি ও ডিম ভুনা’।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১৩ঃ একজন না, হাজার হাজার

রেডিওর বিশেষ বুলেটিন, ‘এই মুহুর্তে একজন ভয়ঙ্কর পাগল প্রচন্ড স্পিডে মেইন রোডে উল্টো রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে।’ এমন খবর শুনে এক বৃদ্ধা সাথে সাথে তার স্বামীকে মোবাইলে ফোন করল যে কি না একটু আগেই গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছে। স্ত্রীর সাবধান বানী শুনে বৃদ্ধা বলল- ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ, আমি দেখতে পাচ্ছি … কিন্তু শুধু একজন না, হাজার হাজার ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১৬ঃ এমনই মিথ্যে বলে

সার্জেন্ট প্রচন্ড গতির গাড়িকে থামাল
সার্জেন্ট : কেন আপনার গাড়ি থামিয়েছি বুঝতে পারছেন?
চালক : ১০০ কিলোমিটার স্পিডে গাড়ি চালাচ্ছি তাই …?
স্বামীকে আশু বিপদের হাত থেকে উদ্ধার করতে তার পাশে বসা স্ত্রী বলে উঠল-
: না না অফিসার, ওর কথা বিশ্বাস করবেন না! মদে চুর হলে ও এমনই মিথ্যে বলে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১৭ঃ বেশি পছন্দ

এক স্ত্রী তার স্বামীকে অভিযোগ করল, ‘তুমি মোটেই আমার আত্মীয়স্বজনকে পছন্দ কর না।’
স্বামী শুনে বললেন, ‘কে বলল! আমি তো তোমার শাশুড়িকে, আমার শাশুড়ির থেকেও বেশি পছন্দ করি।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১৮ঃ তুমিই আমার সব দুর্ভাগ্য

এক ব্যক্তি দুর্ঘটনায় পড়ে কোমাতে চলে যান। স্ত্রী কয়েক মাস ধরে প্রতিদিন তার সেবা করল । ঐ ব্যক্তির জ্ঞান যখন ফিরল তিনি দেখলেন তার স্ত্রী পাশে দাঁড়িয়ে। এরপর তিনি স্ত্রীকে বললেন, ‘প্রিয়তমা, তুমি আমার সকল দুঃসময়ে আমার সঙ্গে ছিলে। যখন আমার চাকরি চলে গেল, তখনও তুমি আমার পাশে ছিলে। যখন আমি ব্যবসায় মার খেলাম তখনও তুমি আমার সঙ্গে ছিলে। যখন সন্ত্রাসীরা গুলি করল তখন তো তুমি আমার সঙ্গেই ছিলে। যখন আমি বাড়িটা হারালাম তখনও তুমি আমার সঙ্গে ছিলে। এমনকি যখন আমি অসুস্থ হয়ে পড়লাম তখনও তুমি আমার ছেড়ে যাও নি। এখন এসব কথা যখন ভাবি তখন আমার কী মনে হয় জান?’
: প্লিজ চুপ কর তো, তুমি অসুস্থ।
: না আমাকে শেষ করতে দাও … মনে হয় তুমি … তুমিই আমার সব দুর্ভাগ্য টেনে এনেছ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২১৯ঃ গাড়ি কার

যদি কোনো সময় দেখেন যে স্বামী তার স্ত্রীর জন্য গাড়ির দরজা খুলে দিচ্ছেন, তাহলে ধরে নেবেন হয় গাড়িটি নতুন নয়তো তার স্ত্রীর ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২০ঃ বিয়ের পর প্রেম দ্বিগুণ

স্ত্রী : ছিঃ ছিঃ তুমি আরেকজনের সঙ্গে প্রেম করছ ?
স্বামী : তুমিই না বললে বিয়ের পর প্রেম দ্বিগুণ করতে ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২১ঃ কিন্তু লাশটার কী হবে

বিয়ের তিন সপ্তাহের মাথায় জেনিসা ফোন করে তার বাবাকে জানাল যে সে ও তার স্বামীর ভেতর প্রচন্ড ঝগড়া হয়েছে। বাবা সান্ত্বনা দিয়ে বলল যে সংসার জীবনে এমন হয়েই থাকে।
“কিন্তু লাশটার কী হবে?” -জেনিসার পরবর্তী প্রশ্ন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২২ঃ বাড়িটা সত্যিই লোভনীয়

একটি বাড়ি বিক্রির বিজ্ঞাপন বেরিয়েছিল পত্রিকায়। সেটি দেখে একজন ক্রেতা এলেন বাড়ি কিনতে। বাড়ির মালিক বললেন, বাড়ি বিক্রি করব না।
: সে কী? তবে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন কেন?
: বিজ্ঞাপন আমি দিলেও, লিখেছে তো কোম্পানির লোক।
: কিন্তু আপনার কথামতোই তো লিখেছে।
: তা লিখেছে। কিন্তু পড়ে মনে হচ্ছে বাড়িটা সত্যিই লোভনীয়। তাই আমি এবং আমার স্ত্রী ঠিক করেছি, বাড়িটা আর বিক্রি করব না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২৩ঃ খুব উত্তেজিত মহিলা তো

: জানিস আমাদের ডাক্তারবাবু খুব ভুলো।
: যেমন।
: বিয়ের দিন পুরোহিত যখন মন্ত্র পড়াতে পড়াতে ওর হাতে স্ত্রীর হাত তুলে দিলেন, উনি স্ত্রীর নাড়ি টিপে ধরে বললেন-খুব উত্তেজিত মহিলা তো। তারপর বললেন, জিভ দেখি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২৪ঃ নিজের ছেলেকেও

এক দার্শনিক একটি ছেলে কোলে করে বাড়ি ঢুকলেন। স্ত্রীকে বললেন, দেখ, এতটুকু ছেলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাঁদছে, বড় মায়া হল, ওকে কোলে করে নিয়ে এলাম। ওকে আমাদের খোকার সঙ্গে মানুষ কর।
দার্শনিকের স্ত্রী মুখ ঝামটা দিয়ে উঠলেন, তুমি কি চোখের মাথা খেয়েছ? নিজের ছেলেকেও চিনতে পারছ না?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২৫ঃ হাতের মাপ

: আমার স্বামীর জন্য কয়েকটা শার্ট দিন তো।
: উনার গলার মাপটা?
: তা তো ঠিক বলতে পারছি না …. তবে দু হাতে মাঝে মধ্যেই ওর গলা টিপে ধরতে হয় তো, হাতের মাপটা নিতে পারেন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২৬ঃ চুলার উপর

স্বামী রাত ১২টায় ঘরে ফিরেছে
: কী গো খাবার কি গরম আছে?
: হ্যাঁ আছে নিশ্চয়ই, সাতটা থেকেই তো চুলার উপর আছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২৭ঃ আপনার যে মুখ

মিসেস আমিন : আমার স্বামী সব সময় তার বুক পকেটে আমার একটা পাসপোর্ট সাইজ ছবি রাখে। ওর বিশ্বাস এ ছবি সঙ্গে থাকলে নাকি তার কোনো বিপদ হবে না …. তো একদিন হল কি হাইজ্যাকাররা তাকে লক্ষ করে গুলি করল….
মিসেস সরকার : ব্যাস ব্যাস আর বলতে হবে না … আপনার যে মুখ- সব কিছুই থামিয়ে দিতে পারবেন….

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২৮ঃ সত্যি সত্যিই পিঁপড়ে

প্লেনের ভিতর কথা হচ্ছে
মহিলা যাত্রী :ওগো দেখো নিচে মানুষগুলোকে পিঁপড়ের মতো দেখাচ্ছে।
তার স্বামী : ওগুলো সত্যি সত্যিই পিঁপড়ে, আমরা এখনো ফ্লাই করি নি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২২৯ঃ ফরাসি শিশুকে দত্তক

এক নবদম্পতিকে দেখা গেল হঠাৎ করে ফ্রেঞ্চ শেখা শুরু করেছে। তাদের প্রতিবেশী কারণ জানতে চাইল, “আপনারা হঠাৎ করে ফরাসি ভাষা শিখছেন ব্যাপার কী?”
“আমরা যে একটা ফরাসি শিশুকে দত্তক নিয়েছি।”

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩০ঃ টিকিট কেটেছিলেন আমার স্বামী

: আচ্ছা আপনি ছুটিতে কি সিঙ্গাপুর গিয়েছেলেন?
: ঠিক বলতে পারছি না টিকিট কেটেছিলেন আমার স্বামী।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩১ঃ হুইল চেয়ারটা কোথায়

বারে এক লোক প্রায় প্রতি মিনিটে একবার করে তার চেয়ার থেকে পড়ে যাচ্ছিলেন। দেখেই বোঝা যাচ্ছিল সে পাঁড় মাতাল হয়ে গেছে। ওয়েটার পাশের টেবিলের লোকটিকে জিজ্ঞেস করল অপনি কি দয়া করে একে একটু বাসায় পৌঁছে দিয়ে আসবেন ?
“নিশ্চয়ই” লোকটি বলল।
তারপর মাতাল লোকটিকে ধরে বাইরে তার গাড়িতে নিয়ে বসাল। বারের ভেতর থেকে দরজা ঘুলে বাইরে নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত মাতাল লোকটি অন্তত পনেরবার আছাড় খেল। তারপর গাড়িতে চেপে সে তাকে তার বাসায় নিয়ে দরজায় বেল বাজাল। গাড়ি থেকে বাড়ির দরজায় পৌঁছাতে মাতালটি আরো গোটা বিশেক হুমড়ি খেল। কিন্তুতার স্ত্রী দরজা খুলেই বলল-ধন্যবাদ, কিন্তু ওর হুইল চেয়ারটা কোথায় ?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩২ঃ শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের জন্য

এক প্রচন্ড অসুস্থ বৃদ্ধ বিছানায় শুয়ে কাতারাচ্ছে । ঘন্টাখানেকের ভেতরে তার মৃত্যু অবধারিত। হঠাৎ তার নাকে লাগল রান্নাঘর থেকে ভেসে আসা তার স্ত্রীর তৈরি চমৎকার ফ্রুট কেকের সুগন্ধ । জীবনে শেষবারের মতো সেই অমৃতের স্বাদ নেবার আশায় সে কোনোমতে শক্তি সঞ্চয় করে হামাগুড়ি দিয়ে রান্নাঘরে গিয়ে পৌঁছল। তারপর শরীরের শেষ বিন্দু পর্যন্ত শক্তি খাটিয়ে বুকে হেঁটে যেই কেকের প্লেটের দিকে হাত বাড়িয়েছে, ঠাস করে তার স্ত্রী তার হাত চটকানা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে বলল-খবরদার ! এখন একটাও ছোঁবে না।
এগুলো তোমার শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের জন্য।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩৩ঃ বৈদ্যুতিক সংযোগ

গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিল মিঃ ও মিসেস হেনরি। একটি গ্রামের ভেতর এসে মিসেস বলল হেনরি মনে আছে? পনের বছর আগে হানিমুন করতে এই পথেই আমরা যাচ্ছিলাম, পথে পড়ল একটি পুরোনো অব্যবহৃত বাড়ি। আমরা সেটার উঠোনেই প্রথম মিলিত হয়েছিলাম। হ্যাঁ, খুব মনে আছে! হেনরি বলল।
‘চল না দেখি বাড়িটি এখনো আছে কিনা!’ স্ত্রীর অনুরোধ হেনরি ফেলতে না পেরে সেই গ্রামের দিকে গাড়ি ঘোরাল। কিছুদুর যেতেই পেয়ে গেল সেই বাড়িটি। তারা গাড়ি দাঁড় করিয়ে সেই উঠোন উপস্থিত হল এবং স্মৃতি দ্বারা প্ররোচিত হযে আগের মতোই সেই উঠোনের বেড়াতে হেলান দিয়ে হেনরি দাড়াল এবং আগের মতো করেই আবার তারা মিলিত হল। কিন্তু এবার হেনরি যেন আরো উদ্যমী আরো তেজী! দারুন উত্তেজনাপূর্ণ প্রায় ৩০ মিনিট কাটার পর যখন সব শেষ হয়ে গেল, তার স্ত্রীর আবেশ জড়ানো কন্ঠে বলল- ওহ! হেনরি আমি তোমাকে খুব ভালবাসি! কিন্তু সেই ১৫ বছর আগে কিন্তু তুমি আমাকে আজকের মতো এভাবে পাগলের মতো ভালবাসি নি!
: আমি জানি… তখন এই বেড়াটাতে যে বৈদ্যুতিক সংযোগ ছিল না!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩৪ঃ বাড়ি ফিরত বেশি দেরি হয়ে

জনৈক মহিলা তার বান্ধবীর সঙ্গে আলাপকালে দুঃখ করেছিল যে প্রতিদিনই তার স্বামী মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় অনেক রাত করে বাড়ি ফেরে। এবং প্রায় রুটিন করেই প্রতিরাতেই দরজা খোলার সময় সে তার স্বামীর সঙ্গে উচ্চৈঃস্বরে ঝগড়া করে তাকে এই বদ অভ্যাস ছাড়ার জন্য বলে কিন্তুকোনো লাভই হয় না।
: তারচেয়ে একদিন তুমি সম্পুর্ণ উল্টো ব্যবহার কর না কেন ? যত রাতেই সে আসুক না কেন, তুমি জেগে থেকে দরজা খুলে দিয়ে তাকে মধুর ব্যবহার করে স্বাগতম জানাবে, আদর করে ডিনার করিয়ে বেডরুমে নিয়ে যাবে। তারপর তার মন বুঝে মিষ্টি স্বরে অনুরোধ করবে সে যদি তার বদ অভ্যাস ছেড়ে দেয় তবে তাকে তুমি এভাবেই চিরদিন ভালবেসে যাবে। বুদ্ধিটি মহিলার মনে ধরল।
পরদিনই সে চমৎকার একটি পোশাক গায়ে চড়িয়ে প্রস্তুত হয়ে থাকল। গভীর রাতে বেল বাজতেই সে ছুটে গিয়ে দরজা খুলেই চুমু দিয়ে তার স্বামীকে স্বাগত জানাল। তাকে টেনে ডাইনিং রুমে নিয়ে তার সবচেয়ে প্রিয় খাবারগুলো দিয়ে ডিনার করাল। খাওয়া শেষে তাকে বসার ঘরে নিয়ে গিয়ে যত্ন করে নিজ হাতে তার জুতো, মোজা, কোট খুলে দিল। তারপর আলতো করে একটা চুমু খেয়ে কানে ফিসফিস করে বলল-আমাদের বোধহয় এখন বেডরুমে যাওয়া উচিত …
“ আমারও তাই মনে হয়, বাড়ি ফিরত বেশি দেরি হয়ে গেলে আমার নির্বোধ স্ত্রীটি আবার হাউকাউ লাগিয়ে দেবে’- এই প্রথম মুখ খুলল তার স্বামী ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩৫ঃ সদস্য সংখ্যা দুই থেকে তিন-এ

বিয়ের ৪র্থ দিনের মাথায় অফিসফেরত স্বামীকে স্ত্রী একটি নতুন খবর আছে জানাল। কৌতুহলী হয়ে স্বামী সেটা কী জানতে চাইল। ‘কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের এই বাড়ির সদস্য সংখ্যা দুই থেকে তিন-এ দাঁড়াতে যাচ্ছে … ’ স্ত্রী এ কথা জানাতেই স্বামী এসে তাকে খুশিতে কোলে তুলে কিছুক্ষণ ঘরময় দৌড়ে বেড়াল। তারপর তাকে চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দিয়ে আনন্দে চকচক করা চোখ তুলে অভিমানের সুরে বলল-
: এত বড় সংবাদ দিতে তুমি আমার অফিস থেকে ফেরা অবধি অপেক্ষা করেলে কেন ?
: কী আশ্চর্য ! আমি তো টেলিগ্রা্মই পেলাম এই মাত্র। তাছাড়া আমি কি আর বুঝতে পেরেছি আমার মা আমাদের সঙ্গে থাকতে আসবে শুনে তুমি এত খুশি হবে !!!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩৬ঃ না জেনেই বিষ খাইয়েছি?

মৃত্যুর ঠিক আগমুহুর্তে তার স্ত্রী ছাড়া সবাইকে ঘর থেকে বের হয়ে যেতে বললেন মিঃ রেইডস। স্ত্রীকে একা পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে বললেন- আমি আমাদের পুরো সংসার জীবন তোমার সাথে সৎ থাকার অভিনয় করেছি মাত্র … আমি একটা প্রতারক … ভন্ড …যতদিন আমি অফিসের দোহাই দিয়ে বাড়ির বাইরে থেকেছি ততদিনই আমি আসলে রাত কাটিয়েছি অন্য নারিদের সাথে … তুমি আমাকে ক্ষমা কর … আমি তোমাকে না জানিয়ে অনেক পাপ করেছি… স্ত্রী দারুণ আবেগে তার মৃত্যুপথযাত্রী স্বামীর হাত ধরে সান্ত্বনা দিয়ে বলল-‘তুমি খামাখা কষ্ট পাচ্ছ, আমি কি তোমাকে এমনি না জেনেই বিষ খাইয়েছি ?’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩৭ঃ কিছুই আসে যায় না

বেঁটে মোটা এক লোককে বিয়ে করেছে অসাধারণ রুপসী এক মহিলা। কিন্তু বিয়ের পর স্ত্রীর বিভিন্ন ব্যবহারে তার নিজেকে খুবই ছোট মনে হতে লাগল। এক পর্যায় সে তাকে সরাসরি প্রশ্ন করল-‘ মিথ্যে বলবে না লিন্ডা, তুমি আমাকে বিয়ে করেছ কারণ আমর দাদা লর্ড এল্ডারস আমার জন্য ১শ মিলিয়ন ডলার রেখে গেছেন সে জন্য, তাই না ?
‘একদম বাজে কথা প্রিয় ! কে তোমার জন্য ওই টাকা রেখে গেছে তাতে আমার কিছুই আসে যায় না ’। স্ত্রী প্রতিবাদ করল।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩৮ঃ আমারও ভালো লাগে না

প্রচন্ড অসুস্থ স্ত্রীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেছে স্বামী। মহিলাকে কিছুক্ষণ পরীক্ষা করে ডাক্তার স্বামীকে আড়ালে ডেকে নিয়ে বলল- দুঃখিত, তোমার স্ত্রীকে দেখে আমার কিন্তু মোটেই ভালো বোধ হচ্ছে না।
স্বামী সাথে সাথে জবাব দিল- ‘আমারও ভালো লাগে না, কিন্তু কী করব বলুন?
সে রাঁধে ভালো, ঘরদোরের কাজও ভালো জানে, তাছাড়া বাচ্চারাও তাকে খুব ভালবাসে … ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৩৯ঃ ভিন্ন কেউ?

বিয়ের পঞ্চাশতম বার্ষিকী পালন করছিলেন স্বামী-স্ত্রী । শহরের সবচেয়ে দামি হোটেলে রোমান্টিক ডিনার শেষে স্বামী হঠাৎ স্ত্রীর হাত ধরে বলা শুরু করল-
: দেখ লিন্ডা, আমাদের প্রথম পাঁচটি সন্তানই দেখতে আমাদের পরিবারের কারো না কারো্ মতো কিন্তু শুধুমাত্র ষষ্ঠজনই কারো মতোই দেখতে হয় নি। আমি সারা জীবন তোমাকে যেমন ভালবেসেছি বাকি দিনগুলোতেও একইভাবে ভালবেসে যাব আমি কথা দিচ্ছি। শুধু একবার আমাকে সত্যি করে বল তার বাবা কি অন্য পাঁচজনের চেয়ে ভিন্ন কেউ?
প্লিজ লিন্ডা আমি শুধুই জানতে চাচ্ছি । আর কিছু নয়।
স্ত্রী কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল-
: তু-তুমি ঠিক ধরেছ … ।
: কে ? কে তবে তার বাবা ?
: তুমি … স্ত্রী জানাল।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪০ঃ হিক্কা ওঠা বন্ধ

এক লোক অনেক রাতে ফার্মিসিতে গিয়ে দোকানির কাছে জানতে চাইল প্রচন্ড হিক্কার জন্য কিছু আছে কি না। দোকানি ভাবল হঠাৎ চমকে দিতে পারলে তার হিক্কা ওঠা বন্ধ হবে। সে এগিয়ে গিয়ে ঠাস করে একটা চড় কষিয়ে দিল লোকটির গালে। লোকটি অবাক হয়ে জানতে চাইল এটা কেন করলে ?
দেখ, তোমার আর হিক্কা উঠছে না!- দোকানি হেসে জানাল।
‘তা উঠছে না, কিন্তু গাড়িতে বসা আমার স্ত্রীর তো এখনো উঠছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪১ঃ স্বপ্ন ও তার অর্থ

১৪ই ফেব্রুয়ারি ভোরবেলায় ঘুম থেকে উঠেই স্ত্রী তার স্বামীর কাছে জানতে চাইল-‘আমি রাতে স্বপ্ন দেখলাম ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষে তুমি আমাকে একটি হীরের আংটি উপহার দিচ্ছ । এর অর্থ কী হতে পারে বলতে পার ?’
স্বামী মিষ্টি হেসে বলল-‘না, তবে, আমি অফিস থেকে ফেরার পরে আজ রাতেই তুমি সেটা জানতে পারবে।’ স্ত্রী এ কথা শুনে দারুণ খুশি হয়ে উঠল। ভাবল হীরের আংটি বানানোর এ কৌশলটা তাহলে কাজে দিল।
সন্ধ্যায় অফিস থেকে ফিরে স্বামী তাকে চুমু খেয়ে একটি ছোট প্যাকেট বাড়িয়ে দিল। তার ভেতর ছিল সুন্দর একটি বই, নাম-‘স্বপ্ন ও তার অর্থ ।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪২ঃ প্রার্থনা করার অভ্যেস

দুই জোড়া দম্পতি হানিমুনে এসেছে। তারা পরস্পর পরিচিত। স্ত্রীরা হোটেলে ফিরে গেল। আর স্বামীরা গল্পগুজব করছিল। কিছুক্ষণ বাদে দুই স্বামী যার যার রুমে যাবার জন্য তৈরি হল। এ সময় কারেন্ট চলে গেল। কোনোরকমে অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে যে যার রুমে ঢুকে গেল। একজন স্বামী প্রার্থনায় বসল। শোবার আগে এটা তার অভ্যাস। প্রর্থনা শেষ হয়ে উঠে দাঁড়াতেই সে দেখতে পেল সে ভুল রুমে। অন্য স্ত্রীর রুমে। লজ্জায় সে সঙ্গে সঙ্গে রুম ত্যাগ করতে যাবে তখন অন্য স্ত্রীটি বলে উঠল- ‘একটু পরে যান কারণ আমার স্বামীর প্রার্থনা করার অভ্যেস নেই।’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪৩ঃ রূপের প্রশংসা

স্বামী : সত্যি কথা বলতে কি জান, প্রকৃত মুর্খরাই সুন্দরী মেয়েদের বিয়ে করে।
স্ত্রী : যাক এ্যাদ্দিনে এই প্রথম তুমি আমার রূপের প্রশংসা করলে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪৪ঃ জীবনবীমা

স্ত্রী : আমি যে প্রতিদিন তোমাকে এত মজার মজার জিনিস রান্না করে খাওয়াই তুমি তো বিনিময়ে কিছুই দাও না …
স্বামী : দিতে হবে না এমনিই পেয়ে যাবে।
স্ত্রী : কী পাব ?
স্বামী : আমার জীবনবীমার পাঁচ লাখ টাকা।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪৫ঃ মিথ্যে মিথ্যে অভিনয়

স্বামী-স্ত্রীর ছোট সংসারে হঠাৎ করে অতিথি এসে হাজির। যাবার নাম নেই। তখন স্বামী-স্ত্রী যুক্তি করল তারা ঝগড়ার অভিনয় করবে। তাই শুরু হল-হুলস্থুল কান্ড। এই দেখে অতিথি বাক্মপেঁটরা গুছিয়ে পালাল।
স্বামী : হাঃ হাঃ কাজ হয়েছে- এই তোমার লাগে নি তো মিথ্যে মারছিলাম ।
স্ত্রী : না আমিও মিথ্যে মিথ্যে কাঁদছিলাম। এ সময় দরজা দিয়ে অতিথিকে ফের বাক্সপেঁটার নিয়ে ঢুকতে দেখা গেল।
স্বামী-স্ত্রী : আপনি ?
অতিথি : আরে আমিও কি সত্যি সত্যি চলে গিয়েছিলাম, মিথ্যে মিথ্যে অভিনয় করলাম তোমাদের মতো হাঃ হাঃ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪৬ঃ ভীতু

স্বামী সিনেমা ম্যাগাজিনে নায়িকাদের ছবি দেখছিল-
স্ত্রী : আমি ওদের থেকেও সুন্দরী নই?
স্বামী : অবশ্যই ।
স্ত্রী : সত্যি তুমি অসম্ভব সৎ আর…
স্বামী : আর ভীতু।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪৭ঃ হেঁটে স্বর্গে ঢোকা নিষেধ

স্ত্রী : কাল রাতে একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখলাম- দেখি আমি স্বর্গে গেছি, স্বর্গের দারোয়ান আমাকে থামাল। বলল হেঁটে ঢোকা নিষেধ, একটা কিছুতে চড়ে আসতে হবে। স্বর্গের দারোয়ান বলে গাধায় চড়ে স্বর্গে ঢোকা নিষেধ, কমপক্ষে ঘোড়া …।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪৮ঃ অন্য পুরুষের সঙ্গে

এক ভদ্রলোক সিনেমা হলের ম্যানেজারকে বলল ‘দেখুন আমার স্ত্রী ভিতরে অন্য পুরুষের সঙ্গে ছবি দেখছে। দয়া করে ওকে হল থেকে বের করে দিন ।’
ম্যানেজার হলে গিয়ে চিৎকার করে বলল, “কোনো একজন মহিলা অন্য পুরুষের সঙ্গে ছবি দেখছেন, তার স্বামী বাইরে অপেক্ষা করছেন, দয়া করে বাইরে আসুন।’’ মুহুর্তে সমস্ত হল খালি হয়ে গেল।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৪৯ঃ ভাষা বোঝে না

স্বামী : পার্টিতে ঐ ইংরেজটা ওইভাবে তোমাকে চুমু খেল, তুমি বাধা দিলে না কেন?
স্ত্রী : আরে আমি তো কত বারণ করলাম। কিন্তু ও তো আমার ভাষাই বোঝে না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫০ঃ ভুলটা আমার

জন্মদিনের এক পার্টিতে এক ভদ্রলোক বিস্মিত হয়ে পাশের লোকটিকে বললেন, আশ্চর্য ব্যাপার ঐ যে লাল শাড়ি পরা সুন্দরী মহিলা, তিনি এতক্ষণ আমার সঙ্গে কী আন্তরিকভাবে আলাপে-ঠাট্টায় মশগুল ছিলেন। হঠাৎ করে গম্ভীর হয়ে চলে গেলেন। বুঝতে পারছি না, মুহুর্তের মধ্যে কী ভুল আমি করলাম।
: ভুল আপনি করেন নি, ভুলটা আমার। মানে আমি ওর স্বামী। এইমাত্র এসেছি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫১ঃ চামচের গুতো

স্ত্রী : শোনো আমার বান্ধবীরা আসছে আশা করি অন্তত চা-টা ওদের সামনে মার্জিতভাবে খাবে, পিরিচে ঢেলে খাবে না।
স্বামী : তুমি পাগল না উন্মাদ? কাপে যে খাব চামচের গুতোয় চোখটা যাবে না আমার ?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫২ঃ ফোনটা ফ্রি

স্ত্রী : বিয়ের জন্য আমাদের মেয়েটা কি বেশি ছোট নয়।
স্বামী : ব্যাপারটা এভাবে চিন্তা কর, আমরা তাকে হারাতে যাচ্ছি না বরং আমাদের ফোনটা ফ্রি পাচ্ছি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫৩ঃ বাবা-মাই থাকে তাদের বাবা-মার বাসায়

নিমাকে কোর্ট ম্যারেজ করায় রাজুকে তার বাবা ত্যাজ্যপুত্র করেছেন। দম্পতি এখন রাস্তায়। কোথায় ওঠা যায় তাই নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে দুজন। তাদের বন্ধু বলল ‘নিমার বাপের বাড়িতে উঠে যা আপাতত্’।
“সেটা সম্ভব না।”
“কেন্?”
“কারণ নিমার বাবা-মাই থাকে তাদের বাবা-মার বাসায়।”

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫৪ঃ বোকার মতো

স্বামী : ওগো শুনছ, সর্বনাশ হয়ে গেল।
স্ত্রী : কী হয়েছে ?
স্বামী : আজ মাইনে নিয়ে অফিস থেকে বাড়ি আসার পথে দু’জন ছোকরা পিস্তল দেখিয়ে বলল, হয় টাকা দাও না হলে জান দাও।
স্ত্রী : আর তুমিও বোকার মতো টাকাটাই দিয়ে এলে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫৫ঃ হতভাগা

স্ত্রীকে তুষ্ট করার জন্য রাস্তায় বেরিয়ে স্বামী বললেন, দ্যাখো দ্যাখো গিন্নি, রাস্তায় লোকজন তোমার দিকে কী রকম ঘুরে ঘুরে দেখছে ?
: আমার দিকে নয়, ওরা তোমার দিকেই তাকাচ্ছে।
: কেন কেন?
: যে তার বউকে গাড়ি চড়াতে পারে না, সে হতভাগাকে না দেখে কেউ থাকতে পারে!

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫৬ঃ জানবার কথা

বইমেলায় বই বিক্রেতা একজন ক্রেতাকে একসেট ‘জানবার কথা’ বিক্রি করার খুব চেষ্টা করে যাচ্ছে-
বিক্রেতা : দেখুন, বই একটা সম্পদ হয়ে থাকবে আপনার ঘরে। এতে ধর্ম, রাজনীতি, সাহিত্য, জিরাফ, কোলাব্যাঙ, অর্থনীতি-সব আছে, এভরিথিং। দাম মাত্র হাজার টাকা।
ক্রেতা : ধন্যবাদ ! কিন্তু এটা আমার কোনো প্রয়োজন নেই, ঘরে আমার স্ত্রী আছেন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫৭ঃ ক’টা দিন জিরিয়ে নেব

স্ত্রী : আমি মরে গেলে তুমি সঙ্গে সঙ্গে আবার বিয়ে করবে না গো ।
স্বামী : মাথা খারাপ। আগে ক’টা দিন জিরিয়ে নেব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫৮ঃ বীরত্বের পরিচয়

: যতদিন না তুমি একটা বীরের মতো কাজ করবে ততদিন আমি তোমাকে বিয়ে করব না।
: এই বাজারে তোমাকে বিয়ে করতে চাইছি এটাই কি যথেষ্ট বীরত্বের পরিচয় নয়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৫৯ঃ মহিলাটি কে

তোমাকে সেদিন থ্যাবড়ামুখী, হাতির মতো মোটা একজন মুহিলার সঙ্গে যেতে দেখলাম, মহিলাটি কে ?
: যদি তুমি আমার স্ত্রীকে ব্যাপারটা না বল তাহলে বলতে পারি।
: বেশ বলব না।
: গত বছর ঐ মহিরাকেই আমি বিয়ে করেছি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬০ঃ মিতব্যয়ী

স্বামী : (খবরের কাগজ পড়তে পড়তে) দ্যাখো দ্যাখো কী লিখেছে। ট্রেনে বিনাটিকিটে যাতায়াতের জন্য যত যাত্রী ধরা পড়ে তার শতকরা ৮৫ জনই মহিলা।
স্ত্রী : তবেই বোঝ, মেয়েরা পুরুষদের চেয়ে কত মিতব্যয়ী।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬১ঃ দুঃস্বপ্ন

স্বামী : কাল রাতে স্বপ্ন দেখলাম আমি পৃথিবীর সেরা সুন্দরীকে বিয়ে করেছি।
স্ত্রী : সত্যি ?
স্বামী : এখন মনে হচ্ছে দুঃস্বপ্ন দেখেছি ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬২ঃ মেয়ের বিয়ে

স্ত্রী : তুমি ঘড়ির দোকানের মালিকের ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেবে বলছ কেন?
স্বামী : যাতে বিয়ের সময় জামাইকে ঘড়ি দিতে না হয় তাই।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬৩ঃ বাথরুম থেকে দাঁতটা নিয়ে আসি

পঁচাত্তর বছর বিবাহবার্ষিকী পালনের সময়।
স্ত্রী : তোমার মনে আছে বিয়ের প্রথম দিনে তুমি কী করেছিলে ?
স্বামী : গাল কামড়ে দিয়েছেলাম তোমার।
স্ত্রী : সেদিন কী আর ফিরে পাব ?
স্বামী : দাঁড়াও বাথরুম থেকে দাঁতটা নিয়ে আসি ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬৪ঃ কমারশিয়াল পারপাসে

স্বামী : বাড়িওয়ালা হঠাৎ আমাদের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে।
স্ত্রী : হঠাৎ উইদাউট নোটিশে …
স্বামী : উনি বললেন ঘরটা নাকি কমারশিয়াল পারপাসে ইয়ুজ হচ্ছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬৫ঃ টিকিট দুটো ফেলে এসেছি

স্বামী : তুমি এই বড় সুটকেস ভর্তি করে কাপড় না এনে বড় আলমারিটাই তো সঙ্গে করে নিয়ে আসতে পারতে।
স্ত্রী : ঠাট্রা করছ? ভারি তো কটা কাপড় সঙ্গে নিয়েছি তাতেই।
স্বামী : না, আসলে ট্রেনের টিকিট দুটো আলমারিতে ফেলে এসেছি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬৬ঃ সবচেয়ে সুন্দর লাগে

স্ত্রী : ওগো বল না আমাকে কখন তোমার সবচেয়ে সুন্দর লাগে?
স্বামী : যখন তুমি বাপের বাড়ি থাক।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬৭ঃ কাকতালীয় ব্যাপার

এক সন্তানসম্ভবা স্ত্রী তার স্বামীকে বলল, “শুনছ, আজকেই হবে ?’
স্বামী : কী হবে?
স্ত্রী : আমি মা আর তুমি বাবা হবে।
স্বামী : দুজন একসাথেই। কী কাকতালীয় ব্যাপার।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬৮ঃ সাবধান

পার্কে বসে আছেন স্বামী-স্ত্রী। গাছের আড়াল থেকে ভেসে এল প্রেমিক-প্রেমিকার কন্ঠস্বর। প্রথমে মৃদু, তারপর জোরে-গাঢ়, আবেগময় আলাপ। স্বামীকে স্ত্রী বললেন, দ্যাখ, ওরা যেভাবে আলাপ করছে, মনে হয় কিছুক্ষণের মধ্যে ছেলেটা বিয়ের প্রস্তাব করে বসবে। তুমি একটু কেশে সাবধান করে দাও ।
: আমার বয়ে গেছে । খিঁচিয়ে উঠলেন স্বামী, তোমার কাছে যখন প্রস্তাব করেছিলাম, তখন আমাকে কেশে কি কেউ সাবধান করেছিল ?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৬৯ঃ জঘন্য স্মৃতিশক্তি

: আমার স্ত্রীর স্মৃতিশক্তি সবচেয়ে জঘন্য ।
: সব ভুলে যায় ?
: সব মনে রাখে ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭০ঃ চুলো জ্বালাব

স্বামী : ধুত্তুর আমি এ সংসারে আগুন জ্বালিয়ে দিব …
স্ত্রী : তার আগে এক লিটার কেরোসিন আনো চুলো জ্বালাব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭১ঃ স্ত্রী মানে কারাগার!

প্রেয়সীকে তুষ্ট করতেই হোক, আর আহ্লাদে গদগদ হয়েই হোক—কত মিষ্টি নামেই না প্রেয়সীকে ডাকা হয়! মুঠোফোনে তাই ‘জান’, ‘সোনা’ ইত্যাদি নামের বহর চোখে পড়ে। কিন্তু বিয়ের পর? উত্তরটা না হয় এ সৌদি দম্পতির কাহিনী থেকেই শুনুন। ভুল করে ফেলে যাওয়া স্বামীর মুঠোফোন ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে কনটাক্ট লিস্টে চোখ আটকে যায় স্ত্রীর; নিজের নামের জায়গায় কুখ্যাত এক বন্দিশিবিরের নাম দেখে যারপরনাই আঁতকে ওঠেন তিনি। পরে শরণাপন্ন হন আদালতের; দীর্ঘ ১৭ বছরের সংসারজীবনের ইতি টানতে চান তিনি। কারণ স্বামী তাঁর নামের বদলে লিখে রেখেছেন ‘গুয়ানতানামো’।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭২ঃ জীবন বরবাদ

এক মহিলা তার একটা পোর্ট্রেট আঁকতে দিল এক শিল্পীকে। বলল, ‘আমার ছবিটায় গলায় খুব দামি কিছু গহনা এঁকে দেবেন।’
শিল্পী: কেন?
মহিলা: আমার মৃত্যু হলে আমার স্বামী যদি আবার বিয়ে করে, তখন তার দ্বিতীয় স্ত্রী যেন এ ছবি দেখে ওর জীবন বরবাদ করে দেয়।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭৩ঃ ইশারায় কথা হয়

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কয়েক দিন ধরে মুখ দেখাদেখি বন্ধ। কেউ কারও সঙ্গে কথা বলেন না। আর যতটুকু বলা প্রয়োজন, তা ইশারায় জানিয়ে দেন। স্বামী দেখলেন, পরের দিন ভোরে তাঁর ফ্লাইট। তাঁকে উঠতে হবে ভোর পাঁচটায়। কিন্তু স্ত্রী যদি জাগিয়ে না দেন, তবে কিছুতেই ভোরবেলায় তাঁর ঘুম ভাঙবে না। কিন্তু তাঁরা কথাও তো বলেন না। কী আর করা! স্বামী একটা কাগজে লিখে দিলেন, ‘দয়া করে ভোর পাঁচটায় আমাকে জাগিয়ে দেবে।’ কাগজটি টেবিলের ওপর রেখে দিলেন, যাতে স্ত্রী দেখতে পান। কিন্তু পরের দিন যখন তাঁর ঘুম ভাঙল, তখন সকাল নয়টা বেজে গেছে এবং বিমানও তাঁকে ছেড়ে চলে গেছে। তিনি রেগে টং হয়ে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন তাঁকে জাগানো হলো না। এদিকে স্ত্রীও সমান তেড়িয়া, ‘এত রাগছ কেন? আমি তো তোমার ওই কাগজটিতে লিখে রেখেছি যে এখন ভোর পাঁচটা বাজে, ঘুম থেকে ওঠো। কিন্তু তুমি তো টেরই পেলে না। আমার কী দোষ?’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭৪ঃ কাকে ফিরে পেতে চায়

স্বামী হারিয়ে যাওয়ায় স্ত্রী এক প্রতিবেশীকে সঙ্গে নিয়ে থানায় গেছেন পুলিশকে বিষয়টি জানাতে। পুলিশ তাঁর স্বামীর বর্ণনা জানতে চাইলেন। স্ত্রী বললেন, ‘আমার স্বামীর বয়স ৩৫ বছর, লম্বায় ছয় ফুট চার ইঞ্চি, ঘন কালো চুল, অ্যাথলেটিক শরীর এবং তিনি বাচ্চাদের খুব পছন্দ করেন।’ এ কথা শেষ হওয়ামাত্র ওই প্রতিবেশী বললেন, ‘আরে, তুমি এসব কী বলছ? তোমার স্বামী তো লম্বায় পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি, মাথায় টাক আছে আর একদম পাতলা শরীর। কিন্তু তুমি এ কাকে খুঁজতে এসেছ?’ স্ত্রী বললেন, ‘হুম, তা তো আমি জানি। কিন্তু তাকে আর ফিরে পেতে কে চায়?’

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭৫ঃ শায়েস্তা করার মোক্ষম সুযোগ

মৃত্যুশয্যায় শায়িত স্বামী তার স্ত্রীকে বলছেন—
স্বামী: আমি তো আর এক মাস পর মারা যাব, তাই আমি চাই, আমার মৃত্যুর পর তুমি সাজ্জাদ সাহেবকে বিয়ে কর।
স্ত্রী: সাজ্জাদ সাহেব! বলো কি, সে তো তোমার শত্রু। আর তাকে কিনা বিয়ে করতে বলছ তুমি!
স্বামী: আমি জানি সে আমার শত্রু। সাজ্জাদকে শায়েস্তা করার এটাই তো মোক্ষম সুযোগ, বুঝলে?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭৬ঃ সব সমস্যার সমাধান

স্ত্রী: আচ্ছা, তুমি সব সময় অফিসে যাওয়ার সময় ব্যাগে করে আমার ছবি নিয়ে যাও কেন?
স্বামী: অফিসে যখন আমি কোনো সমস্যায় পড়ি, তখন তোমার ছবিটি বের করে দেখলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, বুঝলে?
স্ত্রী: তাই নাকি! তাহলে দেখো, তোমার জন্য আমি কতটা সৌভাগ্যের!
স্বামী: হুম, আমার যখন সমস্যা আসে, তখন তোমার ছবি বের করে দেখি আর নিজেকে বলি, তোমার চেয়ে তো বড় কোনো সমস্যা পৃথিবীতে থাকতে পারে না। আর সঙ্গে সঙ্গে ছোট সমস্যাগুলো আর আমার কাছে সমস্যা বলে মনে হয় না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭৭ঃ মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ

স্ত্রী: এতক্ষণ ধরে ওই কাগজটিতে কী দেখছ তুমি?
স্বামী: কই, কিছু না তো!
স্ত্রী: আরে, এ যে দেখি ডাহা মিথ্যে কথা বলছ। তুমি প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আমাদের কাবিননামা এত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছটা কী, শুনি?
স্বামী: না, তেমন কিছু নয়। অনেকক্ষণ ধরে খুঁজেও কেন জানি কাবিননামার মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখটা বের করতে পারলাম না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭৮ঃ স্ত্রীর সঙ্গে গৃহবন্দী

স্ত্রীর সঙ্গে গৃহবন্দী থাকার চেয়ে জেলখানায় থাকতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করেন তিনি। সিসিলীয় এক নির্মাতাকে দিন কয়েক আগে জেল থেকে মুক্তি দিয়ে গৃহবন্দী করে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। কিন্তু ঘরে স্ত্রীর জেরার মুখে তাঁর প্রাণ জেরবার হয়ে যাচ্ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৭৯ঃ কী করে জানলেন

: পুরোনো জিনিস সংগ্রহে আমার খ্যাতি বিশ্বব্যাপী।
: হ্যাঁ আমি জানি।
: কী করে জানলেন?
: আপনার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা হয়েছিল গতকাল।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮০ঃ হসপিটালে ফোন

: একটা চোর আমার রান্নাঘরে ঢুকে গিন্নির রান্না করা সব খাবার খাচ্ছে…
: জলদি থানায় ফোন কর।
: আমি হসপিটালে ফোন করেছি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮১ঃ এখনো্‌ গুনছি

বাসররাতে পতিদেব তাঁর নবপরিনীতা স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, আমাকে বিয়ে করার আগে ক’জনের সঙ্গে তোমার দোস্তী হয়েছিল?
এই প্রশ্নের উত্তরে স্ত্রীকে চুপ করে বসে থাকতে দেখে পতিদেব আবার বললেন, কী, রাগ করলে? আমার প্রশ্নের উত্তর তুমি দেবে না ?
লজ্জাবতী স্ত্রী বলল, একটু সবুর কর, এখনো গুনছি ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮২ঃ প্রেমময় কথা

স্ত্রী: ব্যবসা করতে করতে তুমি একদম বদলে গেছ। সারা দিন শুধু টাকার হিসাব। টাকাপয়সা বাদ দিয়ে আমার চোখে চোখ রেখে আগের মতো একটা প্রেমময় কথা বলো না প্রিয়তম।
স্বামী: তোমার হাসিটা এখনো লক্ষ টাকা দামের।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮৩ঃ চিরশান্তি লাভ

: অবশেষে গত সপ্তাহে মামাবাবু চিরশান্তি লাভ করলেন।
: সে কী ! তোমার মামা মারা গেছেন ?
: না, মামা নয়, মামী ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮৪ঃ শর্টকাট রাস্তা

: আমি যদি মারা যাই, তবে তুমি কি আমার কবরের কাছে যাবে ?
: যেতে তো হবেই, গোরস্থানের ভেতর দিয়েই তো বাজারে যাওয়ার ‘শর্টকাট’রাস্তা।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮৫ঃ কে বলে স্বর্গে আছি

ডাকসাইটে এক বিধবা মহিলা প্লানচেটে তাঁর স্বামীর আত্মা ডেকে আনল।
: কি গো, ওখানে তোমার দিনকাল কেমন কাটছে?
: চমৎকার।
: এখানে যেমন ছিলে তার চেয়ে অনেক ভালো?
: অ-নে-ক, অনেক ভালো।
: বল না গো, স্বগর্টা কেমন?
: কে বলল আমি স্বর্গে আছি?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮৬ঃ কী এমন দেখা আছে

পার্টিতে সবার দৃষ্টি কেড়ে নিল এক সুন্দরী যুবতী। পুরুষেরা ঘিরে রেখেছে তাকে। এক বিবাহিত মহিলা খুব সেজেগুজে এসেছেন তাঁর স্বামীর সাথে। হিংসায় জ্বলেপুড়ে যাচ্ছেন।
শেষ পর্যন্ত স্বামীকে বলেই ফেললেন, আচ্ছা, ওই ফালতু চেহারার ছুঁড়িটার মধ্যে সবাই কী পেল যে এমন পাগল হয়ে দেখছে।
: আমি ও তাই ভাবছি। তুমি একটু বস। আমি দেখে আসি ওর মধ্যে কী এমন দেখা আছে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮৭ঃ কীসের শব্দ

শোবার ঘরে হঠাৎ প্রচন্ড শব্দ শুনে স্ত্রী ছুটে এলেন।
: কীসের শব্দ হল, গো?
: শার্টট পড়ে গিয়েছিল।
: শার্ট পড়লে কখনো শব্দ হয়?
: শার্টের ভিতর আমি ছিলাম যে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮৮ঃ আর একটা সুযোগ

স্বামী : এই ড্রাইভারকে আজই বিদায় করে দেব। বেপরোয়া গাড়ি চালায়। ছয়- ছয় বার নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছি আমি। আজ ও আমাকে প্রায় মেরেই ফেলেছিল।
স্ত্রী : না, না, লক্ষীটি । ওকে বিদায় কোরো না। আর একটা সুযোগ অন্তত দাও তাকে।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৮৯ঃ কীসের জন্য অপেক্ষা

জাদুঘরে গিয়েছে স্বামী-স্ত্রী। স্ত্রীর ইচ্ছে সব ক’টা গ্যালারি ঘুরে দেখার। কিন্তু স্বামী অনেকক্ষণ ধরে একটা পেইন্টিংয়ের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। ছবিটার নাম ‘হেমন্ত’।
স্ত্রী রেগে স্বামীর হাত ধরে টান দিয়ে বলল, কীসের জন্য অপেক্ষা করছ? শীতের?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯০ঃ পাল্টে এনেছি

স্ত্রী : ও গো, এটা তো আমাদের বাচ্চা না! কারটা নেয়ে এলে ?
স্বামী : শ্‌-শ্‌, চুপ ! আমাদেরটা কালো কুচকুচে ছিল, তাই আসবার সময় পাল্টে এনেছি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯১ঃ কথা শুনে কী বলল

বদমেজাজি এক মহিলা চাইনিজ রেস্তোরায় খেতে গিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া বাধিয়ে ফেলেছে। এক পর্যায়ে ভয়ানক উত্তেজিত হয়ে চেঁচিয়ে উঠল। ঢের-ঢের হারামি লোক দেখেছি, কিন্তু তোমার মতো জঘন্য, নীচ, পাজি লোক আর দেখি নি।
প্রথমে থতমত খেয়ে গেলেও খুব দ্রুত সামলে নিল স্বামী। বলল, ঠিক করেছ। তোমার কথা শুনে কী বলল লোকটা ?

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯২ঃ শান্তি চাই

: বিয়ের পর হঠৎ সেনাবাহিবনীতে যোগ দিলি যে ?
: বিয়ের আগে সৈনিক হতে চাইতাম, যুদ্ধ হানাহানি তখন ভালো লাগত ।
: বিয়ের পর কী ভালো লাগে ?
: এখন আমার চোখ খুলে গেছে ; আমি এখন শান্তি চাই, তাই ঘর ছেড়ে সৈন্যদলে নাম লিখিয়েছি।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯৩ঃ অনুশোচনায় আত্মহত্যা

পরলোকে গিয়ে গপ্ল করছে দু’জন ।
: আচ্ছা, আপনি কী করে মারা গেলেন ?
: ঠান্ডায়, প্রচন্ড ঠান্ডায়।
: আপনি কী ভাবে ?
: একদিন আমি বাইরে থেকে এসে শুনি আমার বউ অপরিচিত এক লোকের সাথে কথা বলছে। আমার মাথায় রক্ত চড়ে গেল । কিন্তু সারা বাড়ি তন্নতন্ন করে খুঁজেও লোকটার দেখা পেলাম না। শেষে স্ত্রীর প্রতি অকারণ সন্দেহের জন্য অনুশোচনায় আমি আত্মহত্যা করলাম।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯৪ঃ আবার বলো তো

স্বামী মেয়েদের বেশি কথা বলা নিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন পড়ে শোনাচ্ছিলেন। সেখানে এক জায়গায় লেখা—মেয়েরা দিনে গড়ে ৩০ হাজার শব্দ উচ্চারণ করে, আর ছেলেরা করে প্রায় ১৫ হাজার শব্দ।
ভদ্রলোকের স্ত্রী বললেন, কারণ, যেকোনো কথা ছেলেদের দুবার করে না বললে তারা শোনে না।
স্বামী: বুঝলাম না, কী বললে আবার বলো তো।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯৫ঃ দৌড় প্রতিযোগিতায় পুরস্কার

স্বামী রুপোর কাপ হাতে নিয়ে দৌড়ে স্ত্রীর কাছে এলে স্ত্রী খুশি হয়ে বলল, এই কাপটা তুমি দৌড় প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেলে ?
স্বামী হাসতে হাসতে বলল, হ্যাঁ পুরস্কারই বটে, দৌড়ে প্রথম হয়েছি আমি, দ্বিতীয় হয়েছে এক পুলিশ আর তৃতীয় হয়েছে এই কাপের মালিক ।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯৬ঃ বিউটি পার্লারে হরতার

: তোমার স্ত্রীকে প্রায় তিন সপ্তাহ পর দেখলাম। বড্ড বুড়িয়ে গেছে। ওঁর মুখে অত বলিরেখা কেন ?
: গত সাতদিন ধরে বিউটি পার্লারে হরতার চলছে না।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯৭ঃ পাগলে কী না করে

স্বামীর সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে স্ত্রী বলল, তুমি সত্যি বলছ ? আমি মরলে তুমি পাগল হয়ে যাবে ?
: হ্যাঁ সত্যি, স্বামী বলল। তুমি মরে গেলে আমি সত্যিই পাগল হয়ে যাব।
: থাক আর বোলো না । অনেক মিথ্যে কথা বলেছ । খুব জানি, আমি মরলে তুমি আবার বিয়ে করতে ছুটবে।
স্বামী বলল, পাগলে কী না করে ….

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯৮ঃ উপকারের চেষ্টাই করেছিলেন

: জানো আমার মা বারবার তোমাকে বিয়ে করতে নিষেধ করেছিলেন। এখন বুঝছি কী ভুল করেছি তাঁর কথা না মেনে।
: তিনি তোমাকে নিষেধ করেছিলেন, একথা তুমি আগে বল নি তো ? ছিঃ ছিঃ ।
: মহিলাকে আমি এতদিন কী খারাপই না ভেবেছি। তিনি তাহলে আমার উপকারের চেষ্টাই করেছিলেন।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ২৯৯ঃ সঙ্গে যাব

স্বামী : তোমার এখনো রান্না হয় নি ? আমি চললাম, বাইরে খেয়ে নেব।
স্ত্রী : একটু দাঁড়াও, উনুনে জল ঢেলে দিয়ে আসি। আমিও তোমার সঙ্গে যাব।

 

বাংলা জোকস (Bangla Jokes) – ৩০০ঃ কালার ব্লাইন্ড

কাবেরী : তুই লাল সিঁদুর না দিয়ে সবুজ দিয়েচিস যে ?
সীমা : আমার স্বামী কালার ব্লাইন্ড ।

 

আরও পড়ুন…

The top A number of a hundred+ Strange, Enjoyable & Unique Web sites during the Southern California

How-to Cheat My personal Girlfriend’s Mobile to learn This lady Texts?

How-to Cheat My personal Girlfriend’s Mobile to learn This lady Texts?

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন।