আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন।

কুমারখালী NEWS24
ঢাকাSaturday , 25 July 2020
  1. bbpeoplemeet-inceleme visitors
  2. bbwdatefinder-inceleme visitors
  3. DAF visitors
  4. Flirt review
  5. Herpes Dating dating
  6. herpes dating review
  7. herpes-chat-rooms review
  8. herpes-dating-de visitors
  9. Hervey Bay+Australia hookup sites
  10. Heterosexual cute date ideas
  11. Heterosexual dating beoordeling
  12. Heterosexual dating i migliori siti per single
  13. heterosexual dating reviews
  14. Heterosexual dating reviews
  15. Heterosexual dating visitors

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন।

আজকের সর্বশেষ সবখবর

শ্রমিকরা বেতন না পেলেও সিবিএ নেতার পকেটভারি! কুষ্টিয়া সুগার মিল অনিয়ম দুর্নীতি আখড়া

admin
July 25, 2020 4:57 pm
Link Copied!

নিজেস্ব প্রতিবেদক,কুষ্টিয়া।।

কুষ্টিয়া সুগার মিলে সিবিএ নেতা -প্রশাসনের কর্মকর্তাদের লুটপাটের কারণে লোকসানের বোঝা বেড়েছে চলেছে ! এ সুগার মিলে প্রতি বছর লোকসানের পাল্লা যেমন ভারি হচ্ছে তেমনি বাড়ছে অনিয়ম ও দুর্নীতি। সিবিএ নেতাদের সাথে আঁতাত করে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা টেন্ডার বাণিজ্য, লোক নিয়োগ আর ভূয়া বিল ভাউচারে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। বিষয়টি যেন দেখার কেউ নেই।

কুষ্টিয়া সুগার মিলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে কথা হলে জানান,‘ কুষ্টিয়া সুগার মিল এমনিতেই রুগ্ন। কোটি কোটি টাকা লোকসানের বোঝার মিলের ওপর। মিলের লোকসান বাড়লেও অনিয়ম, দুর্নীতি আর লুটপাট থেমে নেই শ্রমিক-কর্মচারীরা মাসের পর মাস বেতন না পেলেও কিছু সিবিএ নেতা আর প্রশাসনের এমডি থেকে শুরু করে অন্য কর্মকর্তারা দুর্নীতি অনিয়ম করে লাখ লাখ টাকা পকেটে ভরছেন।মিলে শ্রমিক, অস্থায়ী কর্মচারী নিয়োগ, টেন্ডার বাণিজ্য আর ভুয়া বিল ভাউচারে উঠে যাচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এ টাকা যাচ্ছে সিবিএ সেক্রেটারি আনিসুর রহমান, জিএম অ্যাডমিন আকুল হোসেন আর এমডির পকেটে। সম্প্রতি মিল থেকে মৌসুমী শ্রমিক ও কর্মচারীদের নামে ভুয়া বিল উঠেছে।

এছাড়া পরিবহন ঠিকাদার নিয়োগসহ নানা খাতে অনিয়মের ছড়াছড়ি রয়েছে।চলতি মৌসুমে এমডি নিজে বেশ কিছু ভয়া বিল করে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলে নিয়েছে। একই ভাবে ইক্ষু বিভাগেও ৬৯ হাজার টাকার আরো একটি ভৌতিক বিল উত্তোলন করেছেন এমডিসহ তার সহযোগিরা। এসব বিল যাদের নামে তোলা হয়েছে সেই সব লোকের কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এরকম অংখস্য ছোট ছোট বিল তুলে নেয়া হয়েছে এক মৌসুমেই। এছাড়া মিলের চিটাগুড় বিক্রি থেকে ঠিকাদারের নিকট থেকে লাখ লাখ টাকা কমিশন নেয়ার অভিযোগ উঠেছে এমডি, সিবিএ নেতা থেকে শুরু করে জিএম অ্যাডমিনের বিরুদ্ধে। একইভাবে পুরাতন কর্মচারীদের বাদ নিয়ে কর্পোরেশনের নিষেধাজ্ঞার পরও ব্যাক ডেটে ২০ জনকে অস্থায়ী (কানামুনা) শ্রমিক ও কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন এমডিসহ সিবিএ নেতারা। এজন্য প্রতিজনের কাছ থেকে নেয়া হয়েছে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা।


সিবিএ নেতা আনিসুর রহমান তার পছন্দের লোকজনকে নিয়োগ দিয়েছেন। ব্যাক ডেটে কাগজপত্র দেখিয়ে এসব জায়েজ করার চেষ্টা করছেন এমডি। তবে দুর্নীতির এ বিষয়ে একে অন্যর ওপর দায় চাপালেন সিবিএ নেতা আনিসুর রহমান। তিনি বলেন- আমরা ভোটে নির্বাচিত। শ্রমিকদের ভালমন্দ দেখি। বিল যেসব উত্তোলন হয়েছে তা এমডিসহ প্রশাসনের লোকজন বলতে পারবেন।

’আর ভূয়া বিলসহ নানা অনিয়মের বিষয়টি প্রমানসহ দেখালে মিলের এমডি গোলাম সারওয়ার মুর্শেদ নানা ব্যাখ্যা দেওয়া শুরু করেন। এভাবে বিল তোলা যায় কি-না জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান। এছাড়া শ্রমিক নিয়োগ, ঠিকাদার নিয়োগেও র্দুর্নীতির বিষয়ে তিনি নিজের মত ব্যাখা দেন।’মিল বাঁচাতে তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির পাশাপাশি সব অনিয়ম বন্ধে জোরালো পদক্ষেপ নেয়া হবে এমনটি মনে করছেন মিলের শ্রমিক ও কর্মচারীরা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন।